× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৭ জুন ২০২০, রবিবার

দোযখের আযাব থেকে মুক্তির শেষ ১০ দিন শুরু

খোশ আমদেদ মাহে রমজান

মাওলানা এম. এ. করিম ইবনে মছব্বির | ১৪ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১১:০৮

চোখের পলকের মত বিদায় নিয়েছে রহমত এবং মাগফেরাতের ২০ দিন। আজ থেকে শুরু হল দোযখ থেকে মুক্তির ১০ দিন। রহমত এবং মাগফেরাতের চাদরে যখন আচ্ছাদিত তখন আল্লাহ পাকের কাছে আমরা আশাবাদী, পবিত্র রমজানুল করিমের পূর্ণাঙ্গ ইবাদত দ্বারা আমরা দোযখের আগুনকে দূরে রাখব ইনশাআল্লাহ।
হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) থেকে বর্ণিত- নবী করিম (সাঃ) বলেন, যখন রমজানের  শেষ দশক উপস্থিত হতো তখন নবী করিম (সাঃ) রাত জাগতেন ও পরিবারের সদস্যদের জাগিয়ে তুলতেন (বুখারী শরীফ- ১৯২০, মুসলিম শরীফ- ১১৭৪)। নবী করিম (সাঃ) রমজানের শেষ দশকে এমন মুজাহাদা করতেন যা তিনি অন্য সময় করতেন না। (মুসলিম শরীফ- ১১৭৫) । পবিত্র রামজানুল করিমের এই শেষ ১০ দিন আমরা বেশি বেশি করে মহান আল্লাহপাকের কাছে দোযখ থেকে পানাহ চাইবো।  বেহেশত পাওয়ার আশা করবো। হযরত উম্মে ইসমত (রা.) হতে বর্ণিত- নবী করিম (সাঃ) ইরশাদ করেন রমজানের শেষ দশকে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন অসংখ্য গুনাহগারকে দোযখের কঠিন আজাব থেকে মুক্তি দান করেন।
দোযখ থেকে সেই মুক্তির জন্য আমরা মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট প্রতিনিয়ত বেশি বেশি তাওবা ও ইসতেগফার করব। যেন আল্লাহ পাক আমাদের দোযখের কঠিন শাস্তি থেকে মুক্তি দান করেন।
হযরত উম্মে ইসমত হতে বর্ণিত- নবী করিম (সাঃ) ইরশাদ করেন, কোনও মুসলমান যখনই পাপ করে তখন যে ফেরেশতা তা লেখার কাজে নিয়োজিত থাকেন। তিনি তিন ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। যদি এর মধ্যে ওই ব্যক্তি ইস্তেগফার করে তাহলে এই পাপ তার আমলনামায় লিপিবদ্ধ করেন না। (মুস্তাদারাকে হাকিম) । যার আমলনামায় বেশি ইস্তেগফার থাকবে সে কামিয়াব। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে বুসর (রা.) হতে বর্ণিত- নবী করিম (সা.) বলেন, সেই ব্যক্তির অবস্থা অতি উত্তম, কেয়ামতের দিন যার আমলনামায় প্রচুর পরিমাণে ইস্তেগফার পাবে। (ইবনে মাজাহ)।  হযরত আবু সাইদ (রা.) হতে বর্ণিত- নবী করিম (সাঃ) বলেন, শয়তান বলেছিল, হে আমার প্রভূ তোমার সম্মানের শপথ। আমি তোমার বান্দাদের বিপথগামী করতেই থাকব যতক্ষণ তাদের রূহ শরীরে বিদ্যমান থাকে। তখন আল্লাহ বলেছিলেন, আমি আমার সম্মান, পরাক্রম ও উচ্চ মর্যাদার শপথ করে বলছি, আমি তাদের ক্ষমা করতেই থাকব, যতক্ষণ তারা আমার নিকট ক্ষমা চাইতে থাকবে। (আহমদ)।
হযরত ছাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত- নবী করিম (সাঃ) নামাজ থেকে অবসর হয়ে তিনবার ইস্তেগফার করতেন এবং এভাবে দোয়া করতেন। আল্লাহুম্মা আন্তাস্সালাম ওয়ামিনকাস্সালাম তাবারাক্তা ইয়া যালযালালি ওয়াল ইক্রাম অর্থাৎ হে আল্লাহ তুমি শান্তিময়। তোমার হতেই শান্তি লাভ হয়। তুমি বরকতময়। হে পরাক্রম ও সম্মানের অধিপতি। (মুসলিম শরীফ) । রমজানের শেষ দশকে প্রত্যেক মুমিন এই দোয়াটি বেশি  বেশি পাঠ করব- আল্লাহুম্মা আজিরনা ওয়া খালিসনা মিনান্নার।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর