× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার

চকরিয়ায় কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ মাদক কারবারি নিহত

বাংলারজমিন

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি | ৩১ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ৮:০৩

কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ অজ্ঞাতনামা তিনজন নিহত হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, নিহত তিনজন মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসী ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার বানিয়াছড়ার পাহাড়ের আমতলী গর্জনবাগান এলাকায় কথিত এই বন্দুকযুদ্ধ হয়। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
 
পুলিশের ভাষ্য, এ ঘটনায় চকরিয়া থানার ওসিসহ চারজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। তাঁরা হলেন, ওসি মো. হাবিবুর রহমান, হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সদস্য সাজ্জাদ হোসেন ও মো. সবুজ। তবে তাৎক্ষণিক নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ তাদের পরিচয় নিশ্চিতে তথ্য সংগ্রহ করছে।
ঘটনাস্থল থেকে ৪৪ হাজার ইয়াবা বড়ি, একটি একনলা বন্দুক, একটি দেশীয় তৈরী এলজি ও ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ১৫টি কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

চকরিয়া থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে দেড়টার দিকে বরইতলী নতুন রাস্তার মাথা এলাকা থেকে জাহেদা বেগম ও মোজাফ্ফর আহমদ নামের দুইজন মাদক কারবারিকে ৬ হাজার পিস ইয়াবা বড়িসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা তথ্য দেয়, রাতে একদল ইয়াবা কারবারি উপজেলার বানিয়াছড়ার পাহাড়ের আমতলী গর্জনবাগান নামক এলাকায় ইয়াবার একটি বড় চালান হাত বদল করবে।

এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে অবস্থান করা অন্ত্রধারী ইয়াবা কারবারিরা গুলি ছুড়তে শুরু করে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে পুলিশের চার সদস্য আহত হন। একপর্যায়ে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনজন ইয়াবা কারবারি ও সন্ত্রাসীদের পাওয়া যায়। তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক গুলিবিদ্ধ তিনজনকে মৃত ঘোষণা করে।  

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাদিয়া সোলতানা বলেন, ‘রাতে তিনজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাঁদের মৃত্যু হয়। তাঁদের প্রত্যেকের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে। এছাড়া থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান, ইন্সপেক্টর আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সদস্য সাজ্জাদ হোসেন ও মো. সবুজকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ‘লাশ তিনটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় হত্যা, অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক তিনটি মামলা রুজু করা হচ্ছে।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kabir
১ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ১২:০০

বিষয়ঃ পুলিশের ফায়ারে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা স্যার নিহত হওয়া প্রসঙ্গে। স্থানঃ শ্যামলাপুর আর্মি ক্যাম্প। বিস্তারিতঃ গত ৩ জুলাই ২০২০ ইং তারিখে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা এবং সাথে আরও তিনজন নিয়ে ইউটিউব এর ট্রাভেল ভিডিও (জাস্ট গো) তৈরি করার জন্য ঢাকা থেকে কক্সবাজারে আগমন করেন। সাথে ছিলেন ডাইরেক্টর শিপ্রা, ক্যামেরাম্যান সিফাত ও আরো একজন নিয়ে নীলিমা রিসোর্টে অবস্থান গ্রহণ করেন। নীলিমা রিসোর্ট থেকে ভিডিও ধারণের জন্য বাহারছড়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের রাতের ভিডিও ধারণ করার জন্য ২০০০ ঘটিকার সময় মেজর সিনহা ও সিফাত পাহাড় দেখতে আসেন। লাইটের আলো দিয়ে পাহাড়ে অবস্থান গ্রহণ করলে স্থানীয় বাসিন্দারা ডাকাত দল ভেবে পুলিশকে খবর দেন। এই পরিস্থিতিতে মেজর সিনহা ও সিফাত পাহাড় থেকে নেমে এসে মেরিন ড্রাইভ রোডে প্রাইভেট কারে উঠে নীলিমা রিসোর্ট এর উদ্দেশ্যে গমন করার সময় বিজিবির চেকপোষ্টে মেজর সিনহা পরিচয় দিয়ে চলে আসে। পরবর্তীতে লামাবাজার পুলিশ চেকপোস্টে এলে পুলিশের সাথে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা বলে পরিচয় দেন। পুলিশ তাকে ডাকাত ভেবে চেক করতে গেলে পুলিশের সাথে তর্কাতর্কি হয়। মেজর সিনহা স্যার বলে তোমরা আমার গাড়ি চেক করতে পারো না। গাড়ি চেক করতে হলে তোমার ওসি সাহেবকে আসতে বল। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ইন্সপেক্টর লিয়াকত সাহেব কে ব্যাপারটি জানায়। ইন্সপেক্টর লিয়াকত সাহেব তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে বেঁধে রাখার নির্দেশ দেন। কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা মেজর সিনহা কে বলে আপনারা যেই হোন না কেন আপনাদের গাড়ি আমাদের চেক করতে হবে আপনারা গাড়ি থেকে নামুন। মেজর সিনহা গাড়ি থেকে নামার সাথে সাথে হাত-পা বেঁধে রোডের উপরে শুয়ে রাখে। এই অবস্থায় ইন্সপেক্টর লিয়াকত সাহেব আসেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে তাদের সাথে তর্ক বিতর্ক হয়। তর্ক বিতর্ক হওয়ার কারণে মেজর সিনহা কে গত ৩১ জুলাই ২০ ইং তারিখে ২১২০ ঘটিকার সময় বুকে এবং গলার নিচে তিন রাউন্ড ফায়ার করে। সিফাতকে হাত-পা বেঁধে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়। অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সিভিল মিনি ট্রাকে করে কক্সবাজার সদর হসপিটালে নিয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে কর্নেল জিএস (ডিজিএফআই)স্যার ও RAB এর মেজর মেহেদী, এমপির এ্যাডজুটেন্ট ক্যাপ্টেন আহোনাত, পুলিশের এডিশনাল এসপি মোহাম্মদ ইকবাল, শ্যামলাপুর ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মুনতাসির আরেফিন স্যার সহ বাহারছড়া পুলিশের তদন্ত কেন্দ্রে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

অন্যান্য খবর