× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার

স্বাস্থ্য খাতে বাইরের প্রভাব ও হস্তক্ষেপ বেশি

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ২৮ জুলাই ২০২০, মঙ্গলবার, ৯:১৮

 স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আমাদের স্বাস্থ্য খাতে বাইরের হস্তক্ষেপ, বাইরের ইনফ্লুয়েন্সটা (প্রভাব) অনেক বেশি। এটা কমাতে হবে। এটা কমানো হলে আমরা আরো ভালোভাবে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবো। গতকাল সচিবালয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সঙ্গে অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থার বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ)  শেষে  দেয়া বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যেখানে আমরা অন্যায় দেখছি,  সেখানে আমরা ছাড় দিচ্ছি না, এটা আপনারাও দেখছেন। দু’টি  প্রতিষ্ঠান অন্যায় করেছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। যেখানে এটা  দেখা দেবে সেখানেই আইনের আওতায় আনা হবে। এটা আপনারাও দেখছেন।
দু’টি  প্রতিষ্ঠান অন্যায় করেছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। যেখানে এটা দেখা যাবে, সেখানেই আইনের আওতায় আনা হবে। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের নজরে এসেছিল, আমরা  সেখানে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বলেছি। তিনি বলেন- যোগ্য লোককে যদি আমরা যোগ্য জায়গায় বসাতে পারি, যেখানে কোনো ইন্টারফেয়ারেন্স থাকবে না, কোনো ইনফ্লুয়েন্স থাকবে না, তাহলে আমরা কাজ আরো ভালো করবো। বাইরের হস্তক্ষেপ বলতে কী বুঝাতে চেয়েছেন জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের  হেল্‌থ  সেক্টরকে যদি আরো ভালো করতে হয়। তাহলে হেল্‌থ  সেক্টরের  প্রতি আপনাদেরও সদয় হতে হবে। হেল্‌থ সেক্টরকে এমনভাবে তুলে ধরা উচিত যাতে জনগণ আস্থা পায়, যাতে জনগণ সেবা পায়। হ্যাঁ, কিছু ইনফ্লুয়েন্স তো থাকেই। একটি সমাজে থাকতে হলে... বিভিন্ন ধরনের হেল্‌থ  সেক্টরে ইনফ্লুয়েন্স আছে।  সেই ইনফ্লুয়েন্স নিয়েই আমাদের চলতে হয়। সেটা অনেক কিছু থাকে। সামাজিক ইনফ্লুয়েন্স থাকে, রাজনৈতিক ইনফ্লুয়েন্স থাকে। বিদেশি ইনফ্লুয়েন্স থাকে, আমরা বিদেশিদের কাছ  থেকে টাকা নেই। সব মিলিয়ে আমাদের চলতে হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ঢেলে সাজিয়ে সবকিছু করতে চাচ্ছি, এই কথাটা শুনি। কী ঢালবেন? ঢালার জন্য বস্তুটা আনবেন  কোথা  থেকে? সব তো দেশের  লোক।  দেশের  লোক দিয়েই কাজ করতে হবে। আমরা যদি আরো যোগ্য,  ট্রেন্ড  লোক বসাতে পারি, সঠিক নিয়ম, সিস্টেমটা যদি আমরা পালন করি, অপরের জন্য নয় নিজের জন্য, তাহলে ইনশাআল্লাহ্‌ শুদ্ধি অভিযান অবশ্যই হবে। সাংবাদিকদের স্বাস্থ্য খাতের ইতিবাচক দিক তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘যদি আমরা খুব বেশি  নেগেটিভ সাইড তুলে ধরি, তবে জনমনে বিরূপ ধারণা তৈরি হবে। তাহলে আমাদের  লোকাল  হেল্‌থ সেক্টর সাফার করবে। বিদেশি হেল্‌থ  সেক্টর ফ্ল্যারিস করবে। এটা আপনাদের মনে রাখতে হবে।’
স্বাস্থ্যসবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে সভায় সংশ্লিষ্ট আট বিভাগের প্রধানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি সম্পাদন করা বিভাগগুলো হচ্ছে- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর,  কেন্দ্রীয় ঔষধাগার, নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য  প্রকৌশল অধিদপ্তর, ন্যাশনাল ইলেকট্রো  মেডিকেল ইকুইপমেন্ট  মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড  ট্রেনিং সেন্টার (নিমিউ অ্যান্ড টিসি), ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স অর্গানাইজেশন (টেমো) ও এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর