× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৬ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার

ভিন্ন পরিবেশে ওদের ঈদ উদযাপন

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ৬:৪৮

 

করোনার কারণে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ, তাই পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে যেতে পারেননি মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের মালির ফুটবলার সুলেমান।সুলেমানের মতোই মোহামেডান ক্লাবেই ঈদ উদযাপন করেছেন তাঁর স্বদেশি ওসমান বার্থ ও নাইজেরিয়ার ফুটবলার স্ট্যানলি আমাদি।

ঢাকায় ঈদ করলেও সুলেমানের মনটাও পড়ে আছে ভিয়েতনামে থাকা মেয়ের কাছে। কিন্তু করোনার কারণে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় বুকে পাথর চেপে ঈদ পালন করছেন তিনি। এই প্রথমবার ঈদে পরিবার ছেড়ে এত দূরে করেছেন।মেয়েটির বয়স চার—টুকটুক করে কথা বলে! হোয়াটসঅ্যাপ বা মেসেঞ্জারের ভিডিও কলে যখন মেয়ের চেহারা ভেসে ওঠে, তখন বাবা হিসেবে তীব্র কষ্ট অনুভব করেন জানিয়ে সোলেমান বলেন,  মনে হয়, সব ছেড়ে ছুড়ে মেয়েটির কাছে চলে যাই। কিন্তু সেটা তো সম্ভব নয়! সবচেয়ে কষ্টের বিষয়, কবে  মেয়ের কাছো যেতে পারবো, সেটিও জানিনা। আপাতত, করোনাকাল পেরিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় আছি।

২০১৬ সালে সুলেমান-দম্পতির কোল জুড়ে আসে ফাতিমা। ২০১২ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত ভিয়েতনাম লীগে খেলার সময়ই ভিয়েতনামের মেয়ে লিনের সঙ্গে আলাপ, সেখান থেকেই প্রেম, পরিণয়। সুলেমানের চাওয়া, দ্রুতই যেন ভিয়েতনামে চলে যেতে পারেন। আবার জড়িয়ে ধরতে পারেন মেয়ে ফাতিমাকে।

স্ত্রী লিনের সঙ্গে কাটাতে পারেন মধুর সময়।

সুলেমানের মতোই মোহামেডান ক্লাবে আছেন তাঁর স্বদেশি ওসমান বার্থ ও নাইজেরিয়ার ফুটবলার স্ট্যানলি আমাদি। ওসমানের পাঁচ সন্তান। ৩৩ বছর বয়সী এই ফুটবলার গত ডিসেম্বরে যখন বাংলাদেশে পা রেখেছিলেন তখন তাঁর সবচেয়ে ছোট ছেলে আয়াজের বয়স মাত্র এক মাস। এসব বিদেশিদের কষ্টের ক্ষতে কিছুটা প্রলেপ দেওয়ার চেষ্টা করেছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। কোরবানি দেওয়ার জন্য ক্লাবের পক্ষে থেকে তাঁদের দেওয়া হয়েছে একটি খাসি। সকালের নামাজ শেষে ক্লাবের ইমামকে সঙ্গে নিয়ে শেষ করা হয়েছে কোরবানি পর্ব। দুপুরের শুরুতে সেই মাংস দিয়ে এরই মধ্যে এক পর্ব বারবিকিউ হয়ে গিয়েছে বিদেশি ফুটবলারদের।

ক্লাবের এই আতিথেয়তায় বেজায় খুশি সুলেমান ,‘ ক্লাব আমাদের জন্য একটি খাসি কোরবানির ব্যবস্থা করেছে। সকালে নামাজ পড়ে এসে ক্লাবের কিছু মানুষের সঙ্গে কোরবানি দিয়েছি। কিছুটা হলেও ঈদের আমেজ পাচ্ছি। এজন্য ক্লাবকে ধন্যবাদ।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর