× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ৭ এপ্রিল ২০২০, মঙ্গলবার

মহামারির পরবর্তী এপিসেন্টার হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

দেশ বিদেশ

মানবজমিন ডেস্ক | ২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৯:২৭

করোনা ভাইরাস মহামারির পরবর্তী বৈশ্বিক এপিসেন্টার বা উৎসস্থল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার এমন কথা বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। জাপান থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত বেশির ভাগ দেশ লকডাউন। বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের বসতিপূর্ণ দেশ ভারতে চলছে ২৪ ঘণ্টার পূর্ণাঙ্গ লকডাউন। এর মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে আরো বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বৃটেন ও অন্য দেশগুলোর সঙ্গে যোগ দিয়েছে ভারত। এতে জাপান থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত ব্যবসা-বাণিজ্য ধসে পড়েছে।
উচ্চ মাত্রার এই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বিশ্বকে একেবারে লকডাউন করে দিয়েছে। কোনো কোনো দেশে লোকজনকে ঘরের ভেতর রাখার জন্য রাস্তায় টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী। উৎপাদন খাতসহ প্রায় সব রকম কর্মকাণ্ড বন্ধ করে মানুষ গৃহবন্দি করেছে নিজেকে। এ অবস্থায় ইতালির মিলানে ইউনিক্রেডিট ব্যাংকের অর্থনীতিবিদ এডোয়ার্ডো ক্যাম্পানেলা বলেছেন, সংক্রমণ বন্ধ এবং অর্থনীতি ধসে পড়ার মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাই  বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকট দ্রুতই বৈশ্বিক মন্দায় রূপ নিচ্ছে।  তবে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ২ লাখ কোটি ডলারের প্রণোদনা বিষয়ক বিল পাস করছে এমন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিটে আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। তিন বছরে সেখানে মন্দা অবস্থা চলছিল। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ওয়াল স্ট্রিট। রয়টার্স তার হিসাবকে উদ্ধৃত করে বলছে, বিশ্বের কমপক্ষে ১৯৪টি দেশে মঙ্গলবার পর্যন্ত করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এতে কমপক্ষে ৩ লাখ ৭৭ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন কমপক্ষে ১৬ হাজার ৫০০। জেনেভাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র মার্গারেট হ্যারিস বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমণ ঘটছে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে। তিনি বলেছেন, ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিতদের মধ্যে শতকরা ৮৫ ভাগ আক্রান্ত হয়েছেন ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে। তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত ৪০ ভাগ। সোমবার এ দুটি অঞ্চলে আক্রান্ত হয়েছেন কমপক্ষে ৪২০০০ মানুষ। মারা গেছেন কমপক্ষে ৫৫৯ জন। যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Ripon Asraf
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৬:৩৩

অনেক মানুষ সারা দুনিয়ায় বেকার হয়ে যাবে। উন্নত স্বল্পোন্নত সব দেসেই অথনিতি ভেঙ্গে পড়বে।

Kazi
২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, ২:৪৭

Innalillahi wa inna elaihi rajeun

অন্যান্য খবর