× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার

পাথর সংকটে সিলেটে থমকে আছে হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে | ১৩ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৮:৩৯

 গুণগতমানের পাথর সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় সরকারের উন্নয়ন কাজ প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেটের ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ। একই কারণে  কেবল সিলেট জেলাতেই প্রায় হাজার কোটি টাকার কাজ আটকে আছে। এতে তারা প্রচুর আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন জানিয়ে অবিলম্বে ঠিকাদারদের সব সমস্যা সমাধান করে উন্নয়ন কাজ ত্বরান্বিত করার দাবি জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। বুধবার সিলেট মহানগরীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সিলেটের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক এটিএম হাসান জেবুল। তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটেও আমরা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু গুণগতমানের পাথর সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় তা সম্ভব হচ্ছে না। সব উপকরণ থাকার পরও কেবলমাত্র পাথরের অভাবে সময়মতো নির্মাণকাজ শেষ করা যাচ্ছে না।
এমনকি প্রকল্প এলাকায় থাকা রড সিমেন্ট ইট বালিসহ অন্যান্য সামগ্রী নষ্ট হচ্ছে। এতে আমাদের ক্ষতির বোঝা আরো বাড়ছে। তিনি বলেন, পাথর সরবরাহ না থাকায় বর্তমানে দাম দরপত্রের দ্বিগুণের চেয়েও বেশি। এমনকি দ্বিগুণ মূল্যেও পাথর পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় সময়মতো নির্মাণকাজ সমাপ্ত করা অসম্ভব। আর তাই কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের দাবি, জরিমানা না করে বাস্তবতার আলোকে কাজ সমাপ্তের তারিখ বৃদ্ধি করতে হবে। তিনি বলেন, মাসে মাসে ভ্যাট চালানের কপি জমি দেয়া আমাদের জন্য একটি বাড়তি বোঝা। যেহেতু প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পের বিল থেকে উৎসে কর কেটে রাখা হয় সেহেতু আমরা নির্ধারিত হারে বার্ষিক ভ্যাট প্রদান করি। তিনি এ বিষয়েও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। জেবুল বলেন, সিপিটিইউ’র অসম আইনের কারণে অনেক ঠিকাদার বেকার হয়ে পড়েছেন। আর বড় বড় ঠিকাদাররা কেবলমাত্র লাইসেন্স ভাড়া দিয়ে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে  নিচ্ছেন। তিনি সমতার ভিত্তিতে যোগ্যতা অনুসারে কাজ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিতের দাবি জানান। এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন সড়ক ও জনপথ বিভাগ ঠিকাদার কল্যাণ সমিতি সিলেটের সভাপতি ফয়জুল আনোয়ার আলাউর। বক্তারা স্থানীয় বা এলসি, যেকোনো উপায়ে দ্রুত মানসম্পন্ন পাথর সরবরাহ ও ঠিকাদারদের এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিরেশ দাস, রাখাল দে, শামীম আহমেদ, মিলাদ আহমদ, রমিজ উদ্দিন বাবুল, সুহেল চৌধুরী, আব্দুর রহমান জামিল, তোজাম্মেল হক তাজুল, আশফাক আহমেদ, মিঠু তালুকদার, আব্দুল হক,  গোলাম কিবরিয়া, ফজলে এলাহী মন্‌জু, সেলিম আহমদ  সেলিম, সাইফুর রহমান  খোকন, দেবাংশু দাস মিঠু, গিয়াস উদ্দীন সুন্দর, জামাল আহমদ, বিশ্বজিৎ দত্ত, এনায়েত আহমদ মনি, আব্দুল লতিফ রিপন, সামছুল ইসলাম মিলন, কামরুল ইসলাম, লুৎফুর রহমান, আজাদুর রহমান, ফারুক আহমদ, আবুল কালাম, জহিরুল ইসলাম তুহেল, আলতাব  হোসেন সহ শিক্ষা, প্রকৌশল, এলজিইডি, গণপূর্ত, সিলেট সিটি করপোরেশন, সড়ক ও জনপথ, স্বাস্থ্য প্রকৌশল, জেলা পরিষদ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সকল সদস্যবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন শিক্ষা প্রকৌশল ও এলজিইডি ঠিকাদার কল্যাণ পরিষদ কার্যকরী কমিটির সদস্য দেবাংশ দাস মিঠু।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর