× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১০ আগস্ট ২০২০, সোমবার

দেশ ছাড়লেন হংকংয়ের শীর্ষ অধিকারকর্মী

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ৯:৪২

সুদূরপ্রসারি ও বিতর্কিত নিরাপত্তা আইন চাপিয়ে দেয়ার পর গণতন্ত্রপন্থি তরুণ এক শীর্ষ অধিকারকর্মী হংকং ছেড়েছেন। তিনি নাথান ল। এক সময়কার ছাত্রনেতা ও স্থানীয় একজন রাজনীতিক। ২০১৪ সালে ‘আমব্রেলা প্রটেস্ট’ করার পর বেশ কিছু সময় জেল খেটেছেন। গণতন্ত্রপন্থি আন্দোলনের সামনের সারিতে যে কয়েকজন আছেন, তার মধ্যে নাথান ল অন্যতম। হংকং ছেড়ে গেলেও তিনি বলেছেন, বিদেশে অবস্থান করে তার আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন। চীন এই আইন করার দু’দিন পরে তিনি হংকং ছেড়েছেন বলে জানিয়েছেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

নতুন নিরাপত্তা আইন নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে হংকংবাসী। তারা বলছেন, এই আইন হংকংয়ের স্বাধীনতাকে শেষ করে দেবে। কিন্তু সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে চীন। উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে চীনের কাছে হংকংয়ের সার্বভৌমত্ব হস্তান্তর করে বৃটেন। তবে ৫০ বছর আগে থেকে এক দেশ, দুই ব্যবস্থা চুক্তির অধীনে এই ভূখন্ডের চর্চিত অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়া হয়। কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, নতুন আইন করা হয়েছে স্বাধীনতা আন্দোলনকে দমিয়ে রাখতে। ধ্বংসযজ্ঞ বা সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে টার্গেট করা হয়েছে। এর শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। তারা আরো বলছেন, এই আইন কার্যত মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে শেষ করে দিয়েছে।
মঙ্গলবার এই আইনটি পাস হওয়ার ঘোষণা দেয়া হয় চীনে। এর অল্প সময় পরে নাথান ল ঘোষণা দেন যে তিনি তার ডেমোসিটো পার্টি থেকে পদত্যাগ করছেন। এই দলটির তিনি সহপ্রতিষ্ঠাতা। সুপরিচিত অধিকারকর্মী জোশুয়া ওং-এর সঙ্গে তিনি এই পার্টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ওই সময় তিনি বলেছেন, এই আইনটি সাংস্কৃতিক বিপ্লবের রক্তক্ষরণ শুরু হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। বুধবার হংকং নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেশনাল শুনানিতে ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে কথা বলেন নাথান ল। এ সময় তিনি মার্কিন রাজনীতিকদের বলেন, তিনি দেশে ফেরার ব্যাপারে উদ্বিগ্ন। তার আশঙ্কা দেশে ফিরলেই তাকে জেলে পাঠাবে চীন।
বৃহস্পতিবার তিনি মিডিয়ার কাছে একটি বিবৃতি পাঠান। তাতে বলেন, এরই মধ্যে হংকং ত্যাগ করেছেন। দেশের বাইরে থেকেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তিনি তার কাজ অব্যাহত রাখবেন। তবে কোন দেশে গিয়েছেন তিনি তা বলেন নি। তবে এটা বলেছেন, ঝুঁকি থাকার প্রেক্ষিতে এখন আমি কোথায় আছি, কি অবস্থায় আছি, তা প্রকাশ করবো না।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ওই অঞ্চলে সবচেয়ে কম বয়সে আঞ্চলিক লেজিসলেটর নির্বাচিত হন নাথান ল। তখন তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে, সাবেক বৃটিশ ঔপনিবেশ হংকংকে অবশ্যই তার ভবিষ্যত নির্ধারণের জন্য গণভোট অনুমোদন দিতে হবে। তিনি আরো বলেছিলেন, হংকংকে আরেকটি চীনা শহর হতে দেয়া যাবে না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর