× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৫ আগস্ট ২০২০, শনিবার

বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

দেশ বিদেশ

| ২৭ জুন ২০২০, শনিবার, ৭:৫৪

রূপগঞ্জে ১০০৫
স্টাফ রিপোর্টার, রূপগঞ্জ থেকে: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়ালো। আক্রান্তের সংখ্য বর্তমানে ১০০৫ জন। এ পর্যন্ত করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন ১০ জন। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ জন। সুস্থ হয়েছে ২২৬ জন। শনিবার বিকালে এ তথ্য জানিয়েছেন উপজেলা আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফয়সাল আহমেদ। উপজেলা আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফয়সাল আহমেদ জানান, শনিবার বিকালে আসা রিপোর্টে গত ২৫শে জুন গাজী কোভিড-১৯ পিসিআর ল্যাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউএস-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ৮৪ জনের পাঠানো নমুনার মধ্যে ১৮ জনের করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে রূপগঞ্জ উপজেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১০০৫ জন।
মোট ৪৬৪৫ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০০৫ জনের শরীরে কোভিড-১৯ এর ভাইরাস শনাক্ত হয়। এ পর্যন্ত উপজেলায় মৃতের সংখ্যা ১০ জন। বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসোলেশনে রয়েছে ১০ জন। উপজেলায় মোট সুস্থ্য রোগীর সংখ্যা ২২৬ জন। নতুন আক্রান্তদের তাদের আক্রান্তের বিষয়টি মোবাইলের মাধ্যমে জানিয়ে আইসোলেশনে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে কেউ যদি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসোলেশনে থাকতে চায় তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান আবাসিক মেডিকেল অফিসার।  
মৌলভীবাজারে ৪১৪
স্টাফ রিপোর্টার, মৌলভীবাজার থেকে: প্রবাসী অধ্যুষিত মৌলভীবাজার জেলায় প্রতিদিন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছেই। এ পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৪শ’ ছাড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে জেলা ও উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসনের অনেকটা ঢিলেঢালা অবস্থার কারণেই জেলাজুড়ে স্থানীয়রা মানছেন না স্বাস্থ্য বিধি। এদিকে দিন যত গড়াচ্ছে করোনা আক্রান্তের পরিসংখ্যানও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। সেই সঙ্গে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে জেলায় করোনা পরীক্ষার পিসিআর ল্যাব স্থাপনের দাবি। জেলায় গত দুইদিনে নতুন করে করোনা পজিটিভ রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৫০ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১৪ জন। জেলা সিভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান মৌলভীবাজারে ২৬শে জুন আরও ২৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলার ১৮ জন, রাজনগর ১, কুলাউড়ার ২, জুড়ীর ৫ ও  কমলগঞ্জের ২ জন রয়েছেন। এদিকে জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায় ২৫শে জুন বৃহস্পতিবার আসা রিপোর্টে নতুন করে আরো ২২ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে রাজনগর উপজেলার ৩ জন, কুলাউড়ার ৫, জুড়ী উপজেলার ৯ জন, কমলগঞ্জের ৩ ও বড়লেখা উপজেলার ২ জন রয়েছেন।  জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জানা যায় এখনো পর্যন্ত রিপোর্ট আসার অপেক্ষায় রয়েছে ৯শ’। জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪১৪ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৫০ জন। করোনায় মৃত্যুবরণ করেন ৫ জন। করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৯ জনের। হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন ২৮৪৩ জন। হোম কোয়রেন্টিন থেকে ছাড় পেয়েছেন ২৬৬৪ জন।
 ক্ষেতলালে ৬৩
ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, নার্স, শিক্ষা অফিসার, অফিস স্টাফসহ নতুন করে ৯ জন সহ মোট ৫৩ জন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও হিসাব সহকারী ইব্রাহিম জানান, আক্রান্তদের মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আজিজুল, স্বাস্থ্যকর্মী নমুনা সংগ্রহকারী নূর আজম, ইসমাইল হোসেন, রুহুল আমিন, নার্স পারভীন, উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অচিন্ত, অফিস স্টাফ আঃ সোবহানসহ উপজেলার বুড়াইল গ্রামের সাইফুল ইসলাম, কাচাকুল গ্রামের আবু রায়হান।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইউএইচএফপিও ডা. আতাউর রহমান জানান, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উপজেলার মোট ১৩৯০ জন ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ১২৭৭ জন, এর মধ্যে বাকি রয়েছে ১১৩ জন, পজেটিভ এসেছে ৫৩ জন। শনিবার ৯ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে বলে তিনি জানান। উপজেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৩ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩০ জন, চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৩ জন।
খুলনায় ৩৩৮৫
স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে: খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধশত ছাড়িয়েছে। আর আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৩৮৫ জন। এ সময় সুস্থ হয়েছেন ৮৩৫ জন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন করোনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৯৯ জন, বাকিরা হোম আইসোলেশনে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তরের কোভিট-১৯ কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১০ই মার্চ থেকে ২৬শে জুন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন মাসে বিভাগের ১০ জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে খুলনায় ১৯, বাগেরহাটে ৩, যশোরে ৬, ঝিনাইদহে ২, মাগুরায় ২, নড়াইলে ৬, কুষ্টিয়ায় ৬, চুয়াডাঙ্গায় ২ জন এবং মেহেরপুরে ৫ জন মারা গেছেন। করোনা সংক্রান্ত বিভাগীয় প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, বিভাগের দশ জেলায় ২৬শে জুন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৩৮৫ জন। এর মধ্যে খুলনায় ১৪৪৫, বাগেরহাটে ১৬৬, সাতক্ষীরায় ১৫০, যশোরে ৪৭০, ঝিনাইদহে ১৬৫, মাগুরায় ৯৭, নড়াইলে ১৩৪, কুষ্টিয়ায় ৪৯৭, চুয়াডাঙ্গায় ২০৩ জন এবং মেহেরপুরে ৫৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা জানান, খুলনা বিভাগে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে করোনাভাইরাসের প্রকোপও বাড়ছে। এ জন্য তিনি স্বাস্থ্যবিধি না মানাকেই দায়ী করেন। তিনি আরো বলেন, প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ ভাইরাসের প্রকোপ কমাতে তৎপর থাকলেও মানুষের অসচেতনতায় তা পুরোপুরি সম্ভব হচ্ছে না। তারপরও আক্রান্তদের শনাক্ত করা এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এদিকে খুলনায় করোনা পরিস্থিতি মনিটরিংসহ সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালনকারী শীর্ষ কর্মকর্তারাই করোনা পজিটিভ শনাক্ত হচ্ছেন। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মিজানুর রহমান করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের অফিসের আরো ২ জন কর্মকর্তার করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। ডা. রাশেদা সুলতানা জানান, নমুনা পরীক্ষায় শুক্রবার তার করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। এছাড়া তার কার্যালয়ের সহকারী প্রধান কর্মকর্তা জোবায়ের হোসেন ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম জাহাতাব হোসেনেরও করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। তারা সবাই বর্তমানে হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপরদিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সী মো. রেজা সেকান্দার বলেন, নমুনা পরীক্ষার পর শুক্রবার আরএমও মিজানুর রহমান পজিটিভ হিসাবে শনাক্ত হয়েছেন। তার শরীরের অবস্থা ভালো থাকায় সতর্ক অবস্থানে নেয়া হয়েছে। খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারে দায়িত্ব পালনকারী আরো একজন চিকিৎসক শুক্রবার করোনা পজিটিভ হয়েছেন বলে তিনি জানান।
নওগাঁয়  ৩৮৯
নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁয় একদিনে জেলা জজ আদালতের ২ বিচারক সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৪ জন এবং মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও ১ জনসহ ৫ চিকিৎসক, ৩ পুলিশসহ ৬৪ জনের নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট ৩৮৯ জনের করোনা শনাক্ত হলো। এদিকে একই দিনে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ চিকিৎসক, ৪ স্বাস্থ্য সহকারী এবং ৩ নার্স করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ওই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অতি জরুরি সেবা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন নওগাঁর ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুনজুর এ মোর্শেদ। নওগাঁর ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুনজুর এ মোর্শেদ বলেন,  করোনা শনাক্ত হলেও নওগাঁ  জেলা জজ আদালতের ২ বিচারক সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৪ জন এবং মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও ১ জনসহ ৫ চিকিৎসক, ৩ পুলিশসহ করোনা আক্রান্ত সকলেই সুস্থ আছেন। জেলায় এ পর্যন্ত ৫ হাজার ১৬২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ফলাফল পাওয়া গেছে ৪ হাজার ৩০৮ জনের। এরমধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩৮৯ জনের। মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের।
 বালিয়াকান্দিতে ৭২৬
বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি: রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ
নতুন করে ১১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে বালিয়াকান্দি উপজেলায় ৬৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। শনিবার সকালে বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শাফিন জব্বার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ বালিয়াকান্দি উপজেলায় ১১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ওই কর্মকর্তাসহ বালিয়াকান্দি সদরে ৩ জন, ইসলামপুর ইউনিয়নে ৪ জন, নারুয়া ইউনিয়নে ২ জন, জামালপুর ইউনিয়নে ১ জন, নবাবপুর ইউনিয়নে ১ জন। প্রসঙ্গত এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৭ জন, মারা গেছে ১ জন, অন্যরা সবাই হাসপাতালে ও বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। ২৪ তারিখ পর্যন্ত উপজেলায় মোট নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ৭২৬ জনের।
পাকুন্দিয়ায় ৬৩
পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় একই পরিবারের চারজনসহ নতুন করে নয়জনের শরীরে কোভিড-১৯ ভাইরাসের জীবাণু শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবার রাতে পাওয়া রিপোর্টে ওই ৯ জনের করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জমির মো. হাসিবুস ছাত্তার। শনিবার দুপুরে তিনি জানান, গত ১৭ ও ২১শে জুন সংগ্রহ করা স্যাম্পলের মধ্যে ওই ৯ জনের পজিটিভ এসেছে। যার মধ্যে একই পরিবারের ৪ জন রয়েছেন। তাদের বাড়ি হোসেন্দী ইউনিয়নের কুমারপুর গ্রামে। শনাক্ত হওয়া অন্যরা হলেন, চরফরাদী গ্রামের এক নারী (১৮), খামা গ্রামের বয়স্ক এক ব্যক্তি (৬২), উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক নারী স্বাস্থ্যকর্মী (৩০), লক্ষীয়া দিয়াপাড়া এলাকার ২৫ বছর বয়সী একজন ও হোসেন্দী চরপাড়া এলাকার (২৯) বয়সী এক যুবক। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জমির মো. হাসিবুস ছাত্তার বলেন, নতুন করে ৯ জনসহ উপজেলায় মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৩ জন। তন্মেধ্যে পরপর দুটি স্যাম্পলে নেগেটিভ হয়ে করোনাভাইরাস মুক্ত হয়েছেন ৩৪ জন।
ওসমানীনগরে  ৩৭
ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের ওসমানীনগরে একই পরিবারের আমেরিকা প্রবাসী তিন ভাই ও উপজেলা কৃষকলীগের সদস্য সচিবসহ নতুন করে ৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। শুক্রবার সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাব থেকে এই চারজনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আক্রান্ত এই চারজন নিয়ে ওসমানীনগরে মোট ৩৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। করোনায় আক্রান্তরা হলেন, উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের বরায়া চানপুর গ্রামের আমেরিকা প্রবাসী সেলিম আব্দুল মুকিদ, আব্দুল মুমিন, আব্দুল মোহিত ও ওসমানীনগর উপজেলা কৃষকলীগের সদস্য সচিব একই ইউপির কাজিরগাঁও গ্রামের ছালা উদ্দিন। ওসমানীনগর উপজেলা করোনা সংক্রান্ত মেডিকেল টিমের প্রধান ডা. সাকিব আব্দুল্লাহ চৌধুরী নতুন করে ৪ জন আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বরায়া চাঁন পুরের আমেরিকা প্রবাসী সালামত উল্যা সেলিম ৮ সদস্যের পরিবার নিয়ে গত মার্চে দেশে আসেন। সমপ্রতি তারা পুনরায় আমেরিকা যেতে চাইলে বিমান কর্তৃপক্ষ করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট চায়। এ কারণে তারা গত ২০ জুন পরিবারের ৮ জন বালাগঞ্জ হাসপাতালে নমুনা প্রদান করলে শুক্রবার রাতে এই পরিবারের ৩ ভাইয়ের  করোনা পজিটিভ আসে। উপজেলা কৃষকলীগের সদস্য সচিব সালা উদ্দিনও ২০শে জুন করোনা উপসর্গ নিয়ে নমুনা প্রদান করেন শুক্রবার তারও করোনা পজিটিভ আসে।
চাঁদপুরে ১৩১
চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুরে একদিনে রেকর্ড সর্বোচ্চ ১৩১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। এর মধ্যে চাঁদপুর সদরের ৩৭ জন, হাইমচরের ২১, মতলব উত্তরের ২৫ জন, হাজীগঞ্জের ১৫ জন, ফরিদগঞ্জের ১৩ জন, শাহরাস্তির ৬ জন, মতলব দক্ষিণে ১০ জন ও কচুয়ার ৪ জন রয়েছেন। মৃত বেড়ে হলো ৫৩ জন। সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে এসব এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সূত্র জানায়, প্রথম দফায় ১৯৯টি ও দ্বিতীয় দফায় ৮১টি  ও তৃতীয় দফায় ১০০ টি রিপোর্ট আসে। একদিনে মোট রিপোর্ট এসেছে ৩৮০টি। যা এ যাবৎ কালের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর মধ্যে ১৩১টি রিপোর্ট করোনা পজিটিভ। বাকিগুলো নেগেটিভ। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৮০০ জন। মৃত বেড়ে হলো ৫৩ জন। চাঁদপুরে জেলায় বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত ৮০০ জনের উপজেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান হলো: চাঁদপুর সদরে ৩০৬ জন, শাহরাস্তিতে ৯৩ জন, মতলব দক্ষিণে ৮৪ জন, হাজীগঞ্জে ৮৩ জন, ফরিদগঞ্জে ৭৮ জন, হাইমচরে ৬১ জন, মতলব উত্তরে ৬১ জন ও কচুয়ায় ৩৪ জন। জেলায় মোট ৫৩ জন মৃতের উপজেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান হলো: হাজীগঞ্জে ১৪ জন, চাঁদপুর সদরে ১৪ জন, ফরিদগঞ্জে ৬ জন, মতলব উত্তরে ৮জন, কচুয়ায় ৫ জন, শাহরাস্তিতে ৪ জন ও মতলব দক্ষিণে ২ জন।
জামালপুরে ১৭
জামালপুর প্রতিনিধি: ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে একজন চিকিৎসক ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক, একজন র‌্যাব সদস্য ও একজন নার্সসহ ১৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ২৬১টি নমুনা পরীক্ষায় ১৬ জন শনাক্ত এবং জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের ল্যাবে ৩৯টি নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে একজনের  করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। ওই ব্যক্তিদের দেহে  করোনা পজেটিভ শনাক্ত নিশ্চিত করেছেন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। জেলায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে জামালপুর সদরে ১১, ইসলামপুরে ১, সরিষাবাড়ীতে ১, মাদারগঞ্জে ২, দেওয়ানগঞ্জে ১ ও মেলান্দহে ১ জন। জামালপুর সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস জানান, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ২৬১টি নমুনায় ১১ জন শনাক্ত এবং জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের ল্যাবে ৩৯টি নমুনা পরীক্ষায় ১ জন করোনা শনাক্ত হয়। ওই ব্যক্তিরা জামালপুর জেনারেল হাসপাতালসহ নিজ নিজ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দিয়েছিলেন। জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫৪২ জনে।
উল্লাপাড়ায় ২৯
উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: করোনায় আক্রান্ত হয়ে উল্লাপাড়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ (৭৪) মারা গেছেন। তিনি এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঢাকা সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল মারা যান। নুর মোহাম্মদ উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাখুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তাকে বাখুয়া কবরস্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফন করা হয়েছে বলে উল্লাপাড়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল সালেক জানান। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনোয়ার হোসেন জানান, শনিবার সিরাজগঞ্জ র‌্যাব-১২ ক্যাম্পের ২ র‌্যাব সদস্যসহ ৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এরা হলেন, র‌্যাব সদস্য নাসিম শাহ (৩৩), শহিদুল ইসলাম (২৮)  ক্যাম্পের র‌্যাব পরিবারের সদস্য গৃহবধূ সুস্মিতা বিশ্বাস (২৮), শিশু রুজরা (৫), রোজিনা (১), সিনাল (৪) ও মুরশিকা (৭)। এদেরকে র‌্যাব ক্যাম্পের নিজ নিজ বাসায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত উল্লাপাড়ায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৯ জনে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর