× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৫ আগস্ট ২০২০, শনিবার

শৈলকুপা ইউএনও’র বিরুদ্ধে আদিবাসীদের সংবাদ সম্মেলন

বাংলারজমিন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি | ১১ জুলাই ২০২০, শনিবার, ৮:৪২

ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার দরিদ্র আদিবাসী সম্প্রদায় আর্থসামাজিক অবস্থায় জীবন-মানের উন্নয়ন সাধনে ‘যার জমি আছে ঘর নেই’ প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দশটি ঘর নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও ঘর বরাদ্দে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম, অফিস স্টাফ ইসমাইল হোসেন ও মিন্টু এবং সততা আদিবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি রাম সরকারের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে ঝিনাইদহ প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শৈলকুপা উপজেলার আদিবাসী সম্প্রদায়। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- অগ্রগতি আদিবাসী বহুমুখী সমবায় সমিতি, কচুয়া মধুদাহ আদিবাসী কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি, কুমিড়াদহ আদিবাসী শ্রমজীবী সমবায় সমিতি, হাটফাজিলপুর আদিবাসী মৎসজীবী সমবায় সমিতি ও শৈলকুপা আদিবাসী দারিদ্র্যবিমোচন সংস্থার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদ্বয় যথাক্রমে- কমল চন্দ্র দাস, কুমার সরকার, শম্ভু সরদার, গোপাল বিশ্বাস ও দিলীপ বিশ্বাস। সংবাদ সম্মেলনে আদিবাসী সম্প্রদায়দের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কুমিড়াদহ আদিবাসী শ্রমজীবী সমবায় সমিতির সদস্য দিলীপ কুমার বিশ্বাস। লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ আদিবাসীদের ঘর নির্মাণে দু’লাখ বিশ হাজার টাকা ঘরপ্রতি বরাদ্দের পরও প্রত্যেকের কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা ঘর বরাদ্দ বাবদ ঘুষ গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিস স্টাফ ইসমাইল ও মিন্টুর দাবিকৃত টাকা যারা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন তাদের ভাগ্যে ঘর জোটেনি। এই উপজেলাতে সাতটি আদিবাসী সমিতি সংগঠন থাকলেও উপজেলা নির্বাহী অফিসের অভিযুক্তদের পছন্দের মাত্র দু’টি সমিতির লোকদের নামে টাকার বিনিময়ে ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক বরাবর ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের আদিবাসীদের বসতঘর নির্মাণে অর্থ বরাদ্দে দুর্নীতি প্রসঙ্গে ছয়টি সমিতির যৌথ স্বাক্ষরে একটি লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম গোপনীয়ভাবে সততা আদিবাসীর সভাপতি রাম সরকার এবং উপজেলা অফিস স্টাফ ইসমাইল ও মিন্টুর মাধ্যমে প্রত্যেক ঘর নির্মাণে ঘরপ্রতি পঞ্চাশ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে দশটি ঘর দশজন আদিবাসীকে মোট পাঁচলাখ টাকার বিনিময়ে বরাদ্দ দিয়েছে। এদিকে রাম সরকার এর মাধ্যমে বেনীপুর সরদার পাড়ার কল্পনা-১ ও কল্পনা-২ এর নিকট থেকে আদিবাসীদের প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের আওতায় ঘর বরাদ্দ পাইয়ে দেয়ার কথা বলে দু’জনের কাছ থেকে পঁচিশ হাজার করে টাকা এবং একজনের কাছ থেকে আঠার হাজার টাকা অগ্রিম ঘুষ বাবদ নেয়া হয়েছে।
শৈলকুপায় এ যাবৎ আদিবাসীদের নামে যত টাকা বরাদ্দ এসেছে তা ছাড় পেতে উপজেলা নির্বাহী অফিসকে মোটা অঙ্কের টাক ঘুষ না দিলে ছাড় হয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে  অভিযোগ করা হয়েছে।
 এ সময় সংবাদ সম্মেলনে কয়েকজন বক্তা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম, অফিস স্টাফ ইসমাইল হোসেন ও মিন্টুকে অনতি বিলম্বে অপসারণেরও দাবি করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর