× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১৪ জুলাই ২০২০, মঙ্গলবার

খাশোগির পর সৌদি আরবের নয়া টার্গেট আব্দুল আজিজ!

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৮ জুন ২০২০, রবিবার, ২:৫০

সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার পর সৌদি আরবের গলার কাঁটায় পরিণত হয়েছেন তার বন্ধু ওমর আব্দুল আজিজ। সৌদি রাজপরিবারের এই সমালোচক এখন কানাডায় বাস করেন। দেশটির পুলিশ তাকে সম্ভাব্য হুমকির ব্যাপারে সতর্ক করেছে। এ খবর দিয়েছে ডয়েচে ভেলে। খবরে বলা হয়েছে, ওমর আব্দুল আজিজ জানেন যে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সমালোচনা সহ্য করতে পারেন না। এ কারণেই অনেক বছর ধরেই কানাডায় আশ্রয়ে আছেন তিনি। এখন তিনি বলছেন, রয়্যাল ক্যানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ তার বিরুদ্ধেও হামলা হতে পারে বলে তথ্য পেয়েছে। সে হুমকির উৎপত্তি সৌদি আরব বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
আব্দুল আজিজ গার্ডিয়ান পত্রিকা ও নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা এক ভিডিওতে এমন তথ্য জানিয়েছেন।
টুইটে শেয়ার করা ভিডিওতে তিনি বলেন, মোহাম্মদ বিন সালমান ও তার লোকজন আমার ক্ষতি করতে চায়। তারা আমাকে হত্যা করতে চায় নাকি অপহরণ, তা জানি না। ওমর আব্দুল আজিজকে কয়েক বছর আগে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়া হয়। জার্মানির ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্স এর গুইডো স্টাইনবার্গ মনে করেন, ওমর আব্দুল আজিজের অবস্থান খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এরই মধ্যে সৌদি সরকারের বিরোধিতাকারী সবাইকে চুপ করিয়ে দেয়া হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই হয় কারাগারে, অথবা অন্যকোনোভাবে তাদেরকে কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হয়েছে। কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা না থাকায় আজিজের গুরুত্ব আরো বেড়েছে বলেও মনে করেন তিনি।
তবে এবারই প্রথম কানাডিয়ান পুলিশ তার সঙ্গে যোগাযোগ করলো বলে জানান ওমর আব্দুল আজিজ। তার আইনজীবী আলা মহাজন গার্ডিয়ানকে জানিয়েছেন, এই হুমকির তথ্য খুবই নির্ভরযোগ্য। কাওয়াকিবি ফাউন্ডেশনের প্রধান এবং গণতান্ত্রিক অধিকারকর্মী ইয়াদ আল-বাগদাদী জানান, তারা আরো আগে থেকেই এমন হুমকির আশঙ্কা করছিলেন। তিনি বলেন, আমরা জানি অনেকদিন ধরেই তাকে টার্গেট করে রেখেছেন এমবিএস.
আল-বাগদাদীও এমবিএসের অধীনে সৌদি নীতির কট্টর সমালোচক। তিনি এখন নরওয়েতে বাস করেন এবং ২০১৯ সালে তাকেও সৌদি আরব থেকে হুমকি পাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছিল। আল-বাগদাদীর সঙ্গে কখনও আজিজের দেখা না হলেও দুজনই লেখালেখি ও একই ধরনের নীতির পক্ষে কথা বলেন। ২০১৮ সালে তুরস্কে সৌদি দূতাবাসে খুন হওয়া সাংবাদিক খাশোগির বন্ধু ছিলেন এরা দুজনই। ২০১৭-১৮ সালে আজিজের সঙ্গে খাশোগির নিয়মিত যোগাযোগ হতো। জামাল খাশোগি যখন ওয়াশিংটন ডিসিতে ছিলেন তখন তিনি আজিজের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তারা একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপারেও পরিকল্পনা করেছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর