× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার

টেকনাফ থানার ওসি প্রত্যাহার

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ৫ আগস্ট ২০২০, বুধবার, ৯:১১

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রত্যাহার করা হয়েছে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাসকে। তার স্থলে এবি এম এস দোহাকে নতুন অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) হিসাবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এর আগে দুপুরে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ থানার পুলিশের ৯ সদস্যর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ এনে মামলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
রিপন
৬ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৯:০৬

মাদক ইয়াবা সিনডিকেটের এই বড় ইয়াবা কারবারী ওসি দাস বাবুকে ক্রসফায়ারে গুলি করে মেরে ফেলে তার মরা দেহ তার স্বদেশে পাঠিয়ে দিতে বাধে কোথায়? কেন অতসব প্রত্যাহার নাটক করা হচ্ছে? প্রত্যাহার নয়, প্রত্যর্পণ চাই; - এই ইয়াবা কারবারীকে মেরে তার লাশ, তার স্বদেশের ইয়াবা সিনডিকেটের কাছে প্রত্যর্পণ করা হোক। সেসাথে প্রকাশ করা হোক বাংলাদশে এরকম আর ক'জন পরদেশী গুপ্তচর-ঘাতক, কাদের আশ্রয় প্রশয় পৃষ্ঠপোষকতা, সমর্থনে আর কোথায় কোথায় এভাবে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে বসে আছে? এবং সুযোগ পেলেই বাংলাদেশ আর্মির অফিসারদেরকে দায়মুক্তভাবে হত্যা মিশনে রত রয়েছে? মেজর মিসটার সিনহা-ই শেষ নয়, এই কিলিং মিশনে আরও বহু আর্মি অফিসার হরেক ঘটনা দুর্ঘটনায় হরেক চক্করে চক্কোরে নিকট অতীতেও মারা গেছে, মারা পড়বে বেঘোরে একে একে আগামীতেও। কেন আর্মির বিরুদ্ধে এভাবে ঘাতক লেলিয়ে দেয়া? এদেশের আর্মিকে দু'চোখে দেখতে পারো না, তবু্ও হাভাতে কাঙালেপনায় বেহায়ার মতো এদেশের মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছো কেন? এদেশটাকে ক্রিমিনালের স্বর্গরাজ্য বানিয়ে ছাড়ছো কেন কো্ন্ দুরভিসন্ধিতে? চলে যাও এদেশ ছেড়ে অন্য দেশে। দেখি, নিজ যোগ্যতায় ভিন সেই দেশে কোন্ মাতারি ঠিকা ঝি বারোয়ারি দেহপসারিনী, কামলার কাজ জোটে তোমাদের বরাতে। যত ঘুরপাক চক্কোর ডামাডোল, সব গিয়ে এসে শেষ হয়, আমাদের আরমি অফিসার নিধনে। কি সেবারকার বিডিআর বিদ্রোহ, কি এবারকার ইয়াবা বিদ্রোহ - সবখানেই ডামাডোল শেষে গিয়ে মরে আমাদের আরমি অফিসাররা। কী অন্যায় করেছিল আমাদের আরমি? আমাদের আরমি কি তোমাদের বাড়া ভাতে ছাই দিয়েছিল কখনও? অতই যদি হিংসা করো আমাদের আারমিকে, পথের কাঁটা মনে করো আমাদের আরমিকে, তবে অহেতুক ওদেরকে আর খুন করার চেষ্টা করো না। ওরা আমাদের বহু কষ্ট ত্যাগ তিতিক্ষার বিনিময়ে তিল তিল করে গড়ে তোলা আমাদের প্রত্যাশার, আমাদের স্বপ্নেরই অপর নাম - দুর্বার দুর্বিনীত অপরাজেয় ক্ষত্রিয়, আমাদের সার্বৈভৌমত্ব সুরক্ষার দুর্মদ ফ্রন্ট লাইন। ওদেরকে ভালো না লাগলে চলে যাও এদেশ ছেড়ে। ওদেরকে, আমাদের গর্বিত সন্তানদেরকে বুকে নিয়ে আমরা পড়ে রইেবা এ করুণ ডাঙায় । "তোমার যেখানে সাধ চলে যাও, আমি রয়ে যাবো জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা এই করুণ ডাঙায়।"

Borno bidyan
৫ আগস্ট ২০২০, বুধবার, ৯:০০

শুধু প্রত্যাহার কেন! গ্রেফতার নয় কেন ?

অন্যান্য খবর