× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৫ আগস্ট ২০২০, শনিবার
এএফপির রিপোর্ট

প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করায় ১৫ বছরের বালক গ্রেপ্তার, নিন্দা

দেশ বিদেশ

মানবজমিন ডেস্ক | ২৬ জুন ২০২০, শুক্রবার, ৮:৫৯

 সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করার অভিযোগে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে ১৫ বছর বয়সী একটি বালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো বলছে, এই আইনটি ব্যবহার করা হচ্ছে ভিন্ন মতাবলম্বীদের কণ্ঠকে স্তব্ধ করতে। প্রধানমন্ত্রী ও সিনিয়র অন্য রাজনৈতিক নেতাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করাসহ বিভিন্ন অপরাধে ২০১৮ সাল থেকে এই আইনে কয়েকশ’ মানুষকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ খবর দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি আরো লিখেছে, বুধবার ভালুকা পুলিশ বলেছে, ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় এক নেতা অভিযোগ করেছেন ওই বালকটি ‘আমাদের মায়ের মতো নেত্রীর বিষয়ে খারাপ’ কথা বলেছে। তার এই অভিযোগের কারণে সপ্তাহান্তে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে মোহাম্মদ ইমনকে। ফেসবুকে ওই বালক মোবাইল ফোনে নতুন করে ট্যাক্স আরোপ নিয়ে পোস্ট দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘প্রতি ১০০ টাকা রিচার্জ করলে সেখান থেকে ৩৫ হতে ২৫ টাকা কেটে নেয়া হয়।’ এখানেই সে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে অবমাননাকর বক্তব্য উপস্থাপন করেছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় কাউন্সিলর তোফায়েল আহমেদ ওই মামলাটি করেন।
তিনি বলেছেন, ওই বালকের আক্রমণাত্মক কথা স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তার পিতামাতা সমর্থন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে। স্থানীয় পুলিশ প্রধান মিয়া উদ্দিন বলেছেন, পরে ফেসবুক থেকে বিতর্কিত ওই পোস্ট মুছে দিয়েছে ইমন। সে পরে আরেকটি পোস্টে মাফ চেয়েছে। তার ভুল সংশোধনের ও ভুলের বিষয়ে বুঝতে এবং চরিত্র সংশোধন করতে যে সময়ের প্রয়োজন হয় সেই সময় পর্যন্ত তাকে সংশোধনাগারে পাঠিয়ে দেয়া হবে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ভয়াবহতা তুলে ধরেছে এই গ্রেপ্তার। বৈধ ভিন্ন মতাবলম্বীদের জন্য শাস্তির হাতিয়ার এই আইন। এ ছাড়া মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে লঙ্ঘন করে এই আইন। অ্যামনেস্টির ক্যাম্পেইনার সাদ হাম্মাদি বলেছেন, কেউ সরকার বা ক্ষমতাসীন দলের সামান্য সমালোচনা করলেও তাদের ক্রমবর্ধমানহারে টার্গেট করছে কর্তৃপক্ষ। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে করোনা ভাইরাস নিয়ে অনলাইনে মিথ্যা গুজব ছড়ানোর অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে এই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু গত সপ্তাহে ক্ষমতাসীন দলের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যু নিয়ে উপহাস করার অভিযোগে একটি ইউনিভার্সিটির একজন প্রফেসর ও একজন লেকচারারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Shahidur
৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ১০:৫৫

পুলিশের উচিত ছিল ধৈর্য ধারণ করা ৷

Mohammed Muslim Uddi
১ জুলাই ২০২০, বুধবার, ১১:০০

১৫ বছরের বালকটি ( শিশু নয় ) মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে অশালীন বক্তব্য প্রকাশ করতে পারল, তার কোন অভিযোগ,দাবী থাকলে সে সেটা পরিচ্ছন্ন ভাষায় কেন বক্তব্য দিতে পারলনা,জানলনা ? জীবনের শুরুতেই বেআদবী শুরু করতে শিখল,ভদ্রতা শালীনতা কেন শিখলনা ? সে যদি সুন্দর ভাষায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে মোবাইলের অতিরিক্ত চার্জের কথা প্রকাশ করত, হয়ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার কথায় মুগ্দ হয়ে গণভবনে ডেকে নিয়ে তাকে পাশে বসিয়ে তার দাবী মেনে নিতেন। তাতে আমরা দেশবাসী সবাইও উপকৃত হতাম। ১৫ বছরের বাচা বেআদবী করতে জানল, আদবের সাথে কথা বলতে জানলনা কেন ? মনে হয় কোন স্বাধীনতা বিরোধীর পোনা হবে এই পোলা !

রিপন
২৭ জুন ২০২০, শনিবার, ১০:১৯

আশ্চর্য এদের কাণ্ডজ্ঞান। একটি শিশুকে পর্যন্ত বেশরমের মতো গ্রেপ্তার করছে। শরম লাগে না একটুও। মনে করিয়ে দিই, ইমন আন্তর্জাতিক মাপকাঠিতে এখনও শিশুই। অনলাইন শ্রেণী পাঠনার জন্যে অতিরিক্ত ব্যয় সামলানো শিশুটির পক্ষে বাস্তবে কতটুকু সম্ভব সেটি একটিবারও ভেবে দেখলো না এরা? ১৫ বছর বয়েসী ইমন যৌক্তিক কারণেই সংক্ষুব্ধ হতে পারে, তার পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটানোর জন্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে দু' চার কথা বলতেই পারে। বড়জোর দশম শ্রেণির পড়ুয়া সে। এই কাঁচা বয়সেই তার জীবনে মাতৃভূমি সম্বন্ধে এভাবে বিরূপ ধারণা তৈরি করে দিয়ে এরা আগামীর বাংলাদেশকে কতটুকু ক্ষতিগ্রস্থ করে চলেছে - সে বিষয়ে কি এদের ন্যূনতম জ্ঞান আদৌ আছে? এরা সব অশিক্ষিত মূর্খের দল। তিল পরিমাণও দেশপ্রেম এদের নেই।

Qamrul
২৬ জুন ২০২০, শুক্রবার, ৭:১৫

No dissent voice is tolerated

অন্যান্য খবর