× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, রবিবার
দুদকে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ

নিজেকে সৎ দাবি করলেন স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৩ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৯:০৯

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদকে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল সকাল ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি টিম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে নিজেকে সৎ দাবি করে সাংবাদিকদের আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি দায়িত্ব পালনের সময় কোনো দুর্নীতি করিনি।  আমি সৎ, দক্ষ, সজ্জন ও মেধাবী হিসেবে কাজ করেছি। করোনার সময় মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছি। আমার করোনা পজিটিভ হওয়া সত্ত্বেও সুস্থ হয়ে আবার কাজে যোগ দেই। সবসময় দেশের স্বার্থে কাজ করে গেছি।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, সামপ্রতিক সময়ে কিছু কিছু জায়গা থেকে আমার বিরুদ্ধে অপতৎপরতা শুরু হয়। সেজন্য আমি পদ আঁকড়ে না থেকে দেশের স্বার্থে পদত্যাগ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি। আমি চাই অনিয়মের বিচার হোক। আমাকে ডাকা হয়েছিল।
মাস্ক ও পিপিই দুর্নীতির বিষয়ে ডিজি হিসেবে দুদকের কাছে বক্তব্য দিয়েছি।
তিনি বলেন, আপনারা সবাই জানেন যে, আমি ২০১৬ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলাম। আমি লক্ষ্য করছিলাম যে, আমাকে নিয়ে অপপ্রচারের অপচেষ্টা শুরু হয়েছে। পদ আঁকড়ে রাখা আমার কাছে সম্মানের বিষয় নয়। তাই বিবেক তাড়িত হয়ে গত ২১শে জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করি।
এর আগে ৬ই আগস্ট আবুল কালাম আজাদকে দুদক থেকে তলবি নোটিশ দেয়া হয়েছিল। বিশেষ বাহক মারফত পাঠানো ওই নোটিশ তার বনানীর ৫ নম্বর রোডের বাসায় পাঠানো হয়। মাস্ক-পিপিই ক্রয় সংক্রান্ত দুর্নীতির অনুসন্ধানে এর আগে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) ছয় কর্মকর্তাসহ ডজনখানেক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। যদিও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজির হননি এলান করপোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিন ও মো. মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠু।  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং সিএমএসডি’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ক্রয়সহ বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে গত ১০ই জুন শুরু করে দুদক। অভিযোগ রয়েছে, সিএমএসডি’র ৯০০ কোটি টাকার কেনাকাটায় দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রিজেন্ট হাসপাতাল দুর্নীতিতে আরো একটি অনুসন্ধানে জিজ্ঞাসাবাদ হওয়ার কথা রয়েছে। এই জিজ্ঞাসাবাদেও হাজির হতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি আবুল কালাম আজাদকে।
তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা। গত ৬ই আগস্ট তার তলব করা ওই পত্রে বলা হয়, রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. শাহেদ ও অন্যদের বিরুদ্ধে জনসাধারণের সঙ্গে প্রতারণা করে করোনাভাইরাস সনদ দেয়ার নামে কোটি কোটি টাকা নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকে চলমান অনুসন্ধানের স্বার্থে আবুল কালাম আজাদকে তলব করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর