× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার
করোনা ‘জট’ কাটাতে নান্নু-বাশারের পরিকল্পনা

টাইগারদের জন্য ৬ সপ্তাহের ক্যাম্প

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, ৮:০১

প্রায় ৩ মাস ক্রিকেটের বাইরে টাইগাররা। করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি আরো অবনতি হওয়ায় মাঠে ফেরা এখনো অনিশ্চিত। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ক্রিকেটারদের জন্য নানা পরিকল্পনা হাতে নিলেও আপাতত বাস্তবতায় সেগুলো কাগজে কলমেই থাকছে। বাসায় ফিটনেস ঠিক রাখার  পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ক্রিকেটাররাও সেই চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কিন্তু এতে কি ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া সম্ভব? না, এক বাক্যেই জানিয়েছেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। একই সুরে কথা বলেছেন আরেক নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমনও। অবশ্য তার চিন্তা বেশি তরুণদের নিয়ে।  সেই সঙ্গে দু’জনই জানিয়েছেন এই করোনা ‘জট’ কাটাতে তাদের পরিকল্পনার কথা।
দৈনিক মানবজমিনকে প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘এখনো তো জানি না মাঠে কবে ক্রিকেট ফিরবে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। তবে মাঠে ফিরলে ৬ সপ্তাহের ক্যাম্প করা অত্যন্ত প্রয়োজন বলেই আমি মনে করি। সেটি হলে আমার বিশ্বাস এই দীর্ঘ বিরতির যে শারীরিক, মাসসিক ও কৌশলগত ঘাটতি তা প্রথমিক ভাবে পুষিয়ে নেয়া সম্ভব। এতে তিন ফরম্যাটের জন্যই একটি দল প্রস্তুত করা যাবে।’
প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর পরিকল্পনায় তিন সপ্তাহের ক্যাস্পে থাকবে ফিটনেস ও স্কিল  ট্রেনিং। তিনি বলেন, ‘শুরুতে ৩ সপ্তাহ চলবে ফিটনেস ট্রেনিং।  সেটি শেষ করে দুই সপ্তাহ থাকবে স্কিল টেনিং। আর  বাকি এক সপ্তাহ সব কিছু এক সঙ্গে করা হবে। এতে করে এত দিন তারা বাসায় যাই করেছে সে ধারাবাহিকতা পুরো দমে ধরে রাখা সম্ভব হবে।’ তবে এই ক্যাম্প শুধু জাতীয় দলই নয় ধাপে ধাপে সবার জন্য আয়োজন করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক। তিনি বলেন, ‘আমরা জাতীয় দল, ‘এ’, এইচপি, অনূর্ধ্ব-১৯ সবার জন্যই এই ক্যাম্প আয়োজন করার চিন্তা করেছি। তবে এক বারে তো সম্ভব হবে না। পরিস্থিতি ও গুরুত্ব বিবেচনায় যে দলের আগে প্রয়োজন হবে সেভাবেই করা হবে।’
তবে এখনো কারা থাকবে বা কতজনকে ক্যাম্পে ডাকা হবে তা ঠিক হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক। মিনহাজুল আবেদিন বলেন, ‘আমরা এখনো কতজনকে ডাকবো বা কাদের ডাকবো তা ঠিক করিনি। এর কারণ আমরা মেডিকেল বিভাগ থেকে একটা পরিকল্পনা পাবো। চিকিৎসক ও ফিজিওরা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে একটা পরিকল্পনা দিবে। যে কিভাবে কতজন নিয়ে আমরা ট্রেনিং সেশন শুরু করতে পারবো। সেই হিসেবে আমরা দলগুলোকে ডাকবো। এটি এখনই করা সম্ভব নয়।’

‘চিন্তা বেশি তরুণদের নিয়ে’

অন্যদিকে আরেক নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন জানালেন অভিজ্ঞদের তুলনায় বেশি চিন্তা নতুন আর  তরুণদের নিয়ে। তিনি বলেন, ‘আসলে অভিজ্ঞ যারা আছে তারা মাঠে ফিরলে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারবে। কিন্তু আমার চিন্তা বেশি নতুন আর তরুণদের নিয়ে। ক্রিকেটাররা বাসায় যতই ফিটনেস নিয়ে কাজ করুক। যতই জিম করুক মাঠের বিষয়টাই ভিন্ন। মাঠে যে কাজ করবে সেটির সঙ্গে অন্য কোন কিছুর তুলনা চলে না। আর এই করোনা জটে যা ক্ষতি হয়েছে তা পোষাতে ক্যাম্পের কোনো বিকল্প নেই। তরুণদের জন্য ক্যাম্পটা একটু বড় করেই করা যেতে পারে। কারণ, তাদের ঘাটতিগুলো পূরণ করতে না পারলে আমাদেরই সমস্যা হবে।’
প্রশ্ন হচ্ছে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। তাই জটিলতা হলো এত ক্রিকেটারকে নিয়ে ক্যাম্প করা। এ বিষয়ে বাশার বলেন, ‘হ্যাঁ, এটি সত্যি যে মাঠে ক্রিকেট ফিরলেও আমাদের অনেক নিয়ম মেনে চলতে হবে। আবার ক্রিকেটারদেরও দীর্ঘ বিরতি থেকে বের করে এনে দ্রুত ফিট করতে হবে। আমার মনে হয় ট্রেনিং ক্যাম্প ধাপে ধাপে হলেও শুরু করা দরকার। দেখা যাবে এক সঙ্গে শুরু করতে গেলে ক্রিকেটার-স্টাফ মিলিয়ে প্রায় ১০০’র বেশি মানুষ হয়ে যাবে। এতে ঝুঁকি থাকবে। তাই এত লোক নিয়ন্ত্রণ করার একটা পরিকল্পনা থাকতে হবে। তবে আমার মনে হয় যতটা সম্ভব আলাদা আলাদাভাবে হলেও বেশি ক্রিকেটার নিয়ে শুরু করা দরকার।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর