× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, শনিবার

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের গাইবান্ধার বন্যাদুর্গত চরাঞ্চল পরিদর্শন

বাংলারজমিন

সিদ্দিক আলম দয়াল, গাইবান্ধা থেকে | ৯ আগস্ট ২০২০, রবিবার, ৯:১৫

 উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি হলেও দুঃখ-কষ্ট এখনো যেন কমছেই না। উপরন্তু দুঃখ-কষ্ট দীর্ঘমেয়াদি হওয়ার আশঙ্কায় ভেঙে পড়েছে অনেকের মন। পানি কমায় বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে অনেক পরিবার। তবে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখনো কিছু পরিবারকে বাঁধের উপরেই থাকতে হচ্ছে। গতকাল মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিস্টার রবার্ট মিলার গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদ-তীরবর্তী সি প্লেনযোগে অবতরণ করেন এবং প্রত্যন্ত চরের উজালেরডাঙ্গা গ্রামের বন্যাকবলিত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় রাষ্ট্রদূত মিলার বন্যাকালীন সময়ে চর এলাকার অসহায় দরিদ্র নারীদের বিভিন্ন অসুবিধার কথা শোনেন এবং এই পরিস্থিতিতে আগামীদিনে আরো কি কি ধরনের উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা প্রয়োজন তা জানতে চান।
বন্যা পরিদর্শনকালে বেসরকারি সংগঠন কেয়ার বাংলাদেশ কর্তৃক বাস্তবায়িত সৌহার্দ্য কর্মসূচির আওতায় ৩টি উঁচুকরণ ভিটা ঘুরে দেখেন এবং তিনি ২০ জন উপকারভোগীর হাতে সহায়তা তুলে দিয়ে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাহাত গাওহারী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু রায়হান দোলন, ইউএসএইডের পরিচালক মিস্টার থমাস পপি, কেয়ার বাংলাদেশ-এর চিফ অব পার্টি ওয়ালটার মাওসা এবং অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা।
স্থানীয় সহযোগী সংগঠন এর নির্বাহী পরিচালক রাসেল আহম্মেদ লিটন জানান, বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের চলমান সহযোগিতার অংশ হিসেবে উত্তরবঙ্গের বন্যাকবলিত অঞ্চলে ঘর-বাড়ি বা জীবিকা হারানো নাজুক পরিবারগুলোকে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি)-এর মাধ্যমে জরুরি মানবিক সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
এরই ধারাবাহিকতায়, গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের সৌহার্দ্য-৩ কর্মসূচি বাস্তবায়নাধীন ৭টি গ্রামের ৫৮০টি পরিবার যারা সবচেয়ে বেশি বিপদাপন্ন, ঘর-বাড়ি হারা, ক্ষুধার্ত, আশ্রয়হীন এবং অন্যকোনো সহায়তা পায়নি, তাদেরকে চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সহায়তা প্রদান করা হবে। মানবিক সহায়তা হিসেবে প্রত্যেকটি পরিবারকে নগদ ৪,৫০০/- টাকা এবং নন ফুড আইটেম- লাইফবয় সাবান-১টি, হুইল সাবান-১টি, ডিটারজেন্ট পাউডার- ১ কেজি, স্যানিটারি ন্যাপকিন- ২ প্যাকেট, প্লাস্টিক মগ- ১টি, প্লাস্টিক বালতি (২০ লিটার)- ১টি এবং মাস্ক ২টি প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর