× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার
কলকাতা কথকতা

পেঁয়াজ দাও, ইলিশ দিমু - বাংলাদেশের ঘরে ঘরে এই রব ঢেউ তুলেছে এই দেশেও

কলকাতা কথকতা

জয়ন্ত চক্রবর্তী, কলকাতা | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার, ১:৩৬

পেট্রাপোল সীমান্ত কিংবা উত্তরচব্বিশ পরগনার ঘোজাডাঙ্গা ল্যান্ডপোর্টে এখন সারি সারি ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে টন টন পেঁয়াজ নিয়ে। গত সোমবার বিকালে ডিরেক্টর জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড ভারত থেকে পেঁয়াজের রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেশে পেঁয়াজের দামে সুস্থিতি আনতে। কলকাতার বাজারে আজ বুধবার সকালেও পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে পঞ্চাশ টাকা কিলো দরে, যা অস্বাভাবিক চড়া।
ভারত বাংলাদেশে সব থেকে বেশি পেঁয়াজ রপ্তানি করে। পেট্রাপোল সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে এখন আছে প্রায় তিনহাজার টন পেঁয়াজ। এমন দিনে এই নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে, যেদিন বাংলাদেশ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে এপার বাংলায় ইলিশ পাঠিয়েছে।
এদিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাংলাদেশের ঘরে ঘরে রব ওঠেছে, পেঁয়াজ দাও, ইলিশ দিমু। এই রব আছড়ে পড়েছে এপার বাংলায়।
পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন এর পদাধিকারীরা মনে করছেন, এ বড় লজ্জার। বাংলাদেশ ইলিশ দিচ্ছে, আমরা তাদের পেঁয়াজ দিতে পারছি না। ভারত থেকে রপ্তানি বন্ধ হওয়ায় বাংলাদেশেও পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। এই অবস্থার অবসান চাইছে দু’দেশের মানুষই।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
TARIQUL ISLAM
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৯:০০

পেঁয়াজ দাও, ইলিশ দিমু - বাংলাদেশের ঘরে ঘরে এই রব ঢেউ তুলেছে এই দেশেও না এই দেশে রব উঠুক ভারতের সকল পন্য বর্জন আমারা ভারতের কোন পন্য ব্যবহার করতে চাইনা। ভারতিয়রা যেমন করে তাদের দেশ প্রেম থেকে চাইনা পন্য বর্জন করার কথা বলে ঠিক তেমনই আমাদেরও উচিত ভারতিয় পন্য বর্জন করা সাথে সাথে আমদানী কৃত পন্য দেশে উতপাদন বৃদ্ধিতে নজর দেওয়া।

Shahid
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার, ৫:৩৯

কেহ বলেন-পেঁয়াজ ছাড়া রান্না করতে। কেহ বলেন পেঁয়াজ কম খেতে। আবার কেহ বলেন ভারতের উপর নির্ভর না করতে। কিন্তু এ কথাটি কী কোন দায়িত্বশীল বলেন-কৃষি খাতে এত টাকা বরাদ্দের পরও তাদের থেকে দেশ কী পাচ্ছে? তাদের কার্যক্রম কী প্রশাসন দেখছে? নাকি তাদের সুযোগ দেয়া হচ্ছে যা পাও লেটে পুটে খাও?

Sabbir
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার, ৩:৫২

আমদের উচিৎ পিয়াজের উপর নির্ভরশীল না হওয়া । কম করে খাওয়া ।

jalal
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার, ২:৪০

ওদের আবার লজ্জা

Md. Harun al-Rashid
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার, ২:৩৫

সমস্যা হলো ভারতে যে অঞ্চলে পেঁয়াজ উৎপাদিত হয় না তারা পেঁয়াজ খায় না ইলিশ। ওরা তৃন বা শাকাহারি মানে Vegans. বাংলাদেশের উচিৎ ওদের সাথে আঞ্চলিক বানিজ্যে ইলিশের পরিবর্তে আলু, পটল,কুমড়ো, লাউ,পনির ইত্যাদির দ্রব্য বিনিময় করা।

Aftab Chowdhury
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার, ১২:৪২

ওদের আবার লজ্জা আছে নাকি । এই নাকি কান্না এদের আর এক ভন্ডামি।

অন্যান্য খবর