× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৩ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার
কোয়াব-ক্রিকেটার বৈঠক

ঈদের আগে অর্ধেক পারিশ্রমিক দাবি ক্রিকেটারদের

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ৯ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:৫৬

ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ স্থগিত হয়ে আছে ৩ মাস ধরে। করোনাভাইরাসের কারণে প্রথম রাউন্ডের পর আর কোনো ম্যাচ মাঠে গড়ায়নি। এমনকি কবে শুরু হবে এখনো কেউ তা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। এ লীগের ওপর নির্ভর করে অনেক ক্রিকেটারের জীবন-জীবিকা চলে। তাই লীগ না হলেও দারুণভাবে আর্থিক ক্ষতি ও অনিশ্চয়তা পড়বে লীগনির্ভর ক্রিকেটাররা। আর বাস্তবতা বলছে আগামী এক মাসেও ঢাকা লীগ শুরুর সম্ভাবনা  নেই। তাই ক্লাবগুলোর কাছে পারিশ্রমিকের ৫০ শতাংশ দাবি করেছেন ক্রিকেটাররা। যদিও ১২টি ক্লাবের মধ্যে দুটি ছাড়া বেশির ভাগই এরইমধ্যে ২৫ শতাংশ পারিশ্রমিক ক্রিকেটারদের পরিশোধ করেছে।
মঙ্গলবার রাতে অনলাইনে আয়োজিত এক সভায় ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এই সিদ্ধান্ত নেয়। সভায় কোয়াব নেতাকর্মী, ক্রিকেটার ছাড়াও সংযুক্ত ছিলেন সিসিডিএম’র চেয়ারম্যান কাজী এনাম আহমেদ ও বিবিসি’র সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন। এ বিষয়ে কোয়াবের সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল বলেন, ‘দেশের যে বর্তমান পরিস্থিতি তাতে আগামী এক মাসেও মাঠে খেলা শুরু করার কঠিন মনে হচ্ছে। এটাই বাস্তবতা। তবে ক্রিকেটারদেরও দেখতে হবে। তারা যেন আর্থিক ক্ষতির মুখে না পড়ে। সেজন্য সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেয়া ঈদের আগে যেন ক্লাবগুলো ৫০ ভাগ টাকা পরিশোধ করে দেয়। আশা করি ক্লাবগুলো ক্রিকেটারদের কথা ভেবে আমাদের অনুরোধ রাখবে।’
খেলাধুলাই যে বন্ধ তা নয়, চরমভাবে বিপর্যস্ত দেশের অর্থনীতি। এমন অবস্থায় ক্লাবগুলো কি না খেলিয়ে টাকা দিতে রাজি হবে? এবার উন্মুক্ত দলবদল হওয়ায় বিসিবি ও সিসিডিএম আর্থিক দিক দেখছে না। তাই শঙ্কা রয়েছে শেষ পর্যন্ত ক্লাবগুলো রাজি হবে কি না! এ বিষয়ে দেবব্রত পাল বলেন, ‘আমাদের সভায় বিসিবি’র সিইও ও সিসিডিএম চেয়ারম্যান সংযুক্ত ছিলেন। তাদেরকে ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই। হ্যাঁ, ক্রিকেটাররা এবার ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি করেছে। তাই বলে এই নয় যে সিসিডিএম বা বিসিবি’র কোনো কিছু করণীয় নেই। অবশ্য ক্লাবগুলোকে তারা অনুরোধ করতে পারে। প্রয়োজনে ব্যবস্থাও নিতে পারে। আর সিসিডিএম চেয়ারম্যান যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে মনে হয়েছে তিনি ইতিবাচক। অবশ্য ক্রিকেটাররা ৫০ ভাগ টাকা পাবে বলেই বিশ্বাস করি। আর  যে ক্লাবগুলো এখনো পাওনা পারিশ্রমিক পরিশোধ করেনি তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আশা করি সেই সমস্যারও সমাধান হবে।’
এই অনলাইন সভায় সংযুক্ত ছিলেন কোয়াব সভাপতি ও বিবিবি পরিচালক নাঈমুর রহমান দূর্জয়। এছাড়াও ছিলেন সংগঠনটির সহসভাপতি ও বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন, ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। মতামত দিয়েছেন দেশের জাতীয় দল ও ঘরোয়া ক্রিকেটের অনেক সিনিয়র-জুনিয়র ক্রিকেটারও।  পাওনা পারিশ্রমিক নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি সুযোগ হলেই যেন লীগ শুরু করা যায় সেটি দাবি করা হয়েছে ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকে। দেবব্রত পাল বলেন, ‘আমাদের আরেক জোড়ালো দাবি হলো যখনই দেশের পরিস্থিতি উন্নতি হবে সবার আগে যেন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ঢাকা লীগ শুরু করা হয়। এতে করে ক্রিকেটারদের স্কিলের যে ঘটতি হয়েছে সেটিও পূরণ হবে। আর আর্থিক ক্ষতিটাও পুষিয়ে নেয়া যাবে।’
অন্যদিকে জাতীয় দলের অনুশীলনের বিষয়টি বিসিবি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ভাববে ও সিদ্ধান্ত নেবে বলেই বিশ্বাস করে কোয়াব। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘জাতীয় দলের অনুশীলন ও সফর নিয়ে পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডই চূড়ান্ত সিদ্বান্ত নেবে।’ এই সভার আগে বেশির ভাগ ক্রিকেটারেরই দাবি ছিল মাঠে অনুশীলন করা  খেলার অনুমতি নেয়া। কিন্তু শেষ পর্যন্ত  ফের তারা সেখান থেকে সরে এসেছে। কারণ এখনো দেশে করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি ভয়াবহ। তাই বিসিবি ও সরকার কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নয় ক্রিকেটারদের নিয়ে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর