× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার
১ সপ্তাহে অর্ধশতাধিক আক্রান্ত

করোনা উপসর্গ নিয়ে আরেক সাংবাদিকের মৃত্যু

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ২১ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১১:৫৮

গত এক সপ্তাহে আরো ৫২ জন সংবাদকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন বাংলাদেশ খবরের আলোকচিত্রী এম মিজানুর রহমান খান। এ নিয়ে করোনা উপসর্গে মারা গেলেন তিন জন সংবাদকর্মী। করোনা পজিটিভ হয়ে মারা গেছেন আরো এক সংবাদকর্মী। এর আগে গত ১৩ মে পর্যন্ত আক্রান্ত গণমাধ্যকর্মীর সংখ্যা ছিলো এক’শ জনে। যা গত এক সপ্তাহে বেড়ে দাড়িয়ে ১৫২ তে। গত ৩ এপ্রিল  দেশের  প্রথম গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে করোনায় আক্রান্ত হন একটি বেসরকারি টেলিভিশনের এক ক্যামেরাপারসন। এরপর থেকেই করোনায় আক্রান্ত সংবাদকর্মীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
করোনা  মোকাবিলার অংশ হিসেবে সঠিক তথ্য মানুষের সামনে তুলে ধরতে ফ্রন্টলাইনের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করছের তারা। ফলে সঠিক তথ্যের জন্য মাঠ চষে বেড়াতে হচ্ছে। যদিও কিছু গণমাধ্যম বাসায় বসে কাজ করার সুযোগ দিচ্ছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনা মহামারীতে গণমাধ্যমকর্মীদের ঘরে বসে থাকা কোনো সুযোগ নেই। তারপরও যতটা পারা যায় নিজেরা নিজেদের সুরক্ষিত রেখেই কাজ করতে হবে।  গত কয়েকদিনে সারা দেশে আক্রান্ত সংবাদকর্মীর সংখ্যা ১৫১ জনের মতো। মারা গেছেন আরো তিন জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠেছেন ৩৩ জন। আমাদের গণমাধ্যম , আমাদেও অধিকার নামে স্বেচ্ছাসেবী একটি ফেসবুক গ্রুপ এই হিসেব রাখছেন। তাদের হিসেব মতে রাজধানীতে আক্রান্ত হয়েছে ১৩৪ জন সংবাদকর্মী,রাজধানীর বাইরে ১৭ জন।  আক্রান্ত গণমাধ্যমের সংখ্যা ৫৯ টি। এর মধ্যে পত্রিকা ২৮ টি, টেলিভিশন ২০ টি, নিউজ পোর্টাল ৭ টি, বার্তা সংস্থা ১ টি, রেডিও ৩ টি।
 খোঁজ নিয়ে জানা  গেছে, আক্রান্তদের কেউ হাসাপাতালে, কেউ বাড়িতে বসেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন সুস্থ হয়ে কাজেও যোগ দিয়েছেন। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা  রোগী শনাক্ত হয়। এরপর থেকে এই সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আক্রান্ত হচ্ছেন করোনা মোকাবিলায় সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী চিকিৎসক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা। জানা গেছে, করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর একাধিক গণমাধ্যম ‘ হোম অফিস’ বা বাসায় বসে কাজ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কয়েকটি পত্রিকার ছাপা বন্ধ করে শুধু অনলাইন ভার্সন চালু রাখা হয়েছিল। টেলিভিশনগুলোতে সীমিত মাত্রায় ‘ডিউটি রেশনিং’ বা সপ্তাহের অর্ধেক কাজ অর্ধেক ছুটির ঘোষণাও  দেয়া হয়েছিল। তারপরও গণমাধ্যমকর্মীদের আক্রান্তের  হার বেড়েই চলছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর