× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার
ক্রসফায়ারের হুমকি

কোতোয়ালী থানার ওসিসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১০ আগস্ট ২০২০, সোমবার, ৭:৫২

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ  পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করেছেন সোহেল মীর নামে এক ব্যবসায়ী। মামলায় পুলিশের বিরুদ্ধে ক্রসফায়ার দেওয়ার হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেছেন তিনি। আজ ঢাকা মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান নোমানের আদালতে মামলাটি করেছেন ওই ব্যবসায়ী।

আদালত মামলা গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে তদন্ত করে ১৬ই সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলাটি তদন্ত করবেন পিবিআইয়ের সহকারি পুলিশ সুপার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা। মামলায় আসামিদের মধ্যে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, কোতোয়ালী থানার এসআই পবিত্র সরকার, খালিদ শেখ, এএসআই শাহিনুর রহমান, কনস্টেবল মো. মিজান ও সোর্স মোতালেব।  

মামলায় বাদী ও ভুক্তভোগী সোহেল মীর উল্লেখ করেছেন, ২রা আগস্ট বিকাল চারটার দিকে তিনি কেরানীগঞ্জ থেকে বুড়িগঙ্গা নদী পার হয়ে কোতোয়ালী থানাধীন ওয়াজঘাট এলাকায় নামেন। তারপর আম্বিয়া টাওয়ার সংলগ্ন মেইন রাস্তার উপর উঠামাত্র সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশ সদস্যরা তার গতিরোধ করে, তাকে তল্লাশী করে।
এসময় অবৈধ কিছু না পেয়ে তার পকেট থাকা দুই হাজার ৯শ’ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। বাদী তার পকেট থেকে ছিনিয়ে নেয়া টাকা ফেরত চাইলে পুলিশ তাকে মারধর করে।

এসময় রাস্তায় পথচারিরা জড়ো হলে কনস্টেবল মো. মিজান ও  ওসি মিজানুর রহমান তাদের পকেট থেকে দুই প্যাকেট ইয়াবা ট্যাবলেট ভুক্তভোগীর হাতে ধরিয়ে মোবাইল ফোন দিয়ে ছবি ধারণ করে। পথচারিদের তারা জানায় প্যাকেটগুলোতে ২১৪ পিস ইয়াবা আছে। পরে সোহেল মীরকে টানা হেচড়া করে কোতোয়ালী থানা হাজতে ঢুকিয়ে রাখে। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন থানায় গেলে ওসি মিজানুর রহমান ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের জানান থানা থেকে সোহেলকে ছাড়িয়ে নিতে পাঁচ লাখ টাকা দিতে হবে। নতুবা তাকে ক্রসফায়ারে দেয়া হবে।
পরে ভুক্তভোগীর স্ত্রী ও বোন আসামিদের দুই কিস্তিতে সাড়ে তিন লাখ টাকা দেওয়ার পর তারা সব ঘটনা আড়াল করে নন এফ আই আরে আদালতে চালান পাঠায়। পরে আসামিরাই (পুলিশ) তাকে আদালত থেকে ছাড়িয়ে আনে। ভুক্তভোগী সোহেলকে ছেড়ে দেওয়ার সময় আসামিরা (পুলিশ) হুমকি দিয়ে বলে ঘটনার বিষয়ে বাড়াবাড়ি করলে কিংবা কারও কাছে প্রকাশ করলে বিভিন্ন মামলায় জড়াবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
একরামুল হক
১০ আগস্ট ২০২০, সোমবার, ৬:১৬

অনেক কে বলতে শুনি এক জন পুলিশের অপকর্মের জন্য গড়ে সব পুলিশ কে খারাপ বলা ঠিক না। সেটা যদি সত্যই হয়ে থাকে তা হলে কোন থানার কোন পুলিশের চরিত্র ভালো আমরা জানার ইচ্ছা।

হাসান মেহেদী
১০ আগস্ট ২০২০, সোমবার, ১২:৫৬

কতিপয় অসাধু পুলিশ সদস্যদের জন্য গোটা বাহিনীর সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে বারংবার। প্রত্যেক থানা পুলিশের সদস্যদের ৬মাস অন্তর অন্তর বদলি করা উচিত। এছাড়াও প্রতিটি থানাতেই উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তদারকিতে গোপন টিম রাখা উচিত। কারো অপরাধ প্রবনতা পেলেই তাকে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়া যাবে। পাশাপাশি পুলিশের সাথে সার্জেন্টদের মত বুকে ক্যামেরা ফিট করে দেয়া উচিত।

Kazi
১০ আগস্ট ২০২০, সোমবার, ১০:২৩

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাহিনীর উর্ধতন লোকের তদন্ত নিরপেক্ষ হয় না। বাহিনীর লোকের প্রতি পক্ষপাত থাকে।

ঊর্মি
১০ আগস্ট ২০২০, সোমবার, ৮:৩৯

"মামলাটি তদন্ত করবেন পিবিআইয়ের সহকারি পুলিশ সুপার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা" Here lies the Root of All Evils !!! Why an ASP??? Why Not the IGP himself with a Supreme-court Justice ????? This wayThe complainant's major Issue is being dumped into the garbage

ঊর্মি
১০ আগস্ট ২০২০, সোমবার, ৮:৩৮

"মামলাটি তদন্ত করবেন পিবিআইয়ের সহকারি পুলিশ সুপার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা" Here lies the Root of All Evils !!! Why an ASP??? Why Not the IGP himself with a Supreme-court Justice ????? This wayThe complainant's major Issue is being dumped into the garbage

অন্যান্য খবর