× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, রবিবার

মনোহরগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের রোষানলে যুবলীগ নেতা ইকবাল

বাংলারজমিন

মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) প্রতিনিধি | ৮ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ৮:১৮

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের রোষানলে পড়েছেন উপজেলার বিপুলাসার ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইকবাল মাহমুদ। সম্প্রতি একাধিকবার তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে মনোহরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিপুলাসার ইউনিয়নের সাইকচাইল গ্রামে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছে একই গ্রামের মৃত নুরুল হকের ছেলে মো. সেলিম, আরব আলীর ছেলে সালাউদ্দিন, হেদায়েত উল্লাহর ছেলে শাহজাহান সাজু, সাদেক আলীর ছেলে রবিউল হোসেন ও মৃত সামছুল হকের ছেলে সুজনদের সংঘবদ্ধ চক্র। বিপুলাসার ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইকবাল মাহমুদ তাদের যাবতীয় অপকর্মের প্রতিবাদ করায় বছরখানেক আগে তারা ইকবাল ও তার ভাই সুমনকে বেধড়ক মারধর করে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী যুবলীগ নেতা ইকবাল মাহমুদ বাদী হয়ে ২০১৯ সালের ১৩ই আগস্ট মনোহরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত সেলিম ও রবিউলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করে মনোহরগঞ্জ থানা পুলিশ। সম্প্রতি তারা জামিনে এসে মামলা নিষ্পত্তি করতে যুবলীগ নেতা ইকবালকে চাপ প্রয়োগ করে। এরই প্রেক্ষিতে গত ২রা আগস্ট রোববার অভিযুক্তরা পুনরায় ইকবালের ওপর হামলা করে।
তারা বেধড়ক মারধর করে ইকবালের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইকবালের ডান হাত মারাত্মক জখম হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এসময় হামলায় ব্যবহৃত একটি দেশীয় অস্ত্র (ছোরা) উদ্ধার করেছে নাথেরপেটুয়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ জাফর ইকবাল। আহত যুবলীগ নেতা ইকবাল মাহমুদ মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
এ বিষয়ে বিপুলাসার ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইকবাল মাহমুদের ভাই আক্তারুজ্জামান সুমন বাদী হয়ে গত ৩রা আগস্ট মনোহরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগকারী আক্তারুজ্জামান সুমন বলেন, ‘তাদের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় আমার ভাইসহ আমরা পুরো পরিবার তাদের রোষানলে পড়েছি। তারা আমাদেরকে নিশানা বানিয়ে আমাদের ওপর একের পর এক হামলা চালিয়ে আসছে। মামলা নিষ্পত্তি না করলে আমাদেরকে প্রাণনাশের হুমকিও দিচ্ছে। যার ফলে আমরা সপরিবারে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাদের রোষানল থেকে মুক্তি পেতে আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার মোবাইলফোনে চেষ্টা করেও অভিযুক্তদের বক্তব্য নেয়া যায়নি।
মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর