× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৫ আগস্ট ২০২০, শনিবার

যৌন কেলেংকারির অভিযোগে আত্মহত্যা করেছেন সিউলের মেয়র?

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ৯:৩২

সিউলের মেয়র পার্ক ওন-সুন (৬৪) নিখোঁজ হওয়ার পর ব্যাপক অভিযানে তাকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এ জন্য অভিযানে নামানো হয় দেড়শ পুলিশ, ড্রোন ও উদ্ধারকাজে সাহায্যকারী কুকুর। কিন্তু কেন তিনি বৃহস্পতিবার আকস্মিকভাবে নিখোঁজ হলেন এবং তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল- এ নিয়ে নানা জল্পনা কল্পনা। সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ। বলা হয়েছে, তার এক সেক্রেটারি পুলিশের কাছে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছেন। এর কয়েক ঘন্টা পরেই তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। প্রায় ৫ ঘন্টা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তার মেয়ে পুলিশে খবর দেন। উদ্ধার অভিযানে নামে ইমার্জেন্সি সার্ভিস, ড্রোন এবং কুকুর।
একটি পাহাড়ি এলাকায় সর্বশেষ তার মোবাইল সিগন্যাল পাওয়া গিয়েছিল। সেখানেই উদ্ধার অভিযানে জোর দেয়া হয়। ৭ ঘন্টার অভিযানে পাহাড়ের ওপর একটি রেস্তোরাঁ এবং ব্যাঙ্কুয়েট হলের কাছে তার মৃতদেহের সন্ধান পান উদ্ধার অভিযানের লোকজন। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন ডেইলি মেইল।

এতে বলা হয়, পার্ক ওন-সুনের একজন সেক্রেটারি তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছেন। তা টেলিভিশনে প্রচারিত হওয়ার কথা ছিল। এমন কথা জানতে পেরে তিনি বৃহস্পতিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এদিন সব সরকারি কর্মকান্ড বাতিল করেন। ওদিকে এসবিএস নেটওয়ার্ক রিপোর্ট করেছে যে, পার্ক ওন-সুনের একজন সেক্রেটারি বুধবার রাতে পুলিশে অভিযোগ দিয়েছেন। তাতে তিনি পার্ক ওন-সুনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছেন। বলেছেন, তিনি অনাকাঙ্খিত শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন তার সঙ্গে। এই ধারা শুরু হয়েছে ২০১৭ সালে। এসবিএসের এই রিপোর্টে তাদের সূত্রের উল্লেখ করা হয় নি। তবে বলা হয়েছে, সিউল সিটি হলের আরো অজ্ঞাত সংখ্যক নারী কর্মচারীকে তিনি যৌন হয়রান করেছেন। এই অভিযোগ নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে সংবাদ প্রচার হওয়ার কথা ছিল।

একই রকম খবর প্রচার করেছে এমবিসি টেলিভিশন। তবে এসব রিপোর্টের যথার্থতা সম্পর্কে সিউল মেট্রোপলিটন পুলিশ এজেন্সি বা পার্ক ওন-সুনের অফিস কেউই কোনো মন্তব্য করেনি। পুলিশ কর্মকর্তা লি বাইওং সিওক বলেছেন, পার্ক ওন-সুনকে সর্বশেষ একটি নিরাপত্তা ক্যামেরায় স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে দেখা যায় ওই পাহাড়ে প্রবেশ করছে। ওদিকে সিউংবাক-ডোং পাহাড়ে সর্বশেষ তার মোবাইল ফোনের সিগন্যাল পাওয়া গিয়েছিল।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর