× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার

হাসপাতাল নয়, যেন নরক

অনলাইন

নিজস্ব প্রতিনিধি | ৩ জুন ২০২০, বুধবার, ১২:৪৯

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল যেন নরকে পরিণত হয়েছে। অক্সিজেন সমস্যা এতোটাই প্রকট যে তা দেখে চিকিৎসকরা রীতিমতো ভয় পাচ্ছেন। যে কোন মুহুর্তে অনভিপ্রেত কিছু ঘটে যেতে পারে। একজন চিকিৎসকের ভাষায় ‘মরুভূমিতে আপনার এক বুক পিপাসা, আর আপনাকে বলা হচ্ছে আপনি থুথু গিলে পিপাসা নিবারণ করেন। অন্য একজন চিকিৎসক বলছেন, ‘পুকুর থেকে মাছ তোলার পর মাছ যেরকম করে সেরকম অবস্থা হচ্ছে রোগীদের। ধরা যাক ২৫ জন রোগীর জন্য নির্ধারিত একটা জায়গা। এর মধ্যে ১৮/২০ টা বেডে অক্সিজেনের পোর্ট রয়েছে। একটা পোর্ট একজন মাত্র রোগীর অক্সিজেন যোগান দিতে পারে।
সেখানে একশ জনেরও বেশি রোগী রয়েছে। বেশিরভাগ রোগীরই অক্সিজেন দরকার। তাও মিনিটে ১৫ লিটার করে। এর মধ্যে যারা ১৮টি পোর্টের কাছাকাছি বেডে ফ্লোরিং করছেন তারা একটা পোর্ট থেকে চার পাঁচজন করে অক্সিজেন নিচ্ছেন। বাকি রোগীগুলো ছটফফট করছে। যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। ফ্লোরেও হাঁটার মতো জায়গা নেই। রোগীরা রীতিমতো গড়াগড়ি খাচ্ছে। এক বেড থেকে অন্য বেডে কোন দুরত্ব নেই।’
সার্বিক অবস্থা বর্ণনা করে একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘নরক যন্ত্রণা কেমন হয় আগাম তা দেখতে হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে দেখে যান।
ওদিকে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে এতোদিন এগিয়ে ছিল ঢাকা। কিন্তু এই প্রথম ঢাকাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেল চট্টগ্রাম। শুধু ঢাকা নয়, মৃত্যুর হিসাবে চট্টগ্রাম বিভাগ মঙ্গলবার ছিল শীর্ষে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ স্বাস্থ্য বুলেটিনে দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হওয়া ৩৭ জন করোনা রোগীর ১৫ জনই চট্টগ্রাম বিভাগের। অন্যদিকে ঢাকা বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের, সিলেট বিভাগে চারজনের, বরিশাল বিভাগে তিনজনের, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে দুজন করে এবং ময়মনসিংহ বিভাগে মারা গেছেন একজন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Khokon
৩ জুন ২০২০, বুধবার, ৬:৪২

People are holding a lot of black money like Somrat, Khaled, Popi etc. Is good to look for that black money from black persons and buy oxygen for poor people.

এ কে এম মহীউদ্দীন
৩ জুন ২০২০, বুধবার, ৫:৫৭

কতবার যে শুনলাম আমরা প্রস্তুত। তারপরও কেন এমন প্রতিবেদন?

anayet
৩ জুন ২০২০, বুধবার, ৪:২২

কেন এসমস্যা থাকবে ? দেশের এমপি মন্ত্রীদের কথা শুনলে মনে হয় ইউরোপ হয়ে গেছি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় দেশের ভিন্ন চিত্র ।

মোহাম্মদ আলাউদ্দিন
৩ জুন ২০২০, বুধবার, ৩:৫৫

বাংলাদেশের সব বড ব্যাবসায়িরা এই মূহুর্তে দেশের সেবায় এগিয়ে আসা উছিত,কার উছিলায় যদি একটি জীবনও বাঁচতেপার, ওটা তার জন্য,আল্লাহ নিকট বড পাওনা,হবে।

অন্যান্য খবর