× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার
সিনহার মৃত্যু

দুই সাক্ষী চোখেও দেখেননি, কানেও শোনেননি

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ৭ আগস্ট ২০২০, শুক্রবার, ৮:৫৬

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহতের ঘটনার পরপরই মামলা করে পুলিশ। সেই মামলায় যাদের সাক্ষী করা হয়েছে তাদের দুইজন জানিয়েছেন তারা ঘটনা চোখেও দেখেননি, কানেও শোনেননি। অথচ ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন। তাদের দাবি, এক প্রকার ভয়েই পুলিশের কথা মতো সাদা কাগজে সই করে সাক্ষী হয়েছেন। সাংবাদিকদের এসব তথ্যই জানিয়েছেন এ দুই সাক্ষী।

পুলিশের দায়েরকৃত মামলার এজাহার মতে, মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহতের ঘটনায় অস্ত্র ও ইয়াবার পৃথক যে দুইটি মামলা থানায় রেকর্ড হয়েছে সেখানে পুলিশ সদস্য ছাড়াও সাক্ষী করা হয়েছে স্থানীয় তিনজনকে। তারা হলেন টেকনাফের মারিশবুনিয়ার নুরুল আমিন, মো আইয়াস ও মোহাম্মদ হামিদ।

মামলার এক নম্বর সাক্ষী নুরুল আমিন সাংবাদিকদের বলেন, সিনহা হত্যাকা- নিজের চোখে কিছুই দেখেননি তিনি।
পাশাপাশি শুনেছেনও অনেক পরে। যে সময় শুনেছেন ওই সময় সিনহার কোনো আলামতও ঘটনাস্থলে ছিল না। আরেক সাক্ষী মারিশবুনিয়ার মো. আইয়াস সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে ডেকে নেয়া হয় আমিনসহ তাকে। পরের দিন সকালে টেকনাফ থানায় নিয়ে স্বাক্ষর করানো হয় সাদা কাগজে।
আইয়াস বলেন, আমি স্বেচ্ছায় সাক্ষী দিইনি। জোর করে অনেকগুলো কাগজে সই করাইছে পুলিশ। কিন্তু প্রতিবাদ করার সাহস ছিল না।

উল্লেখ্য, ৩১শে আগস্ট (শুক্রবার) রাত ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।
এ ঘটনায় বুধবার কক্সবাজারে টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওসি প্রদীপ ও পরিদর্শক মো. লিয়াকতসহ ৯ জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা দায়ের করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
ফারুক হোসেন
৯ আগস্ট ২০২০, রবিবার, ৬:০৬

কয়েকদিন ফেইসবুক গরম করব, লীড নিউজে সংবাদ বের হবে। অতপর সব আগের মতোই চলবে। রক্ষক যখন ভক্ষক হয় বিচারের বানী তখন নিভৃতে কাঁদে। যে দেশে একজন চৌকস আর্মি অফিসার নিরাপদ নয় সেখানে সাধারন মানুষ কতটা নিরাপদ? আমার প্রশ্ন এটাই কি সোনার বাংলা?

tazim
৭ আগস্ট ২০২০, শুক্রবার, ১১:৪২

পুলিশ বিরক্ত হইয়া হুদাই আর্মির মেজর রে গুলি কইরা মাইরা ফেলসে | এই দেশে আর এইটা দেখার বাকি ছিলো | নাথিং সক্স মি এনিমোর |

তপু
৭ আগস্ট ২০২০, শুক্রবার, ৯:৩৪

থানায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

Habib
৭ আগস্ট ২০২০, শুক্রবার, ১০:০৬

All this happening because he is a major. Justice is for all powerfuls.

ইকবাল কবির
৭ আগস্ট ২০২০, শুক্রবার, ৮:৫৮

প্রতিটি বন্দুকযুদ্ধ বা ক্রসফায়ারের ঘটনায় এমন সাক্ষী নেয়া হয়,একজন ম্যাজিষ্ট্রেট তদন্তের সময় তাদের সামনে এই সাক্ষীদের হাজির করে মামলায় যা লেখা সে অনুযায়ী সাক্ষীরা বক্তব্য দেয়।তখন তদন্ত শেষে বন্দুকযুদ্ধ প্রমাণ হয় ও মামলা ক্লোজ করা হয়।অনুসন্ধান করলে এমন বহু ঘটনা বের হবে।এক্ষেত্রেও তাই করা হয়েছিলো।নতুন কিছু নয়।

অন্যান্য খবর