× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১১ আগস্ট ২০২০, মঙ্গলবার

সোহেল কসাইয়ের ঈদ বোনাস ১,৪৫০০০ টাকা

অনলাইন

শামীমুল হক | ১ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ৩:১৪

সোহেল কসাই একদিনে আয় করেছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। আজ ঈদের দিনে তিনি ৯টি গরু ও ৪ টি ছাগল কাটাছেঁড়া করে এ পরিমাণ টাকা আয় করেন। অবশ্য তিনি একে ঈদ বোনাস হিসাবে আখ্যায়িত করেন। বলেন, মাতুয়াইলে আমার মাংসের দোকান আছে। কসাই হিসাবে সবাই আমাকে চেনেন। প্রতি বছর কোরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে আমরা কসাইরা উৎসবে মেতে উঠি। অন্যান্য বছর ১৪/১৫ টি গরু পেলেও এবার পেয়েছি ৯ টি। আমার দলে চারজন সদস্য।
সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করি। এরপর হাসি মুখে টাকা নিয়ে বাসায় ফিরি। টাকা ছাড়াও সবাই খুশি মনে মাংস দেন। যা আমাদের জন্য বাড়তি পাওনা। সোহেল বলেন, এবার মূল্য হিসাবে হাজারে ১২০ টাকা করে মজুরি নিয়েছি। লাখে ১২০০০ টাকা। কেউ আরো বেশি নিয়েছে। সর্বনিম্ন হাজারে ১০০ টাকা করে নিয়েছে কেউ কেউ। কসাই সোহেলের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফলের কালাইয়া। তিনি বলেন ঢাকায় কসাইয়ের কাজ করি এক যুগের উপরে। আজ তার সঙ্গে কথা হয় কদমতলীর মদিনাবাগে। ব্যবসায়ী সেলিম রেজার গরুর চামড়া ছাড়ানো থেকে মাংস কাটার কাজ করেন কসাই সোহেল। সেলিম রেজা এক লাখ চল্লিশ হাজার টাকা দিয়ে গরু কেনেন। তিনি বলেন, প্রতি বছরই কসাই সোহেল আমার কোরবানির গরুর কাজ করেন। এজন্য তাকে এবার দিতে হয়েছে হাজারে ১২০ টাকা করে। মোট দিয়েছি ১৪ হাজার ৮০০ টাকা। সেলিম রেজা বলেন, আমরা এ কাজ করলে সন্ধ্যা হয়ে যাবে। তাছাড়া চামড়া ছাড়াতে পারিনা। কসাইকে দিলে দ্রুত কাজ শেষ হয়ে যায়। সবচেয়ে বড় কথা গরু কাটাছেঁড়া করার যন্ত্রপাতিও নেই। মোট কথা মনে হয় এটা ঝামেলার কাজ। তাই কসাইয়ের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি। আরেক ব্যবসায়ী আলী হোসেনও ঝামেলামুক্ত থাকতে কসাইয়ের দারস্থ হন প্রতি বছর। এবার তিনি বিল্লাল কসাইয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। বিল্লাল কসাই নিয়েছেন গরুর মূল্যের উপর হাজারে ১০০ টাকা করে। কোরবানি দাতাদের কাছে এ টাকা মজুরি হলেও কসাইরা একে মনে করেন ঈদ বোনাস। তারা আনন্দ নিয়ে কাজ করেন। বোনাস নিয়ে বাড়ি ফেরেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Akbar Ali
২ আগস্ট ২০২০, রবিবার, ৮:২৪

বোনাস যতই বেশী হোক, ওর চামড়ার মাংশ ছিলে আর গরু, ছাগলের বিচি খাওয়ার অভ্যেস যাবে না। আর যাবেনা মাংশে হাড্ডি মেশানোর অভ্যেস। যেমন ছুতারের ফার্নিচারে গরমা মিশানো আর মাঝির(মাছ ব্যবসায়ী) মাছে মানি দিয়ে ওজনে ফাঁকি দেবার অভ্যেস যায় না।

অন্যান্য খবর