× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ৪ এপ্রিল ২০২০, শনিবার

চট্টগ্রামে করোনা আতঙ্কে পত্রিকা বিলি বন্ধ

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ২৭ মার্চ ২০২০, শুক্রবার, ৭:০৩

করোনা ভাইরাস আতঙ্কে ২৬শে মার্চ বৃহসপতিবার ভোর থেকে সব ধরনের পত্রিকা বিলি বন্ধ করে দিয়েছে চট্টগ্রামের হকাররা। সরকারের ঘোষিত ১০ দিনের লকডাউনে অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না কোনো হকার।
চট্টগ্রাম মহানগরীর চেরাগী পাহাড় ও ষোলশহর দুই নম্বর গেইটে এজেন্টরা প্রতিদিন পত্রিকা পসরা খুলে বসে। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোরে সে পসরা বসেনি। পত্রিকা গোছানোর সেই তোরজোর-শোরগোল তেমন দেখা যায়নি। বরং ওই এলাকায় ছিল শুনশান নীরবতা। পাশের চা দোকানিরা জানালো, পত্রিকা নিতে হকাররা তেমন একটা আসেননি। যারা এসেছিলেন তারাও দ্রুত চলে গেছেন।
নগরীর মোড়ে মোড়েও কোন হকার পত্রিকা বিক্রি করেনি। এমনকি সাইকেল চালিয়ে বাসায় গিয়েও পত্রিকা তেমন বিলি করা হয়নি। চট্টগ্রাম সংবাদপত্র হকার্স বহুমুখি সমবায় সমিতির সভাপতি মো. ইউসুফ আলী এ প্রসঙ্গে বলেন, পত্রিকা বিলি না করার সাংগঠনিক কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। কিন্তু সকাল থেকে অধিকাংশ হকার কাজে যোগ দেননি। এ কারণে চট্টগ্রামে লক্ষাধিক পিস দৈনিক পত্রিকা অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে আছে।
সংগঠনের সাধারণ সমপাদক নজরুল ইসলাম লিটন বলেন, আমাদের সংগঠনের আওতায় হকার আছেন ২৫০ জনের উপরে। এছাড়া পুরো শহের এমন হকারের সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার। তন্মধ্যে সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৩৫ জন পত্রিকা নিয়ে গেছে সকালে। ফলে জাতীয় পত্রিকার অধিকাংশই গোডাউনে রয়ে গেছে।
তিনি বলেন, আমরা হকারদের জীবন জীবিকা নিয়ে চিন্তিত। পত্রিকা মালিকরা বলছেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এ নিয়ে আমরা তাদের সঙ্গে কথা চালিয়ে যাচ্ছি। দেখি হকারদের জন্য কিছু করা যায় কিনা। এদিকে হকাররা বলছেন, বৃহসপতিবার থেকে ৪ঠা এপ্রিল পর্যন্ত সরকারের ঘোষিত ১০ দিনের লকডাউনে জাতীয় ও স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত সব দৈনিক পত্রিকা, সাপ্তাহিক ও সাময়িকপত্র সরবরাহ, গ্রহণ ও বিলি-বণ্টন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যদিকে নিউজপেপার ওনার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। যেখানে পত্রিকার হকাররা মাস্কের সঙ্গে গ্লাভস বা দস্তানা হাতে কাগজ বিলি, রাস্তায় ফেলে বিক্রি না করার ব্যবস্থা করলে সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। প্রসঙ্গত, বিশ্বের শীর্ষ বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকরা বলছেন বিশ্বের যেসব দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে সেসব দেশে আজ পর্যন্ত সংবাদপত্র, ছাপা পত্রপত্রিকা বা চিঠি থেকে কভিড-১৯ সংক্রমণের ঘটনা ঘটেনি। শুধু খবরের কাগজ নয়, ডাকে পাঠানো বা অনলাইনে অর্ডার করা পণ্যের প্যাকেট নিয়েও আশঙ্কার কিছু দেখছে না ডব্লিউএইচও।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর