× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার

হবিগঞ্জে নগদ সহায়তায় অনিয়ম, ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, হবিগঞ্জ থেকে | ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১১:৩৯

প্রধানমন্ত্রীর নগদ সহায়তার তালিকা প্রণয়নে অনিয়মের অভিযোগে হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মলাইকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ ইউনিয়ন পরিষদ-১ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
এতে বলা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মলাইয়ের বিরুদ্ধে সরকারি নিয়ম-নীতির ব্যত্যয় ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীর তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ স্থানীয় তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন জেলা প্রশাসক। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, উল্লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে মুড়িয়াউক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মলাইকে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তার পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
উল্ল্যেখ্য, করোনা ভাইরাসের দূর্যোগ কাটাতে হবিগঞ্জেও শুরু হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নগদ অর্থ সহায়তা প্রদানের কাজ। কিন্তু তালিকা চুড়ান্ত হওয়ার আগেই লাখাই উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে ধরা পড়ে মারাত্মক অসঙ্গতি। মুড়িয়াউক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের নিকটাত্মীয় আনোয়ারের মোবাইল (০১৯৪৪৬০৫১৯৩) নাম্বার ব্যবহার হয়েছে ৯৯ জনের নামের বিপরীতে। চেয়ারম্যানের চাচাতো ভাই আক্তার মিয়ার (০১৭৪৪১৪৯২৩৪) নাম্বার দেয়া হয়েছে ৯৭ জনের নামের সাথে।
চাচা শাকিল হকের নাম্বার (০১৭৮৬৩৭৪৩৯১) বসানো হয়েছে ৬৫ জনের পাশে। এছাড়া চেয়ারম্যানের নিকটাত্মীয় নবীর মিয়ার নাম্বার (০১৭৬৬৩৮০২৮৪) দেয়া হয়েছে ৪৫ জনের নামের পাশে। এছাড়া স্বামী-স্ত্রীসহ একই পরিবারের ৬ জনের নাম দেয়া হয় তালিকায়। এসব অনিয়মের বিচার চেয়ে স্থানীয়রা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এসব অসঙ্গতি নজরে আসার পরই জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তালিকা সংশোধন করে উপজেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অনিয়মের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক নুরুল ইসলামকে প্রধান করে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। পরে তদন্ত শেষে তিনি ঐ চেয়ারম্যানকে অভিযুক্ত করে রিপোর্ট পেশ করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
গোলক ভৌমিক
৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, ৪:৩৩

এরা যাতে পরবর্তী সময়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারে সে মতে আইন করে নিষিদ্ধ করা হোক।

Mohammad Ali Delowar
৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১১:৪৯

যে দিকে তাকাই সেই দিকে আমার লোক, কার বিচার করব।

অন্যান্য খবর