× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৩ আগস্ট ২০২০, সোমবার

রূপগঞ্জে ব্যবসায়ী হেকমত আলী হত্যার বিচার দাবি

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, রূপগঞ্জ থেকে | ৪ জুলাই ২০২০, শনিবার, ৭:৪১

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আলোচিত ব্যবসায়ী হেকমত আলী হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় মসজিদের মুসল্লি ও এলাকাবাসী। গতকাল বাদ জুমা উপজেলার এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের কালাদী এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় উপস্থিত মুসল্লিরা ব্যবসায়ী হেকমত আলীকে নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ডে জড়িত রফিকুল ইসলাম সবুজসহ জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানায়। একপর্যায়ে মুসল্লিরা ব্যবসায়ী হেকমত আলী হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে এশিয়ান হাইওয়ে সড়ক অবরোধ করে দফায় দফায় বিক্ষোভ করে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৪ঠা এপ্রিল সকালে কাঞ্চন পৌরসভার কালাদী এলাকার মৃত কদম আলীর ছেলে স্থানীয় ভুলতা এলাকার নুর ম্যানশন মার্কেটের মোটরসাইকেল ও গাড়ির পার্টস ব্যবসায়ী হেকমত আলী তার দোকানের ম্যানেজার  ও তার আত্মীয় কেরাবো এলাকার ইয়াকুবের ছেলে রফিকুল ইসলাম সবুজের বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। এ ঘটনায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর স্ত্রী ১৪ই এপ্রিল বাদী হয়ে রফিকুল ইসলাম সবুজকে প্রধান আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলার ভিত্তিতে পুলিশ রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।
এদিকে মামলাটির অধিক অগ্রগতির জন্য মামলার বাদী আদালতে আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটি  গত ১৮ই জুন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিকেশন (পিবিআই) নারায়ণগঞ্জের ওপর দায়িত্বভার অর্পিত হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই এর এসআই আবু সায়েমকে ৩০শে মে আদালতের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ কারাগার থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২ দিনের রিমান্ডে আনেন রফিকুল ইসলাম সবুজকে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ঘাতক রফিকুল ইসলাম সবুজের দেখানো মতে ৮৯ দিন পর গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার কুশাব এলাকার একটি পুকুর থেকে ঢালাই করা ড্রামভর্তি হেকমতের গলিত লাশ উদ্ধার করে। হেকমত আলীকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এককভাবে নিয়ে নেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার তার ভায়রার ছেলে রফিকুল ও তার সহযোগীরা গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ড্রামের ভেতর ভরে সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করে পুকুরের ফেলে রাখে।  

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর