× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৭ জুন ২০২০, রবিবার

ইতিকাফে অর্জন এবং নবীর (সাঃ) নির্দেশ

খোশ আমদেদ মাহে রমজান

মাওলানা এম. এ. করিম ইবনে মছব্বির | ১৫ মে ২০২০, শুক্রবার, ১০:৫২

হযরত আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণিত- আমরা নবী করিম (সাঃ)Ñএর সাথে রমজানের মধ্যবর্তী দশক ইতিকাফ করেছি। যখন ২০ রমজানের সকাল হল তখন আমরা আমাদের বিছানাপত্র স্থানান্তর করলাম। অতঃপর নবী করিম (সা.) আমাদের কাছে আসলেন। তিনি বললেন, যে ইতিকাফ করেছিল, সে  যেন তার ইতিকাফে ফিরে যায়। নবী করিম (সাঃ) বলেন, কারণ আমি আজ রাতে লাইলাতুল কদর দেখেছি। আমি দেখেছি পানি ও মাটিতে সেজদা করছি। তখন তিনি তার ইতিকাফে ফিরে যান। তখন আসমান অশান্ত হল।
ফলে আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষিত হল। সে সত্তার কসম যে তাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন।  সেই দিন শেষে আসমান অশান্ত হয়েছিল। তখন মসজিদ ছিল চালাঘর ও মাচার তৈরি। হযরত আবু সাঈদ (রা.) বলেন, আমি তার নাক ও নাকের ডগায় পানি ও মাটির আলামত দেখেছি। (মুসলিম শরীফ- ১১৬৭, বোখারী শরীফ- ১৯৩৫)।
অপর এক বর্ণনায় হজরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) রমজান শরীফের মধ্যবর্তী ১০ দিন ইতিকাফ করতেন। তিনি ২০ তারিখে সন্ধ্যা করে একুশের রাতে নিজ ঘরে ফিরে যেতেন। যে তার সাথে ইতিকাফ করতেন সেও ফিরে যেতেন। তিনি কোনও এক রমজান মাসে যে রাতে সাধারণত ইতিকাফ থেকে ফিরে যেতেন সে রাতে ফিরে না গিয়ে কিয়াম করলেন অতঃপর খুতবা প্রদান করলেন। আল্লাহর যা ইচ্ছা ছিল তাই তিনি নির্দেশ করলেন। অতঃপর বললেন, আমি ইতিকাফ করব শেষ দশকে। যে আমার সাথে ইতিকাফ করেছে সে যেন তার ইতিকাফে বহাল থাকে। আমাকে এ রাতে দেখানো হয়েছিল। অতঃপর তা ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে, তোমরা তা অনুসন্ধান করো  শেষ দশকে। আর তা অনুসন্ধান করো প্রত্যেক বেজোড় রাতে। আমি দেখেছি, পানি ও মাটিতে সিজদা করছি। সে রাতে আসমান গর্জন করে বৃষ্টি বর্ষণ ঝড়ল। একুশের রাতে নবী করিম (সা.) -এর সালাতের জায়গায়  ফোটা  ফোটা বৃষ্টির পানি পড়ল। আমার দু’চোখ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে দেখেছে, আমি তার দিকে দৃষ্টি দিলাম। তিনি সালাত থেকে ফিরলেন তখন তার চেহারা মাটি ও পানিভর্তি ছিল। (বোখারী শরীফ ১৯১৪)। হযরত উমর (রা.) থেকে বর্ণিত- তিনি বললেন, আল্লাহর রাসুল (সাঃ) আমি মানত করেছি এক রাত মসজিদে হারামে ইতিকাফ করব।
নবী করীম (সা.) তাকে বললেন, তুমি তোমার মানত পূর্ণ করো। ( বোখারী, মুসলিম)। ইতিকাফকারী ইতিকাফের জন্য মসজিদের একটা অংশ নিজেদের জন্য নির্দিষ্ট করে নিতে পারবেন। তাতে যেন মুসল্লিদের কোনও সমস্যা না হয়। জায়গাটি নির্ধারণ করা চাই, মসজিদের খালি অংশে বা শেষ প্রান্তে। যেন অন্যদের কষ্ট না হয় এবং নিজ ইতিকাফে নির্জনতা ও একাকীত্ব অর্জন হয়। (শারহন নববী ৮/ ৬৯)।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর