× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১১ জুলাই ২০২০, শনিবার

মানবজমিনে সংবাদ প্রকাশের পর ৫৩৯৭৯ টাকার বিদ্যুৎ বিল হয়ে গেল ১৯৬৬ টাকা

অনলাইন

বরগুনা প্রতিনিধি | ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, ৭:৩১

পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের লাগামহীন ভুতুরে বিল শিরোনামে দৈনিক মানবজমিন অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পর তড়িঘড়ি করে ৫৩৯৭৯ টাকার বিদ্যুৎ বিল হয়ে গেল ১৯৬৬ টাকা।

জানা যায়, বরগুনার বামনা উপজেলার ঔষধ ব্যবসায়ী মো. মোস্তফা কামালের বাসায় ব্যবহৃত ৭৩৬৫৬৭ নং মিটারে পূর্ববতী রিডিং ছিল (১৩.০৪.২০২০) ২৫৭৮০, বর্তমান রিডিং (২৫.০৫.২০২০) ৩০২০০ এবং ব্যবহৃত ইউনিট দেখানো হয়েছে ৪৪২০। বিলম্ব মাশুলসহ বিদ্যুৎ বিল করা হয় ৫৩৯৭৯ টাকা। বাস্তবিক পক্ষে ০১.০৬.২০২০ তারিখে তার মিটারে রিডিং রয়েছে ২৫৯৭৮, পূর্ববতী রিডিং ছিল ২৫৭৮০। সে অনুযায়ী ১৯৮ ইউনিট ব্যবহার করা হয়েছে। অথচ মিটারে উল্লেখিত রিডিং এর চেয়ে ৪২২২ ইউনিটের বাড়তি বিল করা হয়।
এ ঘটনায় দৈনিক মানবজমিন এ প্রমানসহ বিস্তারিত উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নজরে আসে। সংবাদ প্রকাশের চার ঘন্টা পর পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের লোক গ্রাহকের বাসায় এসে মে মাসের বিদ্যুৎ বিল জমা দেয়ার জন্য ১৯৬৬ টাকার নতুন বিল তৈরী করে দিয়ে যান।
বিষয়টির জন্য পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের জেনারেল ম্যানেজার মো. মফিজুর রহমান দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, যে কোন প্রয়োজনে আমার সহযোগিতার সবসময় আপনারা পাবেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী  মো. মোস্তফা কামাল বলেন, সংবাদ প্রকাশের কারণে বিষয়টি এত দ্রুত সমাধান হবে ভাবতেও পারিনি, মানবজমিন পরিবার কে ধন্যবাদ।
তাদের জন্য আমাকে ভুতুরে বিল পরিশোধ করতে হয়নি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Ahsanullah
২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, ৮:০২

ধনঁনবাদ

আবুল কাসেম
২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, ৮:৩১

গণমাধ্যম সবসময় গণমানুষের কথা বলে। অসহায় মানুষের পাশে আশার প্রদীপ জ্বেলে বিভিন্ন সময় হাজির হয় গণমাধ্যম। প্রিন্ট মিডিয়ার অনিবার্য ভূমিকার প্রত্যক্ষ উপকার ভোগীর সংখ্যা হাতে গোনা দু'চার জন নয়। হিসেব করলে এমন উপকার পাওয়া বহু লোকের খোঁজ পাওয়া যাবে। যাঁরা বিভিন্ন কারনে বা কারো ভুলের কারনে হয়রানির বা জুলুমের শিকার হয়েছেন। গণমাধ্যম এসব অসহায় মানুষের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে বা হয়রানি থেকে মুক্তির পরিত্রাণের পথ খুঁজে বের করেছে। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় হচ্ছে, বিভিন্ন সময় দেখা যায় গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা হয়রানির শিকার হন। সে যাহোক, মানবজমিনে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে অনেকের মতো আমিও উপকৃত হয়েছি। তাই মানবজমিনকে ধন্যবাদ দিয়ে খাটো করতে চাইনা। শুধু অন্তরের অন্তস্থল থেকে দোয়া করছি, মানবজমিন ও এর সাথে জড়িত সবাইকে আল্লাহ তায়ালা হেফাজত এবং দীর্ঘজীবী করুন।

অন্যান্য খবর