× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

পঞ্চগড় সীমান্তে মরদেহ উদ্ধার

বাংলারজমিন

পঞ্চগড় প্রতিনিধি | ৩১ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ৮:০৫

ভারতীয় চা বাগানের লোকজনদের তাড়া খেয়ে করতোয়া নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৩৬ ঘণ্টা পর ভেসে উঠলো লতিফুল ইসলাম ওরফে কংরেজের (৪২) মরদেহ। গতকাল সকালে ঘটনাস্থলের প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার বেংহারী বনগ্রাম ইউপি’র করতোয়া নদীর সোনাচান্দি ঘাটে তার লাশ ভেসে ওঠে। স্থানীয়রা লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। সদর উপজেলার মীরগড় সীমান্ত সংলগ্ন পশ্চিমপাড়া এলাকার নিহত লতিফুল ইসলাম ওরফে কংরেজের বেঁচে যাওয়া স্ত্রী সাহেদা বেগম ও ধাক্কামারা ইউপি সদস্য জাহের আলী বলেন, মঙ্গলবার বিকালে লতিফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সাহেদা বেগম ভারতীয় সীমান্তের কাছে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান। এ সময় ভারতীয় চা বাগানে কাজ করা নাগরিকরা গুলাল ও দা নিয়ে তাদের ধাওয়া করে। এতে প্রাণভয়ে পালানোর সময় তারা করতোয়া নদীতে ঝাঁপ দেয়। নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় লতিফুল ওরফে কংরেজ নিখোঁজ হয়।
এ সময় সেখান থেকে কিছু দূরে সাহেদা বেগমকে নদীর পানিতে হাবুডুবু খেতে দেখে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন। পরে সাহেদার কথা অনুযায়ী তার স্বামীকে নদীতে খুঁজতে থাকে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে সন্ধ্যার পর পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলেও ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় হওয়াসহ  স্রোতের গতি বেশি থাকায় তারা উদ্ধার অভিযান চালাতে পারেনি।
নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ উদ্ধারের কথা স্বীকার করে বোদা থানার ওসি (তদন্ত) আবু সায়েম মিয়া বলেন, লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজেলার মীরগড় পশ্চিমপাড়া গ্রামে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর