× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার

করোনায় কমেছে অপরাধ ও মামলা

এক্সক্লুসিভ

আল-আমিন | ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, ৭:৪৩

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে ঢাকার বিভিন্ন থানা এলাকায় অপরাধ ও মামলার সংখ্যা কমেছে। কমেছে চুরির মামলাও। মাদকবিরোধী অভিযান গত মাসের চেয়ে কমেছে। কমেছে প্রতারণা বা নারী নির্যাতনের মামলাও। ২০২০ সালের প্রথম তিন মাসে রাজধানীর ৫০টি থানায় মাসে গড়ে মামলা হয়েছে ২ হাজার ২০০টি। এপ্রিল মাসে মামলা রেকর্ড হয়েছে ৩৪৯টি।
ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) ওয়ালিদ হোসেন জানান, করোনার কারণে অপরাধ প্রবণতা কিছুটা কমেছে। তবে মাঠে দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ।
সূত্র জানায়, ২০১৯ সালে রাজধানীতে ২০৮টি খুনের ঘটনা ঘটে। সেই হিসেবে মাসে গড়ে ১৭টির বেশি খুনের ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাস জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ২১, ১৬ ও ১৬টি করে ডাকাতি ও দস্যুতার ঘটনা ঘটে। এপ্রিলে এই সংখ্যা কমে এসেছে ৬টিতে। ২০১৯ সালে ধর্ষণ, এসিড নিক্ষেপ, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে ২ হাজার ৪০৮টি। সেই হিসেবে মাসে গড়ে দুই শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। ২০২০ সালের প্রথম তিন মাসে যথাক্রমে ১৭২, ১৯৪ ও ১৮৭টি ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এপ্রিল মাসে এই সংখ্যা কমে এসেছে ৪৯-এ। চলতি বছরে রাজধানীতে এখনো কোনো এসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেনি। ২০১৯ সালে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ৯৮টি। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে এই সংখ্যা ১২টি। এপ্রিল মাসে অপহরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। সূত্র জানায়, ২০১৯ সালে চুরিসহ মোট ২ হাজার ২১১টি মামলা রেকর্ড হয়েছিল। ওই হিসেবে মাসে গড়ে ১৮৪টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ২০৩টি, ফেব্রুয়ারিতে ১৮৭টি, মার্চে ১৫৯টি চুরির মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। সূত্র জানায়, গত বছর অস্ত্র, বিস্ফোরক, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান উদ্ধারের ঘটনায় মোট ১৭ হাজার ১৬৬টি মামলা হয়েছিল। সেই হিসেবে মাসে গড়ে প্রায় দেড় হাজার মামলা হয়। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসের জানুয়ারিতে ১ হাজার ৩৪৭টি, ফেব্রুয়ারিতে ১ হাজার ২৩০টি, মার্চে ১ হাজার ১৫২টি মামলা হয়েছে। তবে এপ্রিল মাসে এই সংখ্যা কমে এসেছে প্রায় দশ ভাগের এক ভাগে। এপ্রিলে মোট ১২৩টি উদ্ধারজনিত মামলা হয়েছে। সূত্র জানায়, অপরাধ প্রবণতার পাশাপাশি মামলার সংখ্যাও কমেছে। একইসঙ্গে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের দাগি আসামি ছাড়া ছোটখাটো আসামিদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। কারাগারগুলোতে করোনার কারণে নতুন আসামি ব্যবস্থাপনায় সমস্যা হতে পারে বলে গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে কম।
সূত্র জানায়, সাধারণত ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়া বড় বড় মাদকের চালান ছাড়া ছোটখাটো মাদকবিরোধী অভিযানগুলো বর্তমানে বন্ধ। ছোটখাটো ক্রিমিনালদের গ্রেপ্তারের জন্যও গোয়েন্দা টিমগুলোকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। থানায় সেবাগ্রহীতার সংখ্যাও কম। সূত্র জানায়,  করোনার কারণে অপরাধ কমে যাওয়ায় থানায় সেবাগ্রহীতার সংখ্যাও কমে এসেছে। এরপরও যারা আসছেন তাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেবা দেয়া হচ্ছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর