× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৩ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার
অক্সফোর্ডের গবেষণা

অর্ধেক বৃটিশ করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন

দেশ বিদেশ

মানবজমিন ডেস্ক | ২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৯:২১

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় বৃটেনে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, সেখানে জানুয়ারি থেকে এই ভাইরাসের বিস্তার শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে বৃটিশ মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে। একদিনে সেখানে মৃতের সংখ্যা রেকর্ড ৮৭ জনে দাঁড়ানোর পর এমন গবেষণা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিখ্যাত ওই বিশ্ববিদ্যালয়। সব মিলিয়ে সরকারি হিসেবে বৃটেনে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মারা গেছেন ৪২২ জন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের মহামারি বিষয়ক তাত্ত্বিক বা থিওরিটিক্যাল প্রফেসর সুনেত্রা গুপ্ত করোনা সংক্রমণের হার নিয়ে গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাদের গবেষণায় বলা হয়েছে, বৃটেনে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া শুরু হয়েছে মধ্য জানুয়ারি থেকে। এর দু’সপ্তাহ পরে বৃটেনে প্রথম এই ভাইরাসে আক্রান্তের তথ্য মেলে।
এই ভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর এক মাস আগে ওই সংক্রমণ শুরু হয় বলে গবেষণায় বলা হয়েছে। এর অর্থ হলো, এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পেয়েছে। তাই এই তত্ত্বের জন্য পরীক্ষা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। সুনেত্রা গুপ্ত আরো বলেন, অবিলম্বে ব্যাপকভিত্তিক সেরোলজিক্যাল জরিপ শুরু করা উচিত আমাদের। এটা হলো এন্টিবডি পরীক্ষা। এতে শরীরের রক্তরস ও অন্যান্য তরল নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। সুনেত্রা বলেন, মহামারি কি পর্যায়ে আছে তা নির্ধারণ করতে এই পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
একদিনে ইংল্যান্ডে কমপক্ষে ৮৭ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে লন্ডনের জাতীয় এক স্বাস্থ্য স্কিমের অধীনে এক ট্রাস্টেই মারা গেছেন ২১ জন। স্কটল্যান্ডে মারা গেছেন দু’জন। এর আগের দিন আক্রান্ত ৫৪ জন বৃটিশ মারা যান। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বৃটেনে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৬ গুণ। গত মঙ্গলবার সেখানে মৃতের সংখ্যা রেকর্ড করা হয়েছিল ৭১ জন। তবে সরকারকে অবহিত করছে একটি গবেষণা। এ গবেষণা করছেন ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের বিশেষজ্ঞরা। তারা গবেষণায় এ রোগ নিয়ে যে তথ্য দিচ্ছেন অঙফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকদের তথ্য তার বিপরীতমুখী। প্রফেসর সুনেত্রা গুপ্ত বলেন, ইম্পেরিয়ালের করা মডেলের অযোগ্য গ্রহণযোগ্যতায় আমি বিস্মিত। ইম্পেরিয়ালের গবেষণা সরকারকে একটি ব্যতিক্রমী শাটডাউনের দিকে নিয়ে গেছে। এর ভিত্তি হলো এমন শাটডাউন না দিলে আড়াই লাখ মানুষ প্রাণ হারাতে পারেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
A S Dilshad Ahmed
১৪ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১১:৫৪

তাহলে বাংলাদেশের অবস্থা কি সহজেই অনুমান করা যায় । যদিও আমরা বলি "আক্রান্ত হলেও ক্ষতি হবে না "

অন্যান্য খবর