× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৬ জুন ২০২০, শনিবার

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, ঈদে বাড়ি ফিরছে ওরা

অনলাইন

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি | ২২ মে ২০২০, শুক্রবার, ১২:৪০

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। তবুও থেমে নেই মানুষের ঘরে ফেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক দিয়ে উত্তরাঞ্চলগামী মানুষজন স্বপরিবারে ভ্যানে ও পায়ে হেঁটে তাদের গন্তব্যে যাচ্ছে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে। সড়কের মির্জাপুর, পাকুল্লা, করটিয়া, টাঙ্গাইল বাইপাস, এলেঙ্গা, যোকারচর ও বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পাড়ে মানুষের ভিড় লেগেই আছে। আর পুরো মহাসড়ক জুড়ে মানুষের দীর্ঘ লাইন। যারা পায়ে হেঁটে ও ভ্যানেই রওনা হয়েছেন। বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের চেকপোস্ট থাকায় নানা কৌশলে কয়েক জায়গায় যাত্রা বিরতি দিয়ে ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ও মোটরসাইকেলে বাড়ি যাচ্ছেন ঘর মুখো হাজারো মানুষ। এতে করে কয়েক গুন বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে তাদের।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহা সড়কের মির্জাপুরের চরপাড়া মোড় এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ ও মির্জাপুর থানার যৌথ উদ্যোগে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
সেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যপরিবহন, অসুস্থ ব্যক্তি ও মন্ত্রণালয়ের অনুমতি রয়েছে এমন যানবাহন উত্তরবঙ্গের দিকে যেতে দিচ্ছেন। আর অন্যান্য যাত্রীবাহি যানবাহনগুলো ঢাকার দিকে ঘুরিয়ে দেয়া হচ্ছে। ফলে উত্তরবঙ্গের ঘরমুখো মানুষগুলো পায়ে হেঁটেই তাদের গন্তব্যের দিকে রওনা হয়েছেন। কেউ কেউ ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা যোগে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ভেঙে ভেঙে যাচ্ছেন। সড়কে ঘরমুখো মানুষের পায়ে হেঁটে যাওয়ার লম্বা সারির দৃশ্যও লক্ষ্য করা গেছে।
নাটোর জেলার ধানকাটা শ্রমিক সোহরাব হোসেনের সাথে কথা হয় মহা সড়কের নাটিয়াপাড়া এলাকায়। তিনি বলেন, কালিয়াকৈরে ধান কাটার কাজ করেছি। পরিবারের সাথে ঈদ করতে গাড়ি না পেয়ে পায়ে হেঁটেই বাড়িতে যাচ্ছি। সড়কে ট্রাক-পিকআপ যাতায়াত করলেও সেগুলোতেও আমাদের নিচ্ছে না।’ সিরাজগঞ্জের চাঁন মিয়া নামের আরেক শ্রমিক বলেন, ‘করোনার ঝুঁকি থাকলেও তো বাড়িতে যেতে হবে। কেউ তো আর কোথাও থাকতে দিবে না। যে টাকা উপার্জন করেছি সেই টাকা দিয়ে ছেলে-মেয়ের সাথে একত্রে ঈদ করতেই বাড়িতে যাচ্ছি। সড়কে গণপরিহন নেই। এজন্য পায়ে হেঁটেই বাড়ির দিকে রওনা হয়েছি।’
মির্জাপুরের চরপাড়া মোড় এলাকায় চেকপোস্টে দায়িত্বরত ট্রাফিক ইন্সপেক্ট শওকত হোসেন বলেন, ‘যে সমস্ত ব্যক্তি অসুস্থ ও মন্ত্রণালয়ের অনুমতি রয়েছে মূলত তাদেরকে যেতে দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও যাত্রীবাহি গাড়ি যেদিক থেকে এসেছে সেদিকে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। যে সকল গাড়ির কাগজপত্র নেই সেগুলোর বিরুদ্ধে মামলাও দেয়া হচ্ছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর