× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার

চট্টগ্রামে নিখোঁজ ৮৫ করোনা রোগী

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ৬ জুন ২০২০, শনিবার, ৭:৩০

চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৮৫ জন রোগী নিখোঁজ রয়েছেন।যাদের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ আসে। ধারণা করা হচ্ছে, এদর থেকে নিরবে করোনা ভাইরাস ছড়াচ্ছে পুরো চট্টগ্রাাম জুড়ে। তাদের খোঁজে না পেয়ে হতাশ চট্টগ্রামের পুলিশ প্রশাসনও। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশেষ শাখার উপ কমিশনার আব্দুল ওয়ারিশ খান। তিনি জানান, চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত ৩৬৬৯ জন করোনা আক্রান্ত (কোভিড-১৯) রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৮৯ জন মারা গেছেন। বাকিরা কোন না কোনোভাবে চিকিৎসাধীন থাকলেও ৮৫ জন করোনা রোগীর কোন হদিস মিলছে না। তিনি বলেন, করোনা পজিটিভ এসব রোগী নমুনা দেওয়ার সময় হয় ভুল ঠিকানা ও ভুল ফোন নম্বর দিয়েছে।
আবার এন্ট্রি করার সময় নমুনা সংগ্রহ কেন্দ্রেও এদের ফোন নম্বর ভুল বা ডিজিট কম লেখা হয়েছে। সেরকম যদি হয়ে থাকে তাহলে এই লোকগুলো জানতেই পারলো না তারা করোনা আক্রান্ত। সেক্ষেত্রে নিজের অজান্তেই তারা ভাইরাস ছড়িয়েছে। হয়তোবা কেউ কেউ মৃত্যুবরণও করেছে। আব্দুল ওয়ারিশ খান বলেন, অনেকগুলো নম্বরেই অসমপূর্ণ ঠিকানা থাকে। যেগুলো আমরা লিস্টে দেওয়া নম্বর ট্র্যাক করে বের করি। কিন্তু এই নম্বরগুলো ট্র্যাক করাও সম্ভব হয়নি। কারণ হয় নম্বরগুলো বন্ধ, না হলে ১১ ডিজিটের জায়গায় ১০ ডিজিট দেওয়া। ফলে এগুলো ট্র্যাক করে ঠিকানা বের করা যায়নি। ফলে তাদের আইসোলেশনে নেওয়ার কোন পদক্ষেপও নিতে পারিনি।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মোস্তফা খালেদ আহমদ বলেন, নগরীর বিভিন্ন ল্যাবে পরীক্ষা করা ৮৫ জনের নমুনা পড়ে আছে। এরা সবাই করোনা পজেটিভ। কিন্তু এদের সঠিক কোন ঠিকানা বা ফোন নম্বর না থাকায় পরীক্ষার ফলাফল সম্পর্কে তাদের জানানো সম্ভব হয়নি। এমনকি তাদের চিকিৎসার কোন ব্যবস্থাও নেওয়া সম্ভব হয়নি। আর এদের কারণেও ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস।  
তবে তাদের অনুসন্ধানে পুলিশের বিশেষ শাখায় তালিকা পাঠানো হয়েছে। নগর পুলিশের বিশেষ শাখা এই ৮৫ জন রোগীকে হণ্যে হয়ে খুঁজলেও অসমপূর্ণ ঠিকানা, ভুল নম্বর দেওয়া, লিস্টে দেওয়া নম্বরের ডিজিট কম থাকা সহ নানা কারণে তাদের কোনো হদিস বের পায়নি। এদের সাথে আর যোগাযোগ স্থাপনের কোন সম্ভাবনাও দেখছেন না তারা। ফলে তাদের নিয়ে আমরা শঙ্কিত।  তিনি স্বীকার করে বলেন, রোগী নমুনা দেওয়ার সময় তথ্য প্রদানের ফরমে ভুল করতে পারেন। আবার সেই ফরমে তিনি ঠিক লিখলেও সেখান থেকে ইনপুট দেওয়ার সময় দায়িত্বরত ব্যক্তিও ভুল করতে পারেন। এ দুই ক্ষেত্রে সতর্কতা না বাড়ালে এই সংখ্যাটা আরও বাড়বে। সুতরাং এই মুহূর্তে সচেতনতা ও প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর