× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার

প্রয়োজন হলে শ্রীলঙ্কায় কোয়ারেন্টিনে থাকবে টাইগাররা

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১৩ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৯:০০

অবশেষে নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা সফরের দিনক্ষণ। ২৩শে সেপ্টেম্বর মুমিনুল হক সৌরভের দল তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে ঢাকা ছাড়বে। তবে একই বিমানে তাদের সঙ্গী হবে বিসিবি হাই পারফরম্যান্স ইউনিট (এইচপি)। ফিরবেও দুই দল একসঙ্গে। গতকাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এক সভায় ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি ও হাই পারফরম্যান্স বিভাগ যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয়। তবে লঙ্কা সফরের আগে ঘুরে ফিরে আলোচনায়  করোনা ভাইরাস ও ‘কোয়ারেন্টিন’ পরিস্থিতি। শ্রীলঙ্কায় বিদেশ ফেরত যে কাউকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকা বাধ্যতামূলক। আর সেই কারণে স্থগিত হয়ে গেছে শ্রীলঙ্কা প্রিমিয়ার লীগও।
তবে বিসিবি’র দাবি, শ্রীলঙ্কায় টাইগারদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না। সেখানে পৌঁছে যে চূড়ান্ত কোভিড-১৯ পরীক্ষা হবে সেখানে নেগেটিভ আসলেই ক্রিকেটাররা মাঠে অনুশীলন করতে পারবে। এ বিষয়ে বিসিবি’র ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির প্রধান আকরাম খান দৈনিক মানবজমিনকে বলেন, ‘দেখেন আমাদের ক্রিকেটারদের দেশ ছাড়ার আগে ২টি ও শ্রীলঙ্কা পৌঁছে একটি করোনা পরীক্ষা হবে। সেখানে কেউ যদি পজেটিভ না থাকে তাহলে তো আর কোয়ারেন্টিনের প্রয়োজন নেই। হ্যাঁ, কেউ যদি পজেটিভ হয় তাহলে সে আইসোলেশনে যাবে। আর কোয়ারেন্টিন নিয়ে শ্রীলঙ্কা বোর্ড আমাদের কিছু জানায়নি এখনো। যদি সেখানে এমন কোন কিছু হয় তাহলে হাতে তো সময় আছে। প্রয়োজনে কোয়ারেন্টিন থাকবে দল।’
সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ দলের প্রথম টেস্ট শুরু হবে ২৪ আক্টোবর। তার মানে প্রায় ১ মাস আগেই শ্রীলঙ্কা পৌঁছবে বাংলাদেশ দল। তাই বাড়তি এই সময়ের খরচটা বিসিবিকেই বহন করতে হবে। এমনকি যদি কোয়ারেন্টিনে থাকতে হয় সেই খরচও বহন করতে হবে বাংলাদেশকে। গতকাল সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে দুটি দলেরই সব খরচ বহন করবে বিসিবি। এই বিষয়ে এইচপির চেয়ারম্যান নাইমুর রহমান দুর্জয় বলেন, ‘এইচপির থাকা ও খাওয়ার প্রথম অংশটা বিসিবি বহন করবে। তারপর জাতীয় দল যখন সিরিজে চলে যাবে, তখন এইচপি দলের সঙ্গে লঙ্কান  বোর্ডের যে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আছে  সেটা হবে এবং আতিথেয়তার সমুদয় খরচ লঙ্কান বোর্ড বহন করবে।’
আগামী ১৪ই সেপ্টেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশ অনুশীলন ক্যাম্প শুরু করবে।  সেখানেই খেলোয়াড়দের আইসোলশনে রেখে করা হবে কোভিড-১৯ পরীক্ষা। শ্রীলঙ্কা সফরে  স্কোয়াডে থাকতে পারেন এমন সবাই শুরু করেছেন ব্যক্তিগত অনুশীলন। সফর সূচি  চূড়ান্ত হলে দল ঘোষণা করবেন নির্বাচকরা। এরপরই  জানানো হবে ক্যাম্পের দিনক্ষণ। এ বিষয়ে আকরাম খান বলেন, ‘এটি অনেকটা কন্ডিশনিং ক্যাম্পের মতোই হবে। তবে  শ্রীলঙ্কা যাওয়ার পরই কলম্বোয় শুরু হবে আসল অনুশীলন। আগামী ১০  থেকে ১৪ই  সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাতীয় দলের অনুশীলন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।  সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ নাগাদ জাতীয় দলের সব বিদেশি  কোচ ঢাকায় চলে আসবে। তাদের অধীনেই শুরু হয়ে যাবে শ্রীলঙ্কা সফরের প্রস্তুতি। সব মিলে ৭-৮ দিনের মতো অনুশীলন হবে  দেশে। বাকিটা শ্রীলঙ্কায়।’ শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ দল কোয়ারেন্টিনে না থাকলে তাদের অনুশীলনের সুযোগ থাকবে লম্বা সময়। কিন্তু লঙ্কান বোর্ডের শর্ত অনুসারে সেখানে অনুশীলনের জন্য শ্রীলঙ্কার কোনো ক্রিকেটারকে পাবে না।  অনুশীলন করতে হবে নিজেদের মধ্যে। তাই জাতীয় দলের অনুশীলনের মূল ভরসা হবে সঙ্গে যাওয়া এইচপির ক্রিকেটাররা। তাদের সঙ্গে  খেলেই প্রস্তুতিটা নিতে হবে মুমিনুলদের।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর