× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ৪ এপ্রিল ২০২০, শনিবার

কে মরি, কে বাঁচি জানি না

অনলাইন

মতিউর রহমান চৌধুরী | ২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৬:১৬

কে মরি, কে বাঁচি জানি না। জানে শুধু উপরওয়ালা। তার হাতেই সবকিছু। চারদিক থেকে একের পর এক খারাপ খবর আসছে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ কার্যত লকডাউন হয়ে গেছে। এটা একটি উত্তম ব্যবস্থা। আরো আগে হলে ভালো হতো। সবকিছু থেমে গেছে।
অসুস্থ রাজনীতির লড়াইও নির্বাসনে। স্বাধীনতা দিবসও চলে গেল নিরবে। অফিস-আদালত বন্ধ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। গণপরিবহনের চাকাও ঘুরছে না। বিমানবন্দরও ফাঁকা। ট্রেনের চাকাও থেমে গেছে। হোটেল-রেস্তরাঁ বন্ধ। যারা মেসে থাকেন অনুমান করুন তারা কীভাবে আছেন? ‘বুয়ারা’ নিজের তাগিদেই বাড়ি চলে গেছেন। আর বস্তি! তাদের তো সীমাহীন কষ্ট। আমাদের অতিথি রোহিঙ্গা শরণার্থীরা মারাত্মক ঝুঁকিতে। ঢাকার কাঁচাবাজার খোলা। তবে সবাই সতর্ক। ওষুধের দোকান চালু রয়েছে। ঢাকার রাজপথের চেহারা এর আগে এমন কখনো দেখিনি। এমনকি কারফিউর সময়ও মানুষজন উঁকিঝুঁকি মারে। এখন সেটাও চোখে পড়ছে না। দু’-এক জায়গায় কিছু মানুষ হেঁটে কোথাও যাচ্ছে- এমন খবর পাচ্ছি। আমি নিজেই ১২ দিন বাড়িতে স্বেচ্ছাবন্দি। অফিসে যাই না। চ্যানেল আইতে যাওয়াও বন্ধ। তবে ঘরে বসে ভয়েস অব আমেরিকার জন্য রিপোর্ট তৈরি করি প্রতিদিন। দরোজায় এখন আর কেউ নক করে না। কাজের মানুষও আসে না। গাড়ির চালকও চলে গেছে আইসোলেশনে।

বাড়িতে বসে অনলাইন দেখি। কখনো চোখ রাখি টিভির পর্দায়। কিছুই ভালো লাগে না। স্ত্রীর সঙ্গে বসে কিছু সময় কাটাই। গল্প করি। বিলেতে অবস্থানরত ছেলের সঙ্গেও কথা বলি। সেও আইসোলেশনে। মাঝে-মধ্যে পুরনো দিনের বাংলা ছবি দেখি। মন্দ লাগে না। চিকিৎসকদের পরামর্শ- আমি নাকি ঝুঁকি গ্রুপে রয়েছি। সহকর্মীরা জান বাজি রেখে অফিস করেন। কাগজ বের হয়। কিন্তু বিক্রি হয় না। রাস্তায় হকার নেই। অর্ধেকেরও বেশি জেলা থেকে বার্তা পাঠিয়ে বলা হয়েছে কাগজ পাঠাবেন না। বৃহস্পতিবার শুনলাম, ঢাকা ছাড়া আর কোথাও কাগজ পাঠানোর তাগিদ নেই। ঢাকার অবস্থাও ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। একটা সময় হয়তো কাগজ বন্ধ করে দিতে হবে। কলকাতার বহুল প্রচারিত ‘বর্তমান’ পত্রিকা বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা আসলে কোথায় আছি? ফেক নিউজের জ্বালায় অস্থির। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবাই যেন বিশেষজ্ঞ। এতে অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশের কলকারখানা এখনো চালু। কিন্তু কারা যেন খবর রটিয়ে দিয়েছে কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। বাস্তব অবস্থা, তা না হলেও ফেক নিউজ থামাবে কে? দু’-একজনকে গ্রেপ্তার করলেই তো ফেক নিউজ বন্ধ হবে না। দরকার জনসচেতনতা। দায়িত্বশীল আচরণ। আমার মতো লাখ লাখ মানুষ স্বেচ্ছাবন্দি। তাদের সময় কীভাবে কাটছে তা অনুমান করতে পারি। খেলা বন্ধ না হলে সময়টা ভালো কাটতো। বিশেষ করে ইউরোপের ফুটবল লীগগুলো চালু থাকলে কথাই ছিল না। ইতিহাসবিদরা বলছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যা হয়নি এখন তা হচ্ছে। দুনিয়া লকডাউন হলে খুশি হবেন কে? ডোনাল্ড ট্রাম্প! না, তার ঘুমও হারাম হয়ে গেছে। অবশ্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট  ভ্লাদিমির পুতিন বড়াই করে বলছেন, রাশিয়া মুক্ত। মাত্র ১ জন মারা গেছে। এটা কি শতভাগ বিশ্বাসযোগ্য খবর? নাকি ফেক নিউজ। লন্ডন থেকে এক বন্ধু ফোন করে বললেন, এর কিছুটা সত্যতা আছে। রাশিয়া শুরু থেকেই অনেকটা লকডাউনে চলে গিয়েছিল। এ জন্য সুফল পেয়েছে। আফ্রিকার মাত্র ৭টি দেশ এখনো করোনা মুক্ত। তবে ঝুঁকিতে রয়েছে। আমাদের প্রস্তুতিতে ঘাটতি ছিল- এটা কবুল করতেই হয়।

বিদেশ ফেরতদের আমরা যেভাবে গ্রহণ করেছি তা ছিল আত্মঘাতী। এখন আর কাউকে দোষারোপ করে কোনো লাভ নেই। বরং ভুল থেকে আমাদের কিছু শিখতে হবে। মনে রাখতে হবে, এটা জাতীয় দুর্যোগ। এটা এককভাবে সরকারের পক্ষে মোকাবিলা করা কঠিন। তাই সবাইকে নিয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা যেতে পারে। এটা হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে। এতে থাকবেন সব দলের প্রতিনিধি। বিশেষজ্ঞদেরও রাখতে হবে এই টাস্কফোর্সে। কলুষিত রাজনীতি যেন আমাদেরকে অন্ধ না রাখে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের আগাম বার্তা আমলে না নিলে আমরা বড় ধরনের বিপদে পড়ে যেতে পারি। তারা তো বলছেন, কয়েক লাখ মানুষের প্রাণহানি হতে পারে। স্তিমিত হয়ে যেতে পারে কোটি মানুষের প্রাণশক্তি। অর্থনীতির অবস্থা সহজেই অনুমান করতে পারি। যদি বাস্তব অবস্থা দেশকে এবং বাইরের দুনিয়াকে না জানাই তাহলে সহমর্মিতা থেকেও আমরা বঞ্চিত হবো। তাই সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এখন আর কোনো ভুল করা চলবে না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
S.M.MIZANUR RAHMAN
২৮ মার্চ ২০২০, শনিবার, ৯:৩৯

আমি এই লেখার সাথে শতভাগ একমত।এ লেখাগুলো আমার প্রানের কথা।

Monwarul Haque
২৮ মার্চ ২০২০, শনিবার, ২:৩৫

I do agree

আলাউদ্দিন
২৮ মার্চ ২০২০, শনিবার, ৮:০৪

চমৎকার, সুন্দর এবং শিক্ষণীয় লেখনী। ধন্যবাদ স্যার।

Dr Mohammad Golam Ro
২৮ মার্চ ২০২০, শনিবার, ৩:১৩

Desirable and acceptable opinion

Mohammad Emran Hossa
২৮ মার্চ ২০২০, শনিবার, ৩:৩৩

সত্যি আমরা সবাই খুব একটা খারাপ সিচুয়েশনে আছি, যাই হোক আমরা সবাই সবাইকে মাফ করে দি, আল্লাহ আমাদের সহায় হোন আমীন!

Mohd Makbul Hossain
২৭ মার্চ ২০২০, শুক্রবার, ১১:৫৫

COVID-19 সংক্রমণ বিশ্ববাসীকে ঠেলে দিচ্ছে এক মহামারী ও বিপর্যয়ের দিকে যাহা ইতিহাসের সকল রেকর্ডস ও কল্পনাকে পিছু ফেলেছে। এটা শুধু মহামারী নয় বরং এক অর্থনৈতিক বিপর্যয় বটে। কোন জ্যোতিষী বিজ্ঞান ও গবেষণা এর কিঞ্চিৎ ইঙ্গিত দিতে পারেনি। মানুষকে রক্ষা করার জন্য বৈজ্ঞানিক সকল গবেষণা ব্যর্থ হয়েছে। এখানে বিজ্ঞানের চেয়ে আল্লাহর উপর বিশ্বাসীরাই বেশি শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। ইতিহাস থেকে জানা যায় এই ধরনের মহামারী প্রতি একশত বছর অন্তর অন্তর মানবজাতিকে আক্রমণ করে থাকে।একটি মহামারী থেকে অপর আরেকটি মহামারীর মধ্যবর্তী সময় একশত বছর যাহা আল্লাহ পাক মানবজাতিকে সংশোধনীর জন্য ছেড়ে দিয়েছেন কিন্তু দুর্ভাগা মানবজাতি সেই সুযোগে দুনিয়ার উপরে আরও তান্ডব চালিয়েছে ও বিপর্যযকে আরও বেগবান করে তুলেছে। পবিত্র কোরআনে পাকে আল্লাহ পাক মানব জাতির উদ্দেশ্যে বলেছেন তোমরা দুনিয়ার উপর বিপর্যয়ের সৃষ্টি করো না নিশ্চয়ই বিপর্যয় সৃষ্টিকারী উহার স্বাদ আস্বাদন করিবে। আজ সারা দুনিয়াতে ধনী থেকে শুরু করে গরীব, সরকার থেকে শুরু করে প্রশাসন,রাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্র ,সমাজ থেকে সমাজ,ধর্ম থেকে ধর্ম যেভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে উহা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য খোদায়ী গজব ব্যতীত বিকল্প অন্য কোন রাস্তা খোলা নেই। মানুষের বাঁচা মরা চিন্তাভাবনা সম্পূর্ণ আত্মকেন্দ্রিক করুণা ভাইরাস উহার জ্বলন্ত উদাহর। আজ করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য এক ফেমেলি অপর ফ্যামিলি থেকে বিচ্ছিন্ন এক সমাজ অপর সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন, এক গ্রাম অপর গ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন , এক জেলা অপর জেলা থেকে বিচ্ছিন্ন, এক দেশ অপর দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন। সুতরাং মানুষ যত বেশী আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক হবে, দুনিয়াতে যত বেশি বিপর্যয় সৃষ্টি করবে,করুনার চেয়েও আরো আধুনিক ও ডিজিটাল ভার্সন নিয়ে এক একটি মহামারী মানুষকে আক্রমণ করতে থাকবে। আসুন আমরা সকলেই আল্লাহর নিয়ম মেনে চলি দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তিতে থাকি।

এম এ শেখ আসেক
২৭ মার্চ ২০২০, শুক্রবার, ৭:০৫

চমৎকার ও সময়োপযোগী লিখা। দেরীতে হলেও সরকারের উদ্যাগ প্রসংশনীয়। সবাইকে নিয়ে সর্বদলীয় জাতীয় দুযোগ মোকবেলা কমিটি গড়া উচিৎ। এতে সরকারের প্রতি জনগনের আস্থা বাড়বে।

Mohammed Moniruzzama
২৭ মার্চ ২০২০, শুক্রবার, ২:২৫

সব সময় সৃষ্টি মালিকের উপড় ভরষা রাখতে হবে । আর মনে রাখতে হবে যে, আমাদের জীবন হচ্ছে একটি যুদ্ধ, আমাদের অবশ্যই এটির মুখোমুখি হতে হবে। করোনভাইরাস আমাদের জীবন যাত্রার একটি অংশ। আমাদের যা করতে হবে তা হ'ল আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। আমরা যদি তা করি তবে করোনাভাইরাস পালিয়ে যাবে।

Neeher
২৭ মার্চ ২০২০, শুক্রবার, ৮:২৫

Very insightful writing.

সাব্বির আহমেদ চৌধুরী
২৭ মার্চ ২০২০, শুক্রবার, ৬:৩৭

লেখাটি খুবই ভালো লেগেছে এবং সময় উপযোগী কর্তা ব্যক্তিরা যদি পড়েন তাহলে দেশের খুবই উপকারে আসবে। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

এ বি এম বাহাউদ্দিন আ
২৭ মার্চ ২০২০, শুক্রবার, ৫:৫২

চমৎকার-খুবই চমৎকার লেখা, আমার কাছে ভালো লেগেছে । তবে কে কি ভাবে নেবে, তা জানি না-সুন্দর , থ্যাঙ্ক ইউ।

A K M Mohiuddin
২৭ মার্চ ২০২০, শুক্রবার, ৬:০৯

জনাব মতিউর রহমান সাহেব, আসসালামু আলাইকুম। আমি একজন বৃদ্ধ ও অখ্যাত ব্যক্তি। অনেক ব্যপারে আমি আপনাকে খুব সম্মান করি। সম্মান করি আপনার কাগজের সত্যনিষ্ঠাকে। আপনার কাগজে এমন অনেক খবর ও বিশ্লেষণ পাই যা অন্য কোথাও মেলে না। দেশের রাজনৈতিক ব্যপারে আপনাদের সৎ ও নিরপেক্ষ সংবাদ ও মতামত খুবই প্রশংসনীয়। কিন্তু একটি ক্ষেত্রে আপনাদের কাগজ আমাকে বিচলিত করে ও বেদনা দেয়। তা হচ্ছে আপনাদের কাগজ আশ্লীলতা ও যৌনতা প্রচার করে এবং প্রসারিত করতে সাহায্য করে। সারা দুনিয়া এই ব্যাধিতে আজ মারাত্মক ভাবে আক্রান্ত। এর ফলাফল হয়েছে ধ্বংসাত্মক। আমাদের কি এই ধ্বংসাত্মক ব্যাধির প্রয়োজন আছে? আমি আশা করি আপনি আমার এই কথাটি একটু ভালভাবে ভেবে দেখবেন। আপনি বুদ্ধিমান মানুষ। এই সাথে একটু বিচক্ষণ হোণ। আমার কথায় যদি ভূল বা অন্যায় হোয়ে থাকে তবে নিজগুণে ক্ষমা করে দেবেন। আল্লাহতালার কাছে আপনার কল্যাণের জন্য দুয়া করি।

Monir
২৭ মার্চ ২০২০, শুক্রবার, ২:২৯

সত্যি বলেছেন

শহীদুল আলম ইমরান
২৭ মার্চ ২০২০, শুক্রবার, ২:৫৩

এটাই বাস্তবতা-প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলা করার ক্ষমতা কারো নেই। তারপরও অনেকে বলছেন জয় করবেন-আবার বলা হচ্ছে করোনার চেয়েও নাকি কেউ কেউ শক্তিশালী। এটি স্বয়ং সৃষ্টিকর্তার সাথে চ্যালেঞ্চ করা। তবে মতি ভাই মানব সৃষ্ট বহু দূর্যোগ আপনি মোকাবেলা করেছেন, আমার বিশ্বাস করোনা থেকে মহান আল্লাহই আপনি এ আপনার সৃষ্ট সংবাদকর্মী(আমিসহ) সবাইকে হেফাজত করবেন। মানবজমিন লোকসান দিয়েই যাত্রা শুরু-আপাতত হয়তো সেই পরিস্থিতিই মোকাবেলা করতে হবে। তারপরও সবাইকে হেফাজত করুর আল্লাহ-আমিন। শহীদুল আলম ইমরান, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক, মোহনা টিভি।

আনহার সমশাদ
২৭ মার্চ ২০২০, শুক্রবার, ১২:১৯

সত্যিকার অর্থে আমরা চরম ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছি।বিশেষ করে দিনের আয়ে জিবিকা নির্বাহ করা মানুষ গুলো কঠিন সময় পার করছেন। সরকারের পাশাপাশি বিত্তবান ও হ্রদয় বান বিবেকবান মানুষ এগিয়ে আসা খুব প্রয়োজন। আমরা সকলেই অচল। যেনো মানবিক ভাবে সবাইকে নিয়ে বাচার চেষ্টা করি।স্বার্থপর না হই।সবকিছু মহান শ্রষ্টা অবলোকন করছেন।

Al amin
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৮:৪১

এই রকম চিন্তার সাংবাদিক দরকার

শেখ সাইফুল্লাহ, নিয়
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:১৩

জাতীয় ঐক্যবদ্ধভাবে এই মরনঘাতি করোনা মোকাবেলা সময়ের দাবি।অচিরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে Stearing কমিটির প্রধান করে বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকেCo chief করে ৫০১সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করে এখন থেকে করোনা মোকাবেলা করতে হবে। দেরিতে শুরু করলে মহাবিপদ।এর মধ্যে ধর্মীয় একটি উপ-কমিটি করে আল্লাহ রাসুলের বানী ও হাদিসের আলোকে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে বলে মনে করি।

Abul Kalam Azad
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৯:১৭

Don't be frustrated .Depend on almighty Lord.

ম নাছিরউদ্দীন শাহ
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:০৬

শ্রদ্ধেয় মতিভাই আপনার এই গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম কে মরি কে বাঁচি জানি না। এই সামান্য লিখা সারাবিশ্বের মানুষ জন‍্য আর বাংলাদেশের মানুষের বিবেক কে নাড়া দিয়েছে। আমাদের জন্য। বাংলাদেশের মানুষের জন্য। ভয়াবহ দশ নম্বর মহাবিপদ। এই বিপদতো শক্তিশালী আল্লাহর পক্ষে বিশালাকার পরিক্ষা। রাজা বাদশাহ উজির নাজির ধর্ম বর্ণ গোত্র করোনার ভয়ে আতঙ্কগ্রস্ত। সারাবিশ্ব অবরোধ কি হবে জানি না। আল্লাহ্ আপনি আমাদের ক্ষমা করুন। মৃত্যুতো মানুষের জন্য অনিবার্য সত্যি। এই করোনার মৃত্যুতে পিতা পুত্র কে দরতে পারেন না। ইসলামের বিধান মতে দাফন কাপন হচ্ছেন না। কঠিন কঠোর এই আয়োজনের মালিক কে?? নিশ্চয় আল্লাহ্। ইতালির প্রধান মন্ত্রীর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ বিশ্ব বিবেক কে নাড়া দিয়েছে। সব চেষ্টা শেষ আকাশের মালিকের সাহায্য চায়। আমাদের সবাই আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। কারণ। আপনার মুল‍্যবান কথা কে মরি কে বাচি জানি না। মতিভাই আল্লাহ্ আপনাকে দীর্ঘায়ু সহি সালামতে রাখূক। আল্লাহ্ আমাদের সহায়।

এমএম মাসুদ
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৮:০৪

১০০ ভাগ সত্য। এর পরও সচেতন না হলে দায় কার।

RANA
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:৫৯

NICE THANKS YOUR COMMENTS

মাহমুদ রুবেল
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৬:৫১

মতি ভাই এর লেখা অত্যন্ত বাস্তব সম্মত, আমি ওনার লেখা ও চিন্তা ভাবনা কে সম্মান করি,মতি ভাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করছি ।

gazi
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:৪২

আমরা যে শিক্ষা নেইনা তা নয় তবে সব কিছুতে কেমন জানি একটা দেরি-দেরি ভাব। আমরা কি কোনদিন একটু serious হতে পারবোনা

শামসুল হকশারেক
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৬:৪২

ধন্যবাদ আমার প্রিয় মানুষটিকে 'সঠিক সময় সঠিক লেখার জন্য'।

তাজুল ইসলাম
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৬:১৪

চমৎকার বাস্তব সম্মত লেখা। মতি ভাইয়ের লেখা আমি সবসময় মনোযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করি। আল্লাহ আমাদের এ প্রিয়জনকে দীর্ঘ হায়াত দান করুন, আমাদের সকলের প্রতি রহম করুন.......

কাজী সোহেল আহম্মেদ,
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৬:০৯

মতি ভাই....ইইই,সত্যি আজ আল্লাহ আমাদের কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছেন। আমার বিশ্বাস আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কুন পাইয়া কুনের মহিমায় আমাদের সহ সারা পৃথিবীর মানুষ কে কিছু নমুনা দেখিয়ে করোনা ভাইরাস কে নিয়ন্ত্রন করার ব্যবস্থা করবেন। আল্লাহ আপনাকে সুস্থ্য ও সুস্থ রাখুন। আপনি আমার চেয়ে অনেক বেশি জ্ঞানী তারপর ও বলবো লাউ পেকে যে বীজ হয় সেই বীজ কৃষক ১ বছর ঘরে কোয়ারান্টাইন রাখে তারপর ছয়মাস১বছর পর জমিতে বীজ বপন করলে আবার সবুজ গাছ হয়ে লাউ জন্মদেন মহান আল্লাহ পাক।ভয় নাই মতি ভাই আল্লাহ র উপর বিশ্বাস রাখুন।

লায়েকুজ্জামান
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:০২

ভাই আজ ঢাকা শহরের বেশ কিছু এলাকা ঘুরলাম ,একটি রিপোর্ট করার জন্য। মাত্র এক দিনের লকডাউনে অবস্থা কাহিল। এক রিক্সা চালককে পুলিশ ধরলাে। রিক্সা চালক বললো,খাবার দেন,আমি আর বাসা থেক বের হবো না। নীরব হয়ে গেল পুলিশ।

ShawkatHossainChowdh
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৫:৫৩

আল্লাহ আমাদের সব্বাইকে রোগ শোক বালা মসিবত থেকে হেফাজতকরুন আমিন ।।

Ashraf
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৫:৫২

ত্র বিশ্বদুর্যোগ মানব সৃষ্টি,কত মানুষ মরল ও মরবে তার প্রকৃত হিসাব আল্লাহপাক ও রাষ্ট্রপ্রধান ছাড়া কেহ কোনো দিন জানতে পারবেনা।আসমানবাসির লাঠিআঘাত শব্দহীন হয়,ত্রটাই তার প্রমান নয় কি? আশাকরি শ্রষ্টার সৃষ্টির উদ্দ্যেশ্য মানব জাতী যেন কিছু বুঝতে পারে ত্রবং তারদিকে সবাই যেন তাওবা করে সবাই ফিরে আসে সেই উপলব্দি যেন আমাদের অন্তরে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত সৃষ্টিকরেদেন তার জন্য দোয়া করি, আমীন।

Dewan Chowdhury
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৫:৫১

এখন আর কোনো ভুল করা চলবে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
২৬ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৫:২৭

একেই কি বিধাতার বিচার বলে?হয়তো।সঠিক খবর যে কোনটি আমরা কেউই জানি না।ভাবলেই কেমন লাগে।তাই না?

অন্যান্য খবর