× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৫ আগস্ট ২০২০, শনিবার

‘শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ প্রদানে শিক্ষামন্ত্রীর আহ্বান’

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, ৩:৫৫

শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ প্রদানের জন্য মোবাইল অপারেট কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু। তিনি বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনার কারণে দীর্ঘদিন যাবৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রমকে চালিয়ে নিতে আমরা অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করছি। ইতিমধ্যে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষেই ইন্টারনেটের ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্রদান অথবা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দেয়া গেলে সহজ হতো। এ ব্যাপারে মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি। মোবাইল কোম্পানিগুলো বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখবে বলে আশা করেন শিক্ষামন্ত্রী।


আজ সোমবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপকমিটির আয়োজনে ‘বর্তমান বৈশ্বিক সংকটকালে শিক্ষা বিষয়ে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে এবং সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপার সঞ্চালনায় এ অনলাইন সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন বাংলা একাডেমীর সভাপতি অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ডা. কামরুল হাসান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মাকসুদ কামাল এবং দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক শ্যামল দত্ত প্রমূখ।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রতিটি সংকট-ই আমাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দেয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা অনুযায়ী আমাদের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হলে তথ্য ও প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তাই আমাদের হয়তো কিছুদিনের মধ্যে ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রমে যেতে হতো। করোনা এক্ষেত্রে আমাদেরকে এগিয়ে দিয়েছে। আমরা এখন অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমসহ অফিস-আদালতে বিভিন্ন মিটিং এবং দৈনন্দিন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, সীমাবদ্ধ থাকবে। অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন এই বাস্তবতার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠবো। করোনা পরবর্তী সময়েও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, শিক্ষার বিস্তার এবং মেধাবী জাতি তৈরিতে ইন্টারনেটকে ব্যয় নয়, রাষ্ট্রের বড় বিনিয়োগ হিসেবে দেখতে হবে। ভবিষ্যৎ শিক্ষার ক্ষেত্র কেবলমাত্র ক্লাসরুম কেন্দ্রিক হবে না। প্রচলিত চক-ডাস্টার পদ্ধতির সঙ্গে ক্লাসরুম ব্যবস্থা ডিজিটাল করতে হবে। অন্যথায় চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য মানব সম্পদ তৈরি করতে পারবো না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Jemi Hossen
৭ জুলাই ২০২০, মঙ্গলবার, ১:৪৬

এখনও অনেক শিক্ষার্থী আছে যে তাদের স্মার্ট ফোন নেই ।তাড়া কিভাবে এই সুবিধা নিবে?

হেলাল নির্ঝর
৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, ১০:৪১

চলতি বছরে এসএসসি উত্তীর্ণ লাখ লাখ শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সার্কুলার এখন পর্যন্ত দেয়া হয়নি। এই ব্যাপারে মন্ত্রীর নির্দেশনা পেতে লাখ লাখ শিক্ষার্থী অধীর আগ্রহে অপেক্ষমাণ। সংবাদপত্রও এব্যাপারে কোন প্রশ্ন করছেনা কেন?

আধ্যাপক সাখাওয়াত
৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, ৭:২০

শিক্ষার্থীরা যতক্ষন যে কোন নিবন্ধিত শিক্ষা মুলক ওয়েব সাইট বা bdREN ZOOM এ যুক্ত থাকবে ততক্ষণ শিক্ষার্থীর কোন ডাটা কাটা যাবে না, ব্যবহৃত ডাটার ব্যয় সরকার বহন করবে. কি হারে সরকার ডাটা প্রভাইডারদেরকে পরিশোধ করবেন তা আলোচনা করে দ্রুত নির্ধারন করুন.

A S Dilshad Ahmed
৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, ৬:৫২

যে শিক্ষাথীর্রা সিম নিতে পারবে না তাদের বেতন নিয়ে মন্ত্রী মহোদয়ের কি চিন্তা ?? ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল এই অতিমারীর মধ্যেও 100% বেতন চাচ্ছে এবং দিতে বাধ্য করা হচ্ছে । সময় চাইলেও ক্লাস করতে দেয়া হচ্ছে না ।

আবুল কাসেম
৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, ৫:৩২

সংকট ও দুর্যোগের সময়ে নেতিবাচক মনোভাব মানুষকে হতাশায় নিমজ্জিত করে। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে চিন্তা করলে দুর্যোগ ও সংকটকালেও ভালো কিছু অর্জন করা সম্ভব। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী এবং মাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর উপলব্ধির মধ্যে বাস্তবতা আছে। সবাই নিজের সন্তানকে নিজের চেয়েও দক্ষ ও যোগ্য মানুষ করে গড়ে তুলতে চায়। এ ব্যাপারে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের বাবা মায়ের চেষ্টার অন্ত নেই। দেশ পরিচালনায় যাঁরা আছেন তাঁরাও নিশ্চয়ই চান, আগামী প্রজন্ম তাঁদের চেয়েও দক্ষ ও যোগ্য হাতে দেশের হাল ধরবে। মাননীয় মন্ত্রীদের বক্তব্যে সে কথাই ধ্বনিত হয়েছে। বলাই বাহুল্য, আগামী প্রজন্মকে আরো বেশি দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তুলতে হলে তথ্য প্রযুক্তির শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের দেশের বৃটিশ কারিকুলামে পরিচালিত ইংরেজি মিডিয়াম বিদ্যালয়গুলো ইতোমধ্যে তাদের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা অনলাইনে সমাপ্ত করেছেন। করোনা মহামারিকে পাশ কাটিয়ে এভাবেই শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে হবে। মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী কয়েকদিন আগে সংখ্যা কমিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার কথা বলেছেন। কিন্তু করোনা ভাইরাস সংক্রমণ উপেক্ষা করা সম্ভব হবে কিনা সেটা ভেবে দেখতে হবে। আর পরিস্থিতি কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে তার কোনো নিশ্চিতা নেই। তাই ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর মতো অনলাইনে পরীক্ষা নেয়া যায় কিনা শিক্ষা, তথ্য প্রযুক্তি ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের যৌথ গবেষণায় একটা রাস্তা বের করা সম্ভব হবে। মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীর শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার বিনা মূল্যে বা সল্প মূল্যে দেয়ার আহ্বান মোবাইল কোম্পানিগুলোর বিবেচনা করা উচিত। তথ্য প্রযুক্তির জ্ঞানে সমৃদ্ধ আগামী প্রজন্ম গড়ে তুলতে হলে তাদের জন্য ইন্টারনেট সুবিধা সহজলভ্য করে দিতে হবে। তথ্য প্রযুক্তির ব্যাবহার ও জ্ঞান অর্জন করে আমাদের আজকের শিক্ষার্থীরা আগামী বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে হলে তাদেরকে সেই সুযোগ করে দিতে হবে। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো তাদের শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে পড়তে দেয়নি। এদিক থেকে বাংলা মিডিয়ামের শিক্ষার্থীরা অনেক পিছিয়ে গেছে। অনতিবিলম্বে তাদের এই পিছিয়ে পড়া রোধ করার পরিকল্পনা নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে হলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখা বাঞ্ছনীয় নয়। গত কয়েক বছরে তথ্য প্রযুক্তিতে দেশ অনেকদূর এগিয়ে গেছে। সেই অগ্রগতির সঠিক ও সময়োপযোগী ব্যাবহার করে শিক্ষার্থীদের কাছে তার সুফল পৌঁছে দিতে হবে। মাননীয় মন্ত্রীগণের উপলব্ধির কৌশল নির্ধারণ করে ত্বরিত বাস্তবায়ন করা জরুরী।

মোঃ রবিউল্লাহ রবিন
৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, ৫:২১

বিনামূল্যে পাওয়া ইন্টারনেটের সু-ব্যবহার কে নিশ্চিত করবে? এর চেয়ে ভালো হয় অনলাইন ক্লাসের জন্য একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ব্রাউজিং ফ্রি করে দেয়া।

অন্যান্য খবর