× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার

নতুন বোলিং অ্যাকশনে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে তাইজুলের

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার, ৯:০৭

টেস্টে বাংলাদেশের দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকারি তিনি, এই সংস্করণে দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশও। কিন্তু নিয়মিত নন অন্য দুই সংস্করণে। এবার অবশ্য অনেকটা চমক দিয়েই বিসিবি তাকে রেখেছে টেস্ট-ওয়ানডে- দুই ফরম্যাটেরই কেন্দ্রীয় চুক্তিতে। তাইজুলও নিজেকে তৈরি করছেন সেই দাবি মেটানোর জন্য। অনেকটাই বদলে নিয়েছেন বোলিং অ্যাকশন। তাইজুল ইসলামের নতুন অ্যাকশন দেখতে গুরু ড্যানিয়েল ভেট্টোরির মতো।  বাংলাদেশের স্পিন পরামর্শক এই কিউই গ্রেটের পরামর্শেই নিজেকে ভেঙে নতুনভাবে সাজানোর চেষ্টা করছেন তিনি। গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুশীলনের পর তাইজুল জানালেন, অনেক ঘাম ঝরিয়ে এখন তিনি নতুন অ্যাকশনে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন। বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম বলেন, ‘৩-৪ মাস পর মাঠে ফিরে আসা কঠিন।
তার পরও ক্রিকেট বোর্ড যে সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে, আমরা ২ মাসের মতো প্র্যাকটিস করলাম। ব্যক্তিগতভাবে আমি বোলিং নিয়ে কাজ করেছি। ভেট্টোরির সঙ্গে কথা বলেছি আমার বোলিং নিয়ে, মাঝখানে অ্যাকশন বদলেছি। অ্যাকশন নিয়ে কাজ করেছি। শরীরের সঙ্গে এখন অ্যাকশন মানিয়ে গেছে।’ তাইজুল বলেন, ‘এখন টানা ২ ঘণ্টা বোলিং করতেও সমস্যা হচ্ছে না। আমাদের ব্যক্তিগত অনুশীলন যখন ছিল, তখন যে সুবিধাটা হয়েছে, যার যার কাজগুলি নিজের মতো করে করতে পেরেছি। সপ্তাহ দুয়েক হলো ব্যাটম্যানদের বোলিং করছি নেটে। আত্মবিশ্বাস বাড়তে শুরু করেছে, আরও কিছুদিন গেলে আরও বাড়বে আশা করি।’অ্যাকশন, টেকনিকের মতো ব্যাপারগুলি অনেক সময়ই একটু ঝালাই করতে হয়ে ক্রিকেটারদের। কিন্তু ২৮ বছর বয়সী একজন ক্রিকেটারের বোলিং অ্যাকশনে এত বড় পরিবর্তনের ঘটনা বিরল। অনেকটা ঝুঁকিরও। বিশেষ করে, টেস্টে তাইজুলের যেটা বড় শক্তি, লাইন-লেংথে টানা বল করে যাওয়া ও ফ্লাইটের বৈচিত্র, সেখানে আপোস করার শঙ্কা থাকেই। তাইজুল অবশ্য সেই শঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন, বরং নিজেকে আরও ধারাল করে তুলছেন বলেই দাবি তার। তাইজুল বলেন, ‘আগের অ্যাকশনে একই জায়গায় টানা বল করার সুবিধা পেতাম। কিন্তু ওই অ্যাকশনে তিন সংস্করণে চালিয়ে যাওয়াটা কঠিন ছিল, কারণ বৈচিত্রের মাত্রা কম ছিল। ভেট্টোরির সঙ্গে কথা বলার পর তিনি বলেছেন যে এই অ্যাকশনে একইরকম বল করে হয়তো তিন ফরম্যাটে খেলতে পারবো। এজন্য বলের বাড়তি বাউন্সের দিক চিন্তা করে, ওভার স্পিনের কথা চিন্তা করে, বিভিন্ন বৈচিত্রের কথা চিন্তা করেই অ্যাকশন বদলে ফেলেছি। এর মধ্যে ফলও পাচ্ছি, বৈচিত্র পেতে সহায়তা করছে নতুন অ্যাকশন।’ নেটে প্রতিদিনই এই অ্যাকশনে টানা বোলিং করে চলেছেন তাইজুল। অপেক্ষা এখন ম্যাচে করে দেখানোর। কিন্তু বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা সফর দুলছে অনিশ্চয়তায়। এই বাঁহাতি স্পিনারের চাওয়া, অনিশ্চয়তা কেটে যাক, ক্রিকেটাররা ফিরুক চেনা জগতে। তাইজুল বলেন, ‘আমরা যারা ক্রিকেটার, বা যে কোনো খেলার খেলোয়াড়ই বলুন, এত লম্বা সময় খেলার বাইরে থাকা কঠিন। আমরা মাঠে থাকতেই পছন্দ করি। সামনে শ্রীলঙ্কা সিরিজ হওয়াটা তাই খুবই জরুরি। তাহলে ক্রিকেটাররা সবাই মাঠে ফিরতে পারবো। আগের অবস্থায় ফিরতে পারলে ভালো লাগবে।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর