× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, শনিবার

ডুমুরিয়া মহাসড়কে যে কারণে ঘটছে অহরহ দুর্ঘটনা

বাংলারজমিন

সুমন ব্রহ্ম, ডুমুরিয়া (খুলনা) থেকে | ৯ আগস্ট ২০২০, রবিবার, ৮:৫৯

ডুমুরিয়া মহাসড়কের দুর্ঘটনা এখন নিত্যদিনের সঙ্গী। একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটলেও সেব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। দক্ষিণাঞ্চলের সব চেয়ে বড় বাণিজ্যিক শহর চুকনগর বাজার। এই বাজারটিও ডুমুরিয়ায় অবস্থিত হওয়ার কারণে এটাকে ট্রানজিট পয়েন্ট বলা হয়ে থাকে। কিন্তু এই খুলনা-চুকনগর রোডে একের পর ঘটে চলেছে দুর্ঘটনা। এর মূল কারণ হিসেবে ফিটনেসবিহীন যান চলাচল সহ অদক্ষ চালক ও দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানোকে দায়ী করছেন অনেকে। এছাড়াও ডুমুরিয়া-চুকনগর মহাসড়কে অনেকগুলো ঝুঁকিপূর্ণ মোড় রয়েছে। সেগুলোতে সওজ কর্তৃক ট্রাফিক সাইন পোস্ট লাগানো থাকলেও এই রোডে নেই কোন গতিসীমার সাইন পোস্ট।
বিশেষ করে বালিয়াখালী ব্রিজ, বরাতিয়া মোড় ও কাঠালতলা বাজার এলাকাতে দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, দ্রুতগতিতে গাড়ি চলানোর পাশাপাশি উঠতি বয়সের যুবকদের অনিয়ন্ত্রিতভাবে মোটরসাইকেল চালানোর ফলে ঘটছে দুর্ঘটনা। তবে উল্লিখিত দুর্ঘটনা এলাকাগুলোতে রোড ডিভাইডার দিলে দুর্ঘটনা কম হবে বলে মনে করেন অনেকে। সংশ্লিষ্ট অফিসে খোঁজ নিলে জানা যায়, চলতি বছরে মহাসড়কের দুর্ঘটনার কারণে নিহত হয়েছেন ৯ জন এবং আহত হয়েছেন প্রায় শতাধিক। প্রতি মাসেই ৮-১০টি দুর্ঘটনা ঘটছে এই মহাসড়কে। যদিও খর্ণিয়া হাইওয়ে পুলিশের থানাতে ৩টি স্পিড গান মেশিন রয়েছে। কিন্তু সেগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে না। এটা ব্যাবহার না করার কারণ হিসাবে উল্লেখ করেছেন, তাদের কাছে নেই কোন কেসস্লিপ, কোন ধরনের অপরাধের জন্য তারা গ্রহণ করতে পারছে না শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। যে কারণে বেপরোয়া এবং অনিয়মের মধ্য দিয়ে গাড়ি চালিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে চালকরা। এব্যাপারে কথা বললে নির্বাহী প্রকৌশলী (সওজ) মো. আনিসুজ্জামান মাসুদ দৈনিক মানবজমিনকে বলেন, আমি সরজমিনে পরিদর্শন করে ঝুঁকিপূর্ণ মোড় সহ প্রয়োজন মোতাবেক সাইনপোস্ট ও গতিনিয়ন্ত্রিত সাইন পোস্ট লাগানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। পরবর্তীতে হাইওয়ে পুলিশ সুপার (মাদারীপুর জোন) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনা রোধ কল্পে থ্রি হুইলার অপসারণ, স্পিড গান ব্যবহার ও পেট্রোলিং করছি, এবং আগামীতে হাইওয়ে পুলিশের পেট্রোল জোরদার ও আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে দ্রুত দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমিয়ে আনতে পারবো বলে আশা করছি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর