× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৭ জুলাই ২০২০, মঙ্গলবার

বদরগঞ্জ সরকারি খাদ্য গুদামে ১৫ দিন ধরে ধান ক্রয় বন্ধ

বাংলারজমিন

বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি | ৬ জুন ২০২০, শনিবার, ৭:৩০

রংপুরের বদরগঞ্জে সরকারি খাদ্যগুদামে ১৫ দিন ধরে ধান ক্রয় অভিযান বন্ধ রয়েছে। এ কারণে কৃষকরা গুদামে ধান দিতে পারছেন না। ফলে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।
বদরগঞ্জ খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘গত ২০শে মে ধান ক্রয়ের উদ্বোধন করা হয়েছে। ওইদিনেই একজন ইউপি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে এক টন ধান ক্রয় করা হয়েছে। তখন থেকে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে আর ধান ক্রয় করা সম্ভব হয়নি।’
খাদ্য গুদাম কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় ২৬ টাকা কেজি দরে তিন হাজার ৬৬ টন ধান ক্রয় করা হবে। ক্রয় অভিযান চলবে আগামী ৩১শে আগস্ট পর্যন্ত। উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় ১৬ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ধানের ফলন বাম্পার হয়েছে। গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে পুরোদমে ধান কাটা মাড়াই চলছে। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ উপজেলায় ৫০ ভাগ জমির ধান কাটা মাড়াই হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা মো. জোবাইদুর রহমান বলেন, ‘আমরা কৃষকের তালিকা এক মাস আগেই খাদ্য অফিসে পাঠিয়েছি। অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার বাজারে ধানের দাম মোটামুটি ভালো। শুরু থেকে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান ক্রয় অভিযান অব্যাহত থাকলে কৃষকেরা আরো বেশি লাভবান হতেন বলে তিনি জানান।
বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বুজরুক হাজীপুর এলাকার কৃষক আবদুল খালেক বলেন, ‘হামরা ঋণ করে ধান চাষ করেছি। গত সপ্তাহে ধান কাটা মাড়াই করেছি। খাদ্যগুদাম ধান না নেয়ায় ১৯ টাকা কেজি দরে বাজারে ধান বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করেছি। তার প্রশ্ন, কৃষকের ধান শেষ হলে কি সরকারি গুদামে ধান ক্রয় শুরু হবে?।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ছায়েদুল ইসলাম বলেন, ‘একজন কৃষকের ধান নিয়ে শুধুমাত্র উদ্বোধন করা হয়েছে। এখানে ধান বরাদ্দের চেয়ে কৃষকের সংখ্যা অনেক বেশি। তাই লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করে ধান ক্রয় করা হবে। কিন্তু এ উপজেলায় ইউএনও নতুন এসেছেন। তিনি সময় দিতে না পারায় কৃষকের লটারি হচ্ছে না। এ কারণে ১৫ দিন ধরে ধান ক্রয় অভিযান আপাতত বন্ধ রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান বলেন, আমি গত ২৮শে মে এ উপজেলায় যোগদান করেছি। লটারির জন্য খাদ্য নিয়ন্ত্রক দু’দিন আমার কাছে এসেছিলেন লটারির দিন উপস্থিত থাকার কথা বলতে। কিন্তু আমার সময় হয়নি। তাকে আগামী রোববার লটারি করতে বলেছি।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর