× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, শনিবার

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ দৃশ্যমান

বাংলারজমিন

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি | ৮ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ৭:২১

সরকারের ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পের অন্যতম দোহাজারী থেকে কক্সবাজার ১০০ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ কাজ এখন দৃশ্যমান। রেলপথ বসানোর জন্য মাটির রাস্তা থেকে শুরু করে ব্রিজ, কালভার্ট, তৈরির কাজ চলছে দিনরাত। নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে কক্সবাজার রেল স্টেশনেরও। নির্মাণ কাজের সার্বিক অগ্রগতি ৩৩ শতাংশ। তবে এখনো জমি অধিগ্রহণ নিয়ে কিছু ঝামেলা রয়ে গেছে।
প্রকল্প পরিচালক মফিজুর রহমান জানিয়েছেন, যে গতিতে কাজ চলছে তাতে নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের কাজ শেষ করা যাবে। তিনি বলেন, ছোট-খাটো কয়েকটা সমস্যা রয়েছে। নির্মাণ কাজ শতভাগ শেষ হওয়ার আগেই এগুলোর সমাধান হয়ে যাবে।
২০২২ সালের জুন মাসেই এই পথে ট্রেন চলবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তবে রেলওয়ের অন্য সূত্রগুলো বলছে, জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু জটিলতা এখনো থেকে যাওয়ায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পের শতভাগ কাজ করার পথে বড় প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াতে পারে।
জানা গেছে, রাজধানী ঢাকা এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপনের জন্য চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার এবং কক্সবাজার থেকে মিয়ানমার সীমান্তের ঘুমধুম পর্যন্ত আরো ২৮ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার। দীর্ঘ সমীক্ষা শেষে ২০১০ সালে এই নতুন রেলপথ স্থাপনের জন্য সরকার ওই বছরের ৬ই জুলাই প্রকল্পের ডিপিপি অনুমোদন দেয়। এরপর প্রকল্পের সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদিত হয়। ওই সময়ই প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদকাল জুলাই ২০১০ থেকে জুন ২০২২ পর্যন্ত স্থির  করে দেয়া হয়। এখন পর্যন্ত সেই লক্ষ্যেই কাজ এগিয়ে চলছে। প্রকল্পটি ফাস্ট ট্র্যাকের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ২০১৬ সালের ২৭শে এপ্রিল। তবে প্রথম দফায় এই প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ হবে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ। রামু থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ হবে দ্বিতীয় ধাপে। সরকারের নিজস্ব এবং এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। ২০১৮ সালের মার্চ ও ১লা জুলাই থেকে দুই লটে প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ করছে চীনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (সিআরইসি) ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড এবং চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি) ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড।  

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর