× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৬ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার
দ্য হিন্দু বিজনেস লাইনের রিপোর্ট

কথোপকথনে ড. ইউনূস-রাহুল গান্ধী যা বললেন

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৩১ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ৯:৫৯

এক নতুন বিশ্ব গড়ার সুযোগ এনে দিয়েছে করোনা মহামারি। একই সঙ্গে এই মহামারি আকস্মিকভাবে অর্থনীতির মেকানিজমকেই থামিয়ে দিয়েছে। ভারতের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথোপকথনের সময় এ কথা বলেছেন নোবেল পুরস্কার পাওয়া একমাত্র বাংলাদেশী ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তিনি বলেছেন, করোনা মহামারি আমাদের সমাজের দুর্বলতাকে প্রকাশ করে দিয়েছে। এ খবর দিয়েছে দ্য হিন্দুর বিজনেস লাইন। এতে বলা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, কতটা বড় ও জোরালো সিদ্ধান্ত নিতে হবে তা পিছন ফিরে দেখার জন্য বিশ্বকে সুযোগ এনে দিয়েছে কোভিড-১৯। তার ভাষায়, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে, এসব ইস্যুতে আমরা মনোযোগ দিই না। আমরা অর্থ বানানোর জন্য খুব বেশি ব্যস্ত থাকি।
তাই আমি বলি, করোনাভাইরাস আমাদেরকে একটি অবকাশ দিয়েছে এবং আমাদেরকে একটি ভয়ানক পৃথিবী বেছে নিতে হবে, যে পৃথিবী যেকোন উপায়ে নিজেকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। অথবা আমাদেরকে এমন নতুন একটি পৃথিবী গড়ে তুলতে হবে, যেখানে কোনো বৈশ্বিক উষ্ণতার ইস্যু থাকবে না। সম্পদ কেন্দ্রীভূত করা বা বেকারত্বের ইস্যু থাকবে না। এটা সম্ভব।
তিনি আরো বলেন, ভারতে শুধু বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা বাড়ছে। আপনারা জানেন, কোথায় বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা বাড়ছে। বিস্ময়কর বিষয় হলো, বাংলাদেশ বা ভারতের মতো দেশে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা বৃদ্ধির হার অনেক বেশি। এর অর্থ হলো, সম্পদ শুধু একমুখী এবং তা দ্রুত বৃদ্ধি পায় যদি আপনি জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক বোঝাপড়াকে ব্যবহার করতে পারেন।
রাহুল গান্ধী বলেন, জনগণকে আমাদের প্রচলিত রীতি সম্পর্কে চিন্তা করতে হবে। ওয়ানাদ থেকে নির্বাচিত রাহুল গান্ধী বলেন, এখন অবশ্যই আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। কিন্তু আমার মনে হয় ভারতীয় স্ট্রাকটার, বাংলাদেশি স্ট্রাকটার বা এশিয়ান স্ট্রাকচার হিসেবে এসব ডিজাইন নিয়ে ভাবতে হবে এবং এটা হতে হবে শক্তিশালী। আমি আপনার সঙ্গে একমত যে, এখানে গ্রামীণ মানুষের সঙ্গে সমতা আনতে হবে। কোভিড-১৯ আমাদেরকে একটি ব্রান্ড নতুন কল্পনার সুযোগ এনে দিয়েছে। যা এসেছে আমাদের ভিতর থেকে, আমাদের ভিতর থেকে বিরোধিতা বেরিয়ে এসেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Santosh Ghosh
১ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ৭:০৩

কথাগুলো সত্যি। ধনতন্ত্রী বিশ্বের চেহারা টা করোনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। এতো দিন জানতাম, সব কিছুতেই উন্নত বিশ্বের ধনী দেশ গুলো। অথচ তাদের চিকিৎসা ও সামাজিক সাংস্কৃতি করোনার জেরে বিপর্যস্ত। আমাদের গ্রামের ছবি বরং অনেক ভালো। এই অবস্থায় এখনো তারা মাঠে চাষ করছে বলেই তো এখনো খাদ্য সরবরাহ বজায় আছে। গ্রামের মানুষ তো সরাসরি বলছে, করোনা বড়লোকের অসুখ। তবে শহর কেন্দ্রিক শ্রমিকদের অবস্থা খুব খারাপ। লক-ডাউন ও কারখানা বন্ধ হওয়ার জের এদের সর্বনাশ করছে। ঠিক কথা বলেছেন, আমাদের পরিচিত বিশ্বের চেহারা বদলে যাচ্ছে। এর প্রতিফলন শ্রমিক কৃষক মেহনতি মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতা বদলের মাধ্যমে হলে দেশে দেশে পরিবর্তন ঘটবেই ঘটবে। মতামত জানানোর সুযোগ দেওয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। শুভেচ্ছা নেবেন

ফরিদ উদ্দিন
১ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ৩:৩৯

গ্রাম কে গুরুত্ব দিতে হবে।

অন্যান্য খবর