× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৩ ডিসেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

আতালান্তা-ভ্যালেন্সিয়া ম্যাচ ছিল ‘বায়োলজিক্যাল বোম্ব’

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক | ২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, ৬:১৯

নভেল করোনা ভাইরাসের আগ্রাসী রূপের সবচেয়ে বড় শিকার ইতালি। এ ভাইরাসের সংক্রমণে একের পর এক মৃত্যু দেশটিকে ভয়ংকর এক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে। প্রতিবেশী স্পেনেও ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। ইতালি ও স্পেনে করোনা ভাইরাস এভাবে ছড়িয়ে পড়ার জন্য কাঠগড়ায় দাঁড় করা হয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের একটি ম্যাচকে। গত ২০শে ফেব্রুয়ারি আতালান্তা ও ভ্যালেন্সিয়ার মধ্যকার শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগের ম্যাচটি দিয়েই করোনা ছড়িয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইতালির বেরগামো শহরের মেয়র জিওরজিও জোরি।

উত্তর ইতালির লম্বার্ডি অঞ্চলের বেরগামো শহরে সবচেয়ে বেশি করোনা ছড়িয়েছে। যদিও সেদিন ম্যাচটি হয়েছিল মিলানের মাঠ সান সিরোতে। স্টেডিয়ামে সেদিন উপস্থিত ছিল ৪৪ হাজারেরও বেশি দর্শক। এই ম্যাচকে বায়োলজিক্যাল বোম্ব অ্যাখ্যা দিয়ে জিওরজিও জোরি স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কাকে বলেন, ‘ইতালিতে প্রথম করোনা আক্রান্ত পাওয়া যায় ২৩শে ফেব্রুয়ারি।
খুব বেশি মানুষ ২০শে ফেব্রুয়ারির ম্যাচটি মিস করতে চাননি। এমনকি কিছুটা জ্বর বোধ করার পরও। আমার ধারণা, অনেকেই তখন করোনায় আক্রান্ত ছিল। এ রকম অবস্থায় এত মানুষ নিয়ে ম্যাচ আয়োজন ছিল স্রেফ পাগলামি। কিন্তু ওই সময়ে বিষয়গুলো অতটা পরিষ্কার ছিল না, যা এখন কল্পনাই করা যায় না। স্পেন থেকে যাওয়া দর্শকরাও সেখান থেকে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে। তবে করোনা ছড়িয়ে পড়ার জন্য শুধুমাত্র ওই ম্যাচটিকে দায়ী করতে চাই না। আলজানো লম্বার্ডো হাসপাতালে নিউমোনিয়া নিয়ে কিছু মানুষ চিকিৎসা নিতে এসেছিল। ডাক্তার-নার্সরা তখন সেটিকে সাধারণ নিউমোনিয়া ধরে নিয়ে গুরুত্ব দেয়নি। যা পরবর্তীতে করোনা ভাইরাস বলে জানা যায়। কিন্তু তার আগেই অনেকে আক্রান্ত হয় এবং তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।’ এর আগে ফ্রান্সিকো লে ফোসে নামের এক ইমিউনোলজিস্টও আতালান্তা-ভ্যালেন্সিয়া ম্যাচকে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণ হিসেবে মন্তব্য করেন।

গতকাল মঙ্গলবার আতালান্তা জানায় তাদের গোলরক্ষক মার্কো স্পোর্টিল্লো করোনা পজিটিভ হয়েছেন। ইতালি থেকে ফেরার পর ভ্যালেন্সিয়ার ৩৫ শতাংশ খেলোয়াড় করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। যেটাকে মিলান ভ্রমণের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম। ভ্যালেন্সিয়ার সঙ্গে সে ম্যাচটি কাভার করতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হন স্প্যানিশ সাংবাদিক এনরিক মাতেও। ২৫ দিন হাসপাতালে কাটানোর পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনি। আরেক স্প্যানিশ ক্লাব দেপোর্তিভো আলাভেসের ১৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। স্পেনের বাস্ক অঞ্চলের ক্লাবটি নিজেদের ওয়েবসাইটে দেয়া এক বিবৃতিতে জানায়, দলের তিনজন ফুটবলারসহ মোট ১৫ জন করোনায় পজিটিভ হয়েছেন। বাকিদের মধ্যে ৭ জন কোচিং স্টাফের সদস্য এবং ৫ জন ক্লাবের অন্যান্য কর্মকর্তা। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের ধারণা, ৭ই মার্চ হওয়া ভ্যালেন্সিয়া-আলাভেজ ম্যাচ থেকে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে দু’দলের মধ্যে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর