× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার

করোনা সংক্রমণ রোধে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ নির্দেশনা

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ৩ জুন ২০২০, বুধবার, ৬:৫৩
ফাইল ছবি

জীবন-জীবিকার প্রশ্নে সাধারণ ছুটি তুলে দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবধরনের কার্যক্রম চালানোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে জনগণ, দলীয় নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের ৫টি নির্দেশনা প্রতিপালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

আজ বুধবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এই নির্দেশনার কথা জানান।

রাজধানীতে সংসদ ভবন এলাকায় নিজের সরকারি বাসভবন থেকে মেট্রোরেল প্রকল্পের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি এসব জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন জনগণের স্বাস্থ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের ৫টি নির্দেশনা প্রতিপালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

নির্দেশনাগুলো হলো-

১. অফিস আদালত, দোকানপাট, ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্র স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সংক্রমণ রোধের কার্যপদ্ধতি অনুসরণ।

২. গণপরিবহনে চলাচলের সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা।

৩. জনসম্মুখে সব সময় মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মেনে চলা।

৪. দলীয় নেতাকর্মীরা নিজেরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন এবং তা প্রতিপালনে জনগণকে সচেতন করবেন।

৫. স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। জনপ্রতিনিধিরা অঞ্চলভিত্তিক তদারকির মাধ্যমে সংক্রমণ রোধের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণেও ভূমিকা রাখবেন। আপদকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে অসহায় দুস্থ মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।

স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে উদাসীনতা সংক্রমণের মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা প্রতিরোধে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। শেখ হাসিনার সরকারের পদক্ষেপ দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হচ্ছে। সরকার সাধারণ ছুটি তুলে নেয়ার সময় এবং আগে-পরে স্বাস্থ্যববিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

তিনি বলেন, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য কিছু কিছু মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানতে শৈথিল্য প্রদর্শন করছে, যা সংক্রমণের মাত্রাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। এ অবহেলা নিজের জন্য শুধু নয়, পরিবার, সমাজ তথা অন্য দের জন্যও ভয়ানক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আবুল কাসেম
৩ জুন ২০২০, বুধবার, ১০:২৩

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পাঁচটি দিকনির্দেশনা সময়ের বাস্তবতায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশ জাতি মানুষ আমি আপনি সকলের নিরাপত্তার জন্য নির্দেশনাগুলো যথাযথ ভাবে মেনে চলা আবশ্যক।

আবুল কাসেম
৩ জুন ২০২০, বুধবার, ৯:৫৯

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পাঁচটি দিকনির্দেশনা সময়ের বাস্তবতায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অত্যন্ত কঠোর হস্তে এগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। গণপরিবহনে বেশি নজর দিতে হবে। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা বেশি লাভের জন্য গাদা গাদি করে যাত্রী বহন করতে পারে। এই দিকটা মনিটরিং করা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দেখতে পাচ্ছি কোনো কোনো জনপ্রতিনিধি দিন রাত মানুষের জন্য কাজ করতে করতে কাহিল। অন্যদিকে কেউ কেউ সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেননা। উল্টো ত্রাণ আত্মসাৎ করছেন। অথচ জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ সদা সর্বদা জাগ্রত থাকা চাই। বিপদের সময় বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে না থাকলে তারা অবশ্যই জীবদ্দশায় নাহোক মৃত্যুর পর আল্লাহর আদালতে দায়ী হবেন। তবে দেখা যাচ্ছে, ধরা পড়লে দুনিয়াতেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পাঁচটি দিকনির্দেশনা অকুণ্ঠচিত্তে মেনে চলা একান্ত অপরিহার্য। তাহলে দেশ, জাতি, মানুষ, আমি, আপনি সবাই ভালো থাকবেন ইনশাআল্লাহ।

অন্যান্য খবর