× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, শনিবার

পঞ্চাশে ঘুচলো পঁচিশের আক্ষেপ

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক | ১৪ আগস্ট ২০২০, শুক্রবার, ৮:৩৬

ক্লাবের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে এর চেয়ে ভালো উপলক্ষ্য কী পেতো প্যারিস সেন্ট জার্মেই? বুধবার প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তি হয় ক্লাবটির। সে রাতেই আতালান্তার বিপক্ষে এক নাটকীয় জয়ে তারা নিশ্চিত করে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেমিফাইনাল। চ্যাম্পিয়ন্স লীগে পিএসজি সবশেষ সেমিফাইনালে খেলেছিল ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে। আর ম্যাচ শেষে পিএসজি কোচ টমাস টুকেল বলেন, ‘আজ (বুধবার) আমাদের ৫০তম জন্মদিন। দিনটির কথা কখনোই ভুলবো না। সেমিফাইনালে পৌঁছাতে পেরে আমরা অনেক অনেক খুশি।’ বুধবার পর্তুগালের লিসবনে কোয়ার্টার ফাইনালে পিএসজি ২-১ গোলে হারায় ইতালিয়ান ক্লাব আতালান্তাকে। ম্যাচের ৮৯ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল আতালান্তা। প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লীগের শেষ আটে খেলা দলটি তাদের ইতিহাস নতুন করে লিখতে যাচ্ছিল, তখনই ভোজবাজির মতো সব পাল্টে যায়।
২ মিনিট ২৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুই গোল আদায় করে নাটকীয় জয় তুলে নেয় ফরাসি জায়ান্টরা। জয়ের পর পিএসজির ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নেইমার বলেন, ‘কখনো বিশ্বাস হারাইনি যে ছিটকে যাবো।’ আর কোচ টুকেল বলেন, ‘বিশ্বাস ছিল একটা গোল যদি আদায় করে নিতে পারি, তো আরেকটা গোলও পেয়ে যাবো।’ এদিন কিলিয়ান এমবাপ্পেকে বেঞ্চে রেখে খেলতে নামে পিএসজি। তৃতীয় মিনিটেই সুযোগ মিস করেন ম্যাচসেরা খেলোয়াড় নেইমার। আতালান্তার গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল পোস্টের বাইরে মারেন। এরপর দু’বার পিএসজিকে বাঁচান গোলরক্ষক কেইলর নাভাস। ২৬তম মিনিটে গোল আদায় করে নেয় আতালান্তা। গোল করেন মারিও পাসালিচ। ৬০তম মিনিটে স্প্যানিয়ার্ড তারকা পাবলো সারাবিয়ার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে নেইমারের অ্যাসিস্টে পিএসজিকে সমতায় ফেরান তার জাতীয় দলের সতীর্থ মার্কিনহোস। আর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে (৯০+৩ মিনিট) কিলিয়ান এমবাপ্পের সহায়তায় গোল করে পিএসজিকে সেমিতে পাঠান মাউরো ইকার্দির বদলি নামা এরিক ম্যাক্সিম চুপো-মটিং।
আতালান্তা কোচের উপলব্ধি
ম্যাচের শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ক’জন খেলোয়াড়কে বদলি করেন আতালান্তা কোচ জিয়ান পিয়েরো গাসপেরিনি। সিদ্ধান্তটা যে ভুল ছিল হারের পর তা স্বীকার করেন এ ইতালিয়ান কোচ। আতালান্তা কোচ বলেন, ‘আমি দুঃখিত। মনে হচ্ছিল জিতে গেছি। জিতলে সেটা হতো দারুণ অর্জন। আমরা জয়ের খুব কাছাকাছি ছিলাম। এরপরও ইউরোপের অন্যতম সেরা দলের বিপক্ষে অসাধারণ পারফরম্যান্স হিসেবেই পরিগনিত হবে এটি। এজন্য আমি শুধু আমার খেলোয়াড়দের ধন্যবাদ জানাতে পারি।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর