× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার

করোনা প্রতিরোধে বিশ্বের সব দেশকে একসঙ্গে লড়াইয়ের ওপর জোর প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন

কূটনৈতিক রিপোর্টার | ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৯:৫৫
ফাইল ছবি

বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ ছড়ানো মহামারি করোনা প্রতিরোধে বিশ্বের সব দেশ তথা গোটা দুনিয়ার একসঙ্গে লড়াইয়ের ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, করোনা সবাইকে দেখিয়েছে সংক্রামক ব্যাধি কোনো সীমান্ত চেনে না। দুর্বল, ক্ষমতাধর কিংবা উন্নত, উন্নয়নশীল কাউকে আলাদা বিবেচনা করে না।

বৃহস্পতিবার বৃটিশ সরকার এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনের (গ্যাভি) যৌথ আয়োজনে লন্ডনে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল ভ্যাকসিন ভার্চুয়াল সামিটে দেয়া বক্তব্যে বাংলাদেশের সরকার প্রধান এসব কথা বলেন। ভ্যাকসিনের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মকে সুরক্ষিত করতে কমপক্ষে ৭.৪ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহে শীর্ষ সম্মেলনটির আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি কোভিড-১৯ এর মতো সংক্রামক রোধে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনকে (গ্যাভি) সর্বাত্মক সহযোগিতা দেয়ার আহ্বান জানান। বলেন, করোনা প্রমাণ করেছে যেকোনো বৈশ্বিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা কতটা অসহায়। এটি আমাদের আরো স্মরণ করিয়ে দেয় পুরনো প্রবাদ, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধেই উত্তম। সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিন প্রমাণিত।


তিনি বলেন, মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য বর্তমান এবং ভবিষ্যতে ভ্যাকসিন অপরিহার্য। আর এ কাজে ‘গ্যাভি’ আমাদের সবচেয়ে ভালো সহায়তা দিতে পারে। ‘গ্যাভি’র প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০০ সাল থেকে গ্যাভি ৭৬০ মিলিয়ন মানুষকে প্রাণঘাতী রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করছে এবং সারাবিশ্বে ১৩ মিলিয়নের বেশি প্রাণ বাঁচিয়েছে। সবার সহযোগিতায় তারা এটি অব্যাহত রাখতে পারবে।

গ্যাভিকে সহযোগিতা করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, শুধু আমি নই, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনকে (গ্যাভি) সহায়তার কথা শুনতে গোটা বিশ্ব অপেক্ষা করছে। সার্বজনীন স্বাস্থ্য কাভারেজ ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গ্যাভিকে পরীক্ষিত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে সরকার প্রধান গ্যাভির পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় বাংলাদেশকে যেসব সহযোগিতা দেয়া হয়েছে তা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

প্রায় ৩ ঘণ্টা স্থায়ী ওই সামিট শুরুর ৪৫ মিনিটের মাথায় প্রধানমন্ত্রীর রেকড করা বক্তব্য প্রচার করা হয়। এতে স্বাগতিক বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, জাতিসংঘ সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্তেনিও গুতেরেস, গ্যাভি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. এনগোজি ওকনজো-আইওয়ালাসহ বিশ্ব নেতাদের সরাসরি এবং রেকর্ড করা বক্তব্য রাখেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
ম নাছিরউদ্দীন শাহ
৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৯:৩৬

বাংলাদেশের আটার কোটি মানুষের বাতিঘর আশা ভরশার শেষ ঠিকানা সাহস উৎসাহ উদ্দীপনা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। যখন দেখি শক্তি সাহস মনোবল বেড়ে যায়। আমাদের বাংলাদেশ ইনশাআল্লাহ করোনার ভয়াবহতা হতে মুক্তি পাবেন।

অন্যান্য খবর