× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৫ আগস্ট ২০২০, শনিবার

পাপুল সহযোগীদের প্রশ্নে উত্তপ্ত কুয়েতের পার্লামেন্ট, উপ-প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি

দেশ বিদেশ

কূটনৈতিক রিপোর্টার | ১৮ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৮:৩৭

সিআইডি’র হাতে আটক বাংলাদেশি এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের অপকর্মের সহযোগীদের নাম প্রকাশ নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কুয়েতের পার্লামেন্ট। উত্তেজনা নিবারণে উপ-প্রধানমন্ত্রীকে মঙ্গলবার বিবৃতি দিতে হয়েছে। পাপুলসহ মানবপাচারে আটক অন্যরা সিআইডি’র জিজ্ঞাসাবাদে ভিসা বাণিজ্যে তাদের সহযোগী কুয়েতি যেসব নাগরিকের নাম বলেছে তা প্রকাশের দাবিতে সংসদে স্বরাষ্ট্র ও কেবিনেট দেখভালের দায়িত্বপাপ্ত উপ-প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি চেয়ে চিঠি পাঠান দেশটির প্রভাবশালী সংসদ সদস্য আবদেল ওহাব আল বাবতেন। জবাবে উপ-প্রধানমন্ত্রী আনাস আল সালেহ সংসদে প্রদত্ত বিবৃতিতে ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ভিসা বাণিজ্যে রাষ্ট্র হিসেবে কুয়েতের নিরাপত্তা বা অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে। এ সংক্রান্ত পূর্ব-নির্ধারিত চূড়ান্ত সতর্কতা বা রেড লাইনেই  যেন দেশটির অবস্থান। অনৈতিক ওই বাণিজ্য নির্মূল তার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার বলেও জানান তিনি। এর আগে এমপি বাবতেন এক টুইট বার্তায় বলেন, যেসব কুয়েতি কর্মকর্তা অর্থ পেয়ে বাংলাদেশি মানবপাচারকারী কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে সহযোগিতা করেছেন তাদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। কারণ তারা ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য আমাদের দেশ, জাতি-ধর্ম- সবকিছুকে ম্লান করেছে।
তাদের শাস্তি পেতেই হবে। পাপুলকে জিজ্ঞাসাবাদে তার কমাণ্ডে কাজ করা যেসব কুয়েতি নাগরিকের নাম সিআইডি পেয়েছে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করতে বাবতেন  দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতি আগেই আহ্বান জানান। পার্লামেন্টে দেয়া মঙ্গলবারের বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব থাকা উপ-প্রধানমন্ত্রী আনাস সালেহ বলেন, তথাকথিত ভিসা ট্রেডারদের নাম প্রসিকিউশনের কাছে আছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য টিম সেই নামগুলো ক্রসচেক করছে। প্রশ্নে জর্জরিত অভিযুক্তরা নানা কারণে বিভিন্ন জনের নাম বলতে পারে। তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। মন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করেন, প্রসিকিউশনে রক্ষিত একটি নামও তারা পরবর্তী বিস্তৃত তদন্তের বাইরে রাখবেন না। কারও নাম   গোপনও করছেন না। তিনি নিশ্চিত করেন, তদন্তে প্রমাণিত সবাইকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। দু’দিন আগে এক টুইট বার্তায় উপ-প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে  গ্রেপ্তার এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদে মানবপাচার, ভিসা বাণিজ্য এবং অর্থপাচারে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ হাজির করতে পারায় সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা তথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের চৌকস কর্মকর্তাদের স্যালুট জানান। সেদিন তিনি বলেন, গত সপ্তাহে মানবপাচারসহ বহু অভিযোগে এশিয়ান ওই অভিবাসীকে নিজেদের কব্জায় নেয়ার মধ্য দিয়ে অন্যতম বৃহৎ এবং চাঞ্চল্যকর একটি মামলার রহস্য উন্মোচনে তারা সফল হয়েছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে এমন সব বিষয় উদ্ভাবন হয়েছে,  যেখানে সন্দেহজনক বিপুল পরিমাণ অর্থনৈতিক  লেনদেনের উপস্থিতি তথা বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ মিলেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর