× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার

কেন্দুয়ায় নদীর খনন শেষ না হতেই দখলের প্রতিযোগিতা

এক্সক্লুসিভ

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি | ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, ৭:১৬

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় সুতী নদীর খননকাজ শেষ হতে না হতেই ভরাটের প্রতিযোগিতায় নেমেছেন স্থানীয় একটি স্বার্থান্বেষী মহল। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওই মহলটি গ্রামবাসীর বাধা না মানায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন এলাকার সচেতন লোকজন। এলাকাবাসী ও অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের কয়েকটি বিলের পানি নিষ্কাশনের জন্য বাড়লা খালের সাথে সংযুক্ত করে ১ কিলোমিটার সুতী নদী সরকারিভাবে খনন করা হচ্ছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় চলতি ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ওই নদীর খননকাজ হচ্ছে। এদিকে প্রকল্পের কাজ শেষ না হতেই নদীর কয়েকটি স্থানে পুনরায় কৌশলে ভরাটে করে দখল নেয়ার চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন মজলিশপুর গ্রামের সহোদর দুই ভাই আব্দুস সালাম ও আবুল হাশেম গংরা।
সরজমিনে গেলে দেখা যায়, প্রকল্পের টিকাদার এমনিতেই দায়সারা গোছের নদীর খননকাজ করেছেন। যা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। এরই মাঝে খননকাজ শেষ হতে না হতেই নদীর পারের মাটি ভেকু মেশিন দিয়ে খেটে নদীতে পাড় বেঁধে পুনরায় নদী দখলের করে নিয়েছেন হাশেম গংরা।
এনিয়ে স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। মজলিশপুর গ্রামের জহিরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, সুতী নদীটি খনন হওয়ায় ইউনিয়নের কয়েকটি বিলের পানি নিষ্কাশন সহজ হয়। কিন্তু আবুল হাশেম ও তার ভাইয়েরা নদীর পাশে জমি থাকায় খনন করে যাওয়ার সাথে সাথেই তারা ভেকু মিশিন দিয়ে পাড় কেটে নদীতে পার বেঁধে দখল করে নিয়ে যাচ্ছে। শুরুতেই যদি এভাবে দখল করে নেয় তাহলে খনন করে কি লাভ। আর সরকারে উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হবে কিভাবে। আমরা গ্রামবাসী বাধা দিলে তারা আমাদের প্রতি বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি ও খুন জখমের হুমকি দেয়। এব্যাপারের জানতে চাইলে অভিযুক্ত আবুল হাশেম জানান, ভেকু মেশিন দিয়ে নদী খননের সময় পাড়ের মাটি আমার জমিতে পড়ে। এই মাটি পাড়ে তুলতে গিয়ে কিছু মাটি নদীতে পড়ে যেতে পারে বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির চৌধুরী জানান, বহুদিন দৌড়ঝাঁপ করে নদীটি খনন কাজ করা হয়েছে। আর এরেই মাঝে ভরাট করা হয়ে থাকলে এটা হবে খুব দুঃখজনক। এলাকাবাসী বিষয়টি আমাকে ফোনে জানিয়েছে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-ইমরান রুহুল ইসলাম জানান, বিষয়টি শুনেছি আর অভিযোগটি আমি এখনো দেখিনি। দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর