× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৮ জুলাই ২০২০, বুধবার

মাগুরায় ‘ব্যানানা ম্যাংগো’ চাষে সাফল্য

বাংলারজমিন

মাগুরা প্রতিনিধি | ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, ৫:১১

মাগুরায় হর্টি কালচার সেন্টারে ব্যানানা ম্যাংগো চাষে সাফল্য এসেছে ।  নতুন জাতের এই আম দেখতে  অবিকল সাগর  কলার মতো হওয়ায় এর নামকরণ করা হয়েছে ‘ব্যানানা ম্যাংগো’।
মাগুরা হর্টিকালচার সেন্টারে দেশে এই প্রথম অভিনব জাতের আমের আবাদ হয়েছে। এই আম ইতিমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। প্রতিদিনই মানুষ এখানে এ আম দেখতে ও চারা সংগ্রহ করতে আসছেন । হর্টিকালচার সেন্টারের দুইজন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণ জাতের সাথে এ আমের শুধু চেহারার অমিল নয়, অমিল রয়েছে ফলন, স্বাদ, গন্ধ ও গুনাগুনের দিক থেকেও। যে কারনে মাগুরা হর্টিকালচার সেন্টারে চাষ হওয়া নতুন জাতের এ আম নিয়ে মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ তৈরী হয়েছে। আমাদের দেশে প্রচলিত জাতের চেয়ে এ আমে ফলন দ্বিগুনের বেশি। কলার মত দেখতে এ আম পাকলে দেশী পাকা সাগর কলার মত রং ও চেহারা ধারণ করে।
অত্যন্ত মিষ্টি এ আমের বৈশিষ্ট্য এর আটি খুব ছোট ও খোসা পাতলা। যে কারনে পাকা আম প্রায় এক মাসের বেশি ঘরে রাখা যায়। তবে প্রচলিত জাতের আমের চেয়ে ফলন দ্বিগুন হওয়ায় এর বানিজ্যিক গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।
 হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-সহকারী উদ্যানত্ত্ববীদ দেলোয়ার হোসেন জানান, ২০১৪ সালে থাইল্যান্ড থেকে এ আমের ডাল এনে স্থানীয় জাতের আম গাছের সাথে তিনটি (গ্রাফটিং) কলম করে বংশ বিস্তার করা হয়। কলম থেকে লাগানো তিনটি গাছের প্রতিটিতেই প্রথম বছর গড়ে শতাধিক করে আম ধরে। পরের বছর আরো বেশি আম ধরে। এ বছর তিনটি গাছেই জড়িয়ে আম ধরেছে।
মাগুরা হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববীদ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যানানা ম্যাংগো মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। প্রতিদিন এ আম দেখতে ও চারা সংগ্রহ করতে অসংখ্য মানুষ তাদের সেন্টারে আসছেন। এ বছর বেশ কিছু চারা তৈরী করেছেন। আগ্রহীদের মধ্যে চারা সংগ্রহ করতে পারবেন বলে  তিনি বলে জানান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর