× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ১১ জুলাই ২০২০, শনিবার

৪ দফা দাবিতে সড়কে অভিভাবকরা

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২৯ জুন ২০২০, সোমবার, ১২:২৪

করোনা সময়ে স্কুল বন্ধ থাকাকালীন টিউশন ফি শতকরা ৫০ভাগ ছাড়।সমস্যাকে দীর্ঘায়িত করে, বকেয়া টিউশন ফি কে কেন্দ্র করে রিপোর্ট কার্ড, নতুন ক্লাসে উত্তরণ নিয়ে কোন অনৈতিক চাপ প্রয়োগ থেকে কর্তৃপক্ষকে সচেতন ভাবে বিরত থাকতে হবে। হ্রাসকৃত ফি কিস্তিতে পরিশোধের ব্যবস্থা করা ও অভিভাবকদের হয়রানি বন্ধ করা এই ৪ দফা দাবি জানিয়ে সভা করেছে Hurdco Parents Forum।

রোববার অভিভাবকরা স্কুলের সামনে সমবেত হন। স্কুল প্রবেশে বাধা দিলে, করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিপুল সংখ্যক অভিভাবক রাস্তায় সভায় মিলিত হন।

১৭ই এপ্রিল থেকে সিদ্বান্ত গ্রহণে স্কুলের গড়িমসিতে বক্তারা  ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বক্তারা আন্দোলনে জড়িত অভিভাবকদের ফোন করে স্কুল থেকে বাচ্চা নিয়ে যাবার হুমকিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং প্রয়োজনে  শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রধাণমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 বক্তারা আরো বলেন, স্কুল বন্ধ রেখে শতভাগ টিউশন ফি চাওয়া আমরা মানতে পারি না। ১৭ই এপ্রিল থেকে স্কুলকে নোটিশ করা হয়েছে, কাল ক্ষেপনের দায়ভার স্কুলের। আমরা বলিনি, টিউশন ফি দেব না, আমরা বলেছি করোনাকালীন স্কুল বন্ধের সময়ে শতকরা ৫০ ভাগ ছাড় চাই।  আমরা বারবার স্কুল কতৃপক্ষকে তাগিদ দিয়েছি ব্যাপারটা সমাধানের জন্য। কিন্তু উনারা এখনো অবস্থা স্বাভাবিক করতে কোন কার্যকর উদ্যোগ নেননি।
বরং সরকারী নিয়মের তোয়াক্কা না করে ফি দেয়ার সাথে রেজাল্ট,  নতুন ক্লাসের শিক্ষাদান সবকিছুকে জড়িয়ে অভিভাবকদের প্রত্যক্ষভাবে ভীতি দেখাতে চাইছে,যা হাস্যকর। যেখানে স্কুল কর্তৃপক্ষ আশংকা প্রকাশ করেন, আগামী এক বছরেও স্কুল খুলবে কিনা, সেখানে আমাদের থেকে শতভাগ বেতন চাইবে কেন? এমতাবস্থায় আমাদের অভিভাবকদের ঐক্যবদ্ধ জমায়েতের এবং দাবী জানানোর বিকল্প নেই।

বক্তারা উদ্ভুত পরিস্থিতিতে স্কুলকে অবিলম্বে দাবী মেনে নেয়ার আহবান জানান। অন্যথায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ধংসের জন্য স্কুল দায়ী থাকবে বলে অভিমত জানানো হয়।
সভায় অভিভাবকদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন  পারভীন আক্তার, জাহিদুর রহমান, মনজুর সালেকীন, জহিরুউদ্দীন স্বপন, কল্যাণ ওয়াদ্দার প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
২৮ জুন ২০২০, রবিবার, ১০:০৫

No class no teaching, no fee. Government should pay the fees for that lockdown period. It is quite unfair to charge fee without rendering service.

Mostafizur rahman
২৯ জুন ২০২০, সোমবার, ১২:৪২

We are all support you. This is very resonable apply.

অন্যান্য খবর